শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছেলের প্রতিদ্বন্দ্বি মা পেলেন ১৭ ভোট

চতুর্থ ধাপে অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ভোটযুদ্ধ করছিলেন মা ও ছেলে। শালমারা ইউনিয়ন থেকে প্রতিদ্বদ্বিতা করে দুজনই হেরে যান। তবে ১ হাজার ৫৯৯টি ভোট পেলেও মা পেয়েছে মাত্র ১৭ ভোট।

জানা গেছে, শালমারা ইউনিয়নের বাসিন্দা আছাব উদ্দিনের ছেলে ইমরান হোসেন মিলন ঘোড়া প্রতীক নিয়ে এবং তার মা মোছা. মিহিলিকা বেগম টেলিফোন প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এ নির্বাচনে ছেলে ইমরান হোসেন ১ হাজার ৫৯৯টি ভোট পেয়েছেন। তিনি বিজয়ী প্রার্থী হতে ২ হাজার ৬৮২ ভোট কম পাওয়ায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারেননি। আর তার মা মিহিলিকা বেগম টেলিফোন প্রতীকে পেয়েছেন মাত্র ১৭ ভোট। ছেলের অপেক্ষায় মা কম ভোট পাওয়া নিয়ে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইমরান হোসেন বলেন, প্রার্থীতায় জটিলতার করণে আমরা মা-ছেলে দুজনই মনোনয়ন দাখিল করেছিলাম। পরবর্তীতে সময় সংকীর্ণতায় মায়ের মনোনয়ন প্রত্যাহার করা হয়নি। তবে ভোটের মাঠে শুধু আমিই ঘোড়া মার্কা প্রতীকে মার্কা ছাপিয়ে প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছি।  আমার মা আমার পক্ষেই প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তবুও ব্যালটে প্রতীক থাকায় আমার মা টেলিফোন প্রতীকে ১৭টি ভোট পেয়েছে।

 

ছেলের প্রতিদ্বন্দ্বি মা পেলেন ১৭ ভোট

প্রকাশের সময়: ০৪:৪২:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২১

চতুর্থ ধাপে অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ভোটযুদ্ধ করছিলেন মা ও ছেলে। শালমারা ইউনিয়ন থেকে প্রতিদ্বদ্বিতা করে দুজনই হেরে যান। তবে ১ হাজার ৫৯৯টি ভোট পেলেও মা পেয়েছে মাত্র ১৭ ভোট।

জানা গেছে, শালমারা ইউনিয়নের বাসিন্দা আছাব উদ্দিনের ছেলে ইমরান হোসেন মিলন ঘোড়া প্রতীক নিয়ে এবং তার মা মোছা. মিহিলিকা বেগম টেলিফোন প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এ নির্বাচনে ছেলে ইমরান হোসেন ১ হাজার ৫৯৯টি ভোট পেয়েছেন। তিনি বিজয়ী প্রার্থী হতে ২ হাজার ৬৮২ ভোট কম পাওয়ায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারেননি। আর তার মা মিহিলিকা বেগম টেলিফোন প্রতীকে পেয়েছেন মাত্র ১৭ ভোট। ছেলের অপেক্ষায় মা কম ভোট পাওয়া নিয়ে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইমরান হোসেন বলেন, প্রার্থীতায় জটিলতার করণে আমরা মা-ছেলে দুজনই মনোনয়ন দাখিল করেছিলাম। পরবর্তীতে সময় সংকীর্ণতায় মায়ের মনোনয়ন প্রত্যাহার করা হয়নি। তবে ভোটের মাঠে শুধু আমিই ঘোড়া মার্কা প্রতীকে মার্কা ছাপিয়ে প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছি।  আমার মা আমার পক্ষেই প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তবুও ব্যালটে প্রতীক থাকায় আমার মা টেলিফোন প্রতীকে ১৭টি ভোট পেয়েছে।