গাইবান্ধার সাতটি উপজেলার ১৬৪টি চর হবে কৃষিতে অপার সম্ভাবনাময় এলাকা। চরাঞ্চলে যা চাষাবাদ করা হচ্ছে তাই ফলছে বলে মন্তব্য করেছে গাইবান্ধার নবাগত জেলা প্রশাসক মো. অলিউর রহমান।
মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা ও গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, আমরা যারা প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে রয়েছি, তারা জনগণের সেবক মাত্র। শিক্ষার ক্ষেত্রে যথেষ্ট অবকাঠামো রয়েছে। এখন প্রয়োজন অট্টালিকার ভেতরে জনবলকে প্রশিক্ষিত করে মানসন্মত শিক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা। উপযুক্ত স্থান এবং কর্মপরিকল্পনাকে সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করাই সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য।
উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আল মারুফের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, পৌর মেয়র আব্দুর রশিদ রেজা সরকার ডাবলু, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার আবুল ফাত্তাহ, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জামান, গণমাধ্যমকর্মী আব্দুল মান্নান আকন্দ, ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম, ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ, নাফিউল ইসলাম জিমি, রেজাউল আলম সরকার, আব্দুল জব্বার, এবিএম মিজানুর রহমান, সাংবাদিক মোশাররফ হোসেন বুলু প্রমূখ।
এর আগে জেলা প্রশাসত তারাপুর ইউনিয়ন পরিষদ, পুটিমারি উচ্চ বিদ্যালয়, পুটিমারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তারাপুর তহশীল অফিস, তারাপুর ইউনিয়নের খোদ্দা ও লাঠশালা চরের গুচ্ছগ্রাম এবং আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিদর্শন করেন।

বিপুল ইসলাম আকাশ, করেসপন্ডেন্ট জাগো২৪.নেট, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) 


















