বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গোবিন্দগঞ্জে নির্বাচনী অভিযোগ তদন্তকালে দু’পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া 

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শালমারা ও মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নে চতুর্থ ধাপে  অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত চলাকালে দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (১ ফেব্রুয়ারি) উপজেলা হলরুমে রংপুর বিভাগীয় আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জিএম সাহাতাব উদ্দিন এর তদন্ত শুনানীকালে এ ঘটনা ঘটে। ধাওয়া- পাল্টা-ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের এ ঘটনায় পথচারীসহ একাধিক ব্যক্তি আহত হন। পরে পুলিশ ও র‌্যাব লাঠিচার্জ করে উভয় পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

শুনানিকালে উপস্থিত ছিলেন, গাইবান্ধা জেলা নির্বাচন অফিসার আব্দুল মোত্তালিব, উপজেলা নির্বাচন অফিসার বিএস বজেন্দ্র নাথসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ। এসময় সেদিনের নির্বাচনের সাথে জড়িত ৩ টি ভোটকেন্দ্রের সকল কর্মকর্তা ও প্রতিদ্বন্দ্বি  প্রার্থীদের জবানবন্দি গ্রহণ করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পুর্ন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইজার উদ্দিন। তিনি জানান, বিগত দিনের নির্বাচনী ফলাফলকে কেন্দ্র করে প্রার্থীদের পক্ষ থেকে  নির্বাচন কমিশন বরাবর অভিযোগ দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় আজ মঙ্গলবার রংপুর বিভাগীয় নির্বাচন কমিশনারের উপস্থিতিতে গণশুনানি চলছিল। শুনানির শেষের দিকে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের সৃষ্টি হলে পুলিশ ও র‍্যাব গিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়’। এ ঘটনায় কাউকে আটক কিংবা থানায় কেউ অভিযোগ করেননি বলেও তিনি জানান।

উল্লেখ্য গত ২৬ ডিসেম্বর ৪র্থ ধাপে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে উপজেলার শালমারা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের বাইগুনী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৮ নং ওয়ার্ডের হিয়াতপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগ এনে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী আইয়ুব আলী (চশমা) নির্বাচন কমিশন বরাবর অভিযোগ দাখিল করেন। অপর দিকে মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের শিংজানী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগ এনে পৃর্থক ভাবে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী গোলাম কাদির মিঠু (আনারস) নির্বাচন কমিশন বরাবর অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগ দুটির আলোকে নির্বাচন কমিশন থেকে তদন্ত করে ১০ কার্য দিবসের মধ্যে রংপুর বিভাগীয় আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাকে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

গোবিন্দগঞ্জে নির্বাচনী অভিযোগ তদন্তকালে দু’পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া 

প্রকাশের সময়: ০৮:৩৫:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২২

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শালমারা ও মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নে চতুর্থ ধাপে  অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত চলাকালে দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (১ ফেব্রুয়ারি) উপজেলা হলরুমে রংপুর বিভাগীয় আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জিএম সাহাতাব উদ্দিন এর তদন্ত শুনানীকালে এ ঘটনা ঘটে। ধাওয়া- পাল্টা-ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের এ ঘটনায় পথচারীসহ একাধিক ব্যক্তি আহত হন। পরে পুলিশ ও র‌্যাব লাঠিচার্জ করে উভয় পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

শুনানিকালে উপস্থিত ছিলেন, গাইবান্ধা জেলা নির্বাচন অফিসার আব্দুল মোত্তালিব, উপজেলা নির্বাচন অফিসার বিএস বজেন্দ্র নাথসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ। এসময় সেদিনের নির্বাচনের সাথে জড়িত ৩ টি ভোটকেন্দ্রের সকল কর্মকর্তা ও প্রতিদ্বন্দ্বি  প্রার্থীদের জবানবন্দি গ্রহণ করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পুর্ন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইজার উদ্দিন। তিনি জানান, বিগত দিনের নির্বাচনী ফলাফলকে কেন্দ্র করে প্রার্থীদের পক্ষ থেকে  নির্বাচন কমিশন বরাবর অভিযোগ দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় আজ মঙ্গলবার রংপুর বিভাগীয় নির্বাচন কমিশনারের উপস্থিতিতে গণশুনানি চলছিল। শুনানির শেষের দিকে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের সৃষ্টি হলে পুলিশ ও র‍্যাব গিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়’। এ ঘটনায় কাউকে আটক কিংবা থানায় কেউ অভিযোগ করেননি বলেও তিনি জানান।

উল্লেখ্য গত ২৬ ডিসেম্বর ৪র্থ ধাপে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে উপজেলার শালমারা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের বাইগুনী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৮ নং ওয়ার্ডের হিয়াতপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগ এনে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী আইয়ুব আলী (চশমা) নির্বাচন কমিশন বরাবর অভিযোগ দাখিল করেন। অপর দিকে মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের শিংজানী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগ এনে পৃর্থক ভাবে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী গোলাম কাদির মিঠু (আনারস) নির্বাচন কমিশন বরাবর অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগ দুটির আলোকে নির্বাচন কমিশন থেকে তদন্ত করে ১০ কার্য দিবসের মধ্যে রংপুর বিভাগীয় আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাকে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।