বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফাঁদ বসিয়ে বক শিকারে হারিয়ে যাচ্ছে শীতের পাখী !

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার গ্রাম পল্লীর ডোবা ও খাল বিলে ফাঁদ পেতে দীর্ঘদিন ধরে বকসহ বিভিন্ন প্রজতীর পাখি শিকার করে আসছে এক দল শিকারী চক্র। ফাঁদে প্রতিদিন ধরা পড়ছে দেশি-বিদেশী বিভিন্ন প্রজাতির অসংখ্য দুর্লভ বক ও পাখি।

উপজেলার চৈত্রকোল,ভেন্ডবাড়ি,চতরা,পাঁচগাছি,শানেরহাট, টুকুরিয়া,কাবিলপুর, চতরা,চৈত্রকোল, বড়দরগাহ্, কুমেদপুর, বড় আলমপুর, রায়পুর এবং মিঠিপুর ইউনিয়নে অসংখ্য ডোবা ও বিল রয়েছে। এসব বিলে অতিথি পাখিসহ সব প্রজাতির পাখির আগমন ঘটে শীত মৌসুমে। সারা বছরই দেখা যায় বক। সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়,বক পাখি ধরতে কলা ও বেতের পাতা দিয়ে ফাঁদ তৈরি করা হয়েছে। বাঁশের চিকন শলার মাধ্যমে একজন মানুষের উচ্চতার সমান উঁচু করে কুপের মতো তৈরী করে। এটি খাল বিলের পানির নিকটে স্থাপন করা হয়। এই ফাঁদে মধ্যে একজন শিকারী চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে। উপরে পোষা একটি বকের পায়ে সুতা বেঁধে রাখা হয়। ক্ষুধার্ত ও উড়ন্ত বক মাছ শিকারের জন্য পানিতে বসে থাকে। শিকারী তার ফাঁদের বক টিকে ঠোকা দিলে, উড়িয়ে যাবার জন্য চেষ্টা এবং চেঁচামেচি করে। আশপাশের বক পাখি বিপদে পড়া পাখিটিকে উদ্ধারের জন্য তার কাছে গিয়ে বসে। এ সময় ফাঁদের ভিতর থাকা শিকারী পাখিটিকে কৌশলে হাতদিয়ে আটকায়। ফাঁদে ধরা পড়া এক জোড়া সাদা বক ৩’শ টাকা দরে বিক্রি করে শিকারিরা।

এলাকাবাসী জানান প্রত্যন্ত পল্লী গ্রামের ডোবা ও বিলে থেকে বকসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি শিকার করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। শীতের মৌসুমে দেশি-বিদেশী বিভিন্ন প্রজাতির পাখিদের বিচরণ বেড়ে যায়। বিল ও নদনদী গুলোতে বক, জল হাঁস, জল পিঁপি, ডাহুক ও মাছরাঙ্গাসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখির আগমন ঘটে। এ বিষয়ে উপজেলা বন অফিসার শাহজাহান মিয়া বলেন, পাখির আবাসস্থল ও বিচরণ ক্ষেত্র সংকুচিত হয়ে আসছে। কীটনাশকের ব্যবহার এবং অবাধে পাখি শিকারের কারণে দিন দিন পাখির সংখ্যা ও প্রজাতি কমে যাচ্ছে। পাখি রক্ষায় আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনসাধারণকেও সচেতন হতে হবে।

ফাঁদ বসিয়ে বক শিকারে হারিয়ে যাচ্ছে শীতের পাখী !

প্রকাশের সময়: ০৯:৫২:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ ডিসেম্বর ২০২১

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার গ্রাম পল্লীর ডোবা ও খাল বিলে ফাঁদ পেতে দীর্ঘদিন ধরে বকসহ বিভিন্ন প্রজতীর পাখি শিকার করে আসছে এক দল শিকারী চক্র। ফাঁদে প্রতিদিন ধরা পড়ছে দেশি-বিদেশী বিভিন্ন প্রজাতির অসংখ্য দুর্লভ বক ও পাখি।

উপজেলার চৈত্রকোল,ভেন্ডবাড়ি,চতরা,পাঁচগাছি,শানেরহাট, টুকুরিয়া,কাবিলপুর, চতরা,চৈত্রকোল, বড়দরগাহ্, কুমেদপুর, বড় আলমপুর, রায়পুর এবং মিঠিপুর ইউনিয়নে অসংখ্য ডোবা ও বিল রয়েছে। এসব বিলে অতিথি পাখিসহ সব প্রজাতির পাখির আগমন ঘটে শীত মৌসুমে। সারা বছরই দেখা যায় বক। সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়,বক পাখি ধরতে কলা ও বেতের পাতা দিয়ে ফাঁদ তৈরি করা হয়েছে। বাঁশের চিকন শলার মাধ্যমে একজন মানুষের উচ্চতার সমান উঁচু করে কুপের মতো তৈরী করে। এটি খাল বিলের পানির নিকটে স্থাপন করা হয়। এই ফাঁদে মধ্যে একজন শিকারী চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে। উপরে পোষা একটি বকের পায়ে সুতা বেঁধে রাখা হয়। ক্ষুধার্ত ও উড়ন্ত বক মাছ শিকারের জন্য পানিতে বসে থাকে। শিকারী তার ফাঁদের বক টিকে ঠোকা দিলে, উড়িয়ে যাবার জন্য চেষ্টা এবং চেঁচামেচি করে। আশপাশের বক পাখি বিপদে পড়া পাখিটিকে উদ্ধারের জন্য তার কাছে গিয়ে বসে। এ সময় ফাঁদের ভিতর থাকা শিকারী পাখিটিকে কৌশলে হাতদিয়ে আটকায়। ফাঁদে ধরা পড়া এক জোড়া সাদা বক ৩’শ টাকা দরে বিক্রি করে শিকারিরা।

এলাকাবাসী জানান প্রত্যন্ত পল্লী গ্রামের ডোবা ও বিলে থেকে বকসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি শিকার করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। শীতের মৌসুমে দেশি-বিদেশী বিভিন্ন প্রজাতির পাখিদের বিচরণ বেড়ে যায়। বিল ও নদনদী গুলোতে বক, জল হাঁস, জল পিঁপি, ডাহুক ও মাছরাঙ্গাসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখির আগমন ঘটে। এ বিষয়ে উপজেলা বন অফিসার শাহজাহান মিয়া বলেন, পাখির আবাসস্থল ও বিচরণ ক্ষেত্র সংকুচিত হয়ে আসছে। কীটনাশকের ব্যবহার এবং অবাধে পাখি শিকারের কারণে দিন দিন পাখির সংখ্যা ও প্রজাতি কমে যাচ্ছে। পাখি রক্ষায় আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনসাধারণকেও সচেতন হতে হবে।