ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে ষষ্ঠ ধাপে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত হবে ভোটগ্রহণ। এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ফরিদপুর ইউনিয়নের নৌকা প্রতীক অফিসে হামলা চালিয়েছে লাঙ্গল প্রতীক প্রার্থী ও কর্মী-সমর্থকরা। এসময় নৌকার অফিস ভাঙচুর, মোটরসাইকেল ছিনতাই করাসহ বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে অজ্ঞাতসহ শতাধিক জনকে আসামি করে সাদুল্লাপুর থানায় এজাহার দাখিল করা হয়েছে। এতে নামীয় ৫৩ জন অজ্ঞাত ৫৫-৬০ জনকে আসামি করা হয়।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, বুধবার (১২ জানুয়ারি) দিনবাগত রাত ৮ টার দিকে ফরিদপুর ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের মনোনিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নুর আজম মণ্ডল নিরব এর ঘেগার বাজারস্থ নির্বাচনী অফিসে কর্মী-সমর্থকরা বসে ছিলেন। এসময় জাতীয় পার্টির মনোনিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ময়নুল প্রধান ও তার কর্মী-সমর্থকরা পরিকল্পিতভাবে নৌকার অফিসে আতর্কিত হামলা চালায়। এ ঘটনায় অফিসের চেয়ার-টেবিল, বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি, মোটরসাইকেল এবং বেশ কয়েকটি দোকান ভাঙচুর-লুটপাট করে। এ কাণ্ডে বাঁধা দিতে গিয়ে আবু তালেব রঞ্জি ও টুটুল মিয়াসহ ৬ জন গুরুতর আহত হয়। আহত আবু তালেব রঞ্জি সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও টুটুল মিয়াকে রমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনা অস্বীকার করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান প্রার্থী ময়নুল প্রধান বলেন নৌকার কর্মীদের হামলায় আমার সমর্থক ইয়াকুব মিয়া ও শাকিল মিয়াসহ ৪ জন আহত হয়েছেন।
নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী নুর আজম মণ্ডল নিরব বলেন, রাত সাড়ে ৮টার দিকে আমার কর্মী-সমর্থকরা ঘেগার বাজারের নির্বাচনী অফিসে বসে ছিলেন। এসময় প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী ময়নুল প্রধানের অন্তত শতাধিক কর্মী-সমর্থক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দাখিল করা হয়েছে।
সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার জাগো২৪.নেট-কে জানান, খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। এ ঘটনায় একটি এজাহার হয়েছে। যা তদন্তাধীন রয়েছে।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, সাদুল্লাপুর (গাইবান্ধা) 


















