বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খানসামায় ২১ হাজার শিক্ষার্থী পেল করোনা ভাইরাসের টিকা

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় ২১ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর করোনাভাইরাসের প্রথম ডোজ টিকা সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া নানা কারণে বাদ পড়া শিক্ষার্থীদের পর্যায়ক্রমে টিকার আওতায় আনা হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনা ও সাহসের সঙ্গে টিকা গ্রহণ করেছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৬২টি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক, ২৩টি দাখিল মাদ্রাাসা, ৭টি কলেজ ও ৫টি টেকনিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী ২১ হাজার ৩২৭ জন। শিক্ষার্থীদের নামের তালিকা অনুসারে ২১ হাজার জন শিক্ষার্থীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও খানসামা ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে করোনা টিকার প্রথম ডোজ দেয়া শেষ হয়েছে। এক মাস পর প্রথম ডোজ নেয়া শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয় ডোজের টিকা পাবে।

জমিরউদ্দীন শাহ্ বালিকা স্কুল এ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) শাহরিয়ার জামান নিপুন শাহ্, কুমড়িয়া দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) এস এম মন্টু আলী ও গোয়ালডিহি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ মোহাম্মদ আফজাল হোসেন শাহ্ জানান, টিকা নেয়ার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ১২-১৮ বছর পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীকে আগেই অবগত করা হয়। করোনার টিকা নেয়ার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষকেরা সঙ্গে থেকে শিক্ষার্থীদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে যান। শিক্ষার্থীরা উৎসাহের সাথে টিকা নিয়েছে। তাদের তেমন কোনো সমস্যা হয়নি। নানা জটিলতার কারণে যেসব শিক্ষার্থী বাদ পড়েছে, তাদের টিকার আওতায় আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা ডা. মো. মিজানুর রহমান জাগো২৪.নেট-কে জানান, মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের করোনার টিকা দেয়া কার্যক্রম প্রাথমিকভাবে শেষ হয়েছে। তবে শিক্ষা অফিসের দেয়া তালিকানুসারে কিছু শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকায় বাদ পড়েছে। ভ্যাকসিন প্রাপ্তি সাপেক্ষে তাদেরও ভ্যাকসিন দেয়া হবে।

খানসামায় ২১ হাজার শিক্ষার্থী পেল করোনা ভাইরাসের টিকা

প্রকাশের সময়: ০৬:১৪:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২২

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় ২১ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর করোনাভাইরাসের প্রথম ডোজ টিকা সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া নানা কারণে বাদ পড়া শিক্ষার্থীদের পর্যায়ক্রমে টিকার আওতায় আনা হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনা ও সাহসের সঙ্গে টিকা গ্রহণ করেছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৬২টি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক, ২৩টি দাখিল মাদ্রাাসা, ৭টি কলেজ ও ৫টি টেকনিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী ২১ হাজার ৩২৭ জন। শিক্ষার্থীদের নামের তালিকা অনুসারে ২১ হাজার জন শিক্ষার্থীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও খানসামা ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে করোনা টিকার প্রথম ডোজ দেয়া শেষ হয়েছে। এক মাস পর প্রথম ডোজ নেয়া শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয় ডোজের টিকা পাবে।

জমিরউদ্দীন শাহ্ বালিকা স্কুল এ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) শাহরিয়ার জামান নিপুন শাহ্, কুমড়িয়া দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) এস এম মন্টু আলী ও গোয়ালডিহি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ মোহাম্মদ আফজাল হোসেন শাহ্ জানান, টিকা নেয়ার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ১২-১৮ বছর পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীকে আগেই অবগত করা হয়। করোনার টিকা নেয়ার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষকেরা সঙ্গে থেকে শিক্ষার্থীদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে যান। শিক্ষার্থীরা উৎসাহের সাথে টিকা নিয়েছে। তাদের তেমন কোনো সমস্যা হয়নি। নানা জটিলতার কারণে যেসব শিক্ষার্থী বাদ পড়েছে, তাদের টিকার আওতায় আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা ডা. মো. মিজানুর রহমান জাগো২৪.নেট-কে জানান, মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের করোনার টিকা দেয়া কার্যক্রম প্রাথমিকভাবে শেষ হয়েছে। তবে শিক্ষা অফিসের দেয়া তালিকানুসারে কিছু শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকায় বাদ পড়েছে। ভ্যাকসিন প্রাপ্তি সাপেক্ষে তাদেরও ভ্যাকসিন দেয়া হবে।