বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা সংস্কার করলো সমাজসেবক খায়রুল

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় গেল বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিভিন্ন কাঁচা রাস্তা। এসব সংস্কারের উদ্যোগ নেই জনপ্রতিনিধিদের। ফলে চলাচলে দুর্ভোগে পড়ে সহস্রাধিক মানুষ। এসব মানুষদের স্বার্থে প্রায় ৩ কিলোমিটার কাঁচ রাস্তা মাটি ভরাট করে দিলেন স্থানীয় সমাজসেবক খাইরুল বাসার নয়ন।

বুধবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার নুনতলা পূর্বপাড়া থেকে  চকমাকড়া পর্যন্ত রাস্তায় সংস্কারের চিত্র দেখা গেছে। খায়রুল বাসারের এই মহৎ উদ্যোগে ভুক্তভোগিদের মাঝে স্বস্তি বিরাজ করছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোজাম্মেল হক, খাইরুল বাসার নয়ন নিজ উদ্যোগে মানুষদের চলাচলের রাস্তা নির্মাণ করে দিয়েছেন। আমরা এখন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবো। আমাদেরকে এখন আর হা-বাজার, আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে যেতে নৌকার উপর নির্ভরশীল হতে হবেনা। এর আগে রাস্তাটি চলাচলে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। কোথাও যেতে তাদের অনেক কষ্ট করতে হয়। আত্মীয় স্বজন তাদের বাড়িতে আসতে চায়না এবং কি রাস্তা না থাকার কারণে তাদের সাথে কেউ আত্মীয়তাও করতে চাইতোনা। নতুন এই রাস্তা আমাদের জীবনযাত্রার মান বদলে দেবে।

খায়রুল বাসার নয়ন জাগো২৪.নেট-কে  বলেন, আমার ইউনিয়নের নুনতলা পূর্ব পাড়ার জনগোষ্ঠীর চলাচলের কোন রাস্তা নেই। দরিদ্র এই জনগোষ্ঠীর কোন সামর্থ্য নেই তারা একটা নতুন রাস্তা নির্মাণ করবেন। তাদের কোথাও যেতে অনেক কষ্ট করতে হতো। তাদের কষ্ট লাঘবের জন্য আমি নিজ অর্থায়নে তাদের চলাচলের রাস্তা নির্মাণ করে দিলাম। এতে করে তারা খুব সহজেই সবার সঙ্গে নতুন করে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারবে।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা সংস্কার করলো সমাজসেবক খায়রুল

প্রকাশের সময়: ০১:৩২:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২২

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় গেল বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিভিন্ন কাঁচা রাস্তা। এসব সংস্কারের উদ্যোগ নেই জনপ্রতিনিধিদের। ফলে চলাচলে দুর্ভোগে পড়ে সহস্রাধিক মানুষ। এসব মানুষদের স্বার্থে প্রায় ৩ কিলোমিটার কাঁচ রাস্তা মাটি ভরাট করে দিলেন স্থানীয় সমাজসেবক খাইরুল বাসার নয়ন।

বুধবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার নুনতলা পূর্বপাড়া থেকে  চকমাকড়া পর্যন্ত রাস্তায় সংস্কারের চিত্র দেখা গেছে। খায়রুল বাসারের এই মহৎ উদ্যোগে ভুক্তভোগিদের মাঝে স্বস্তি বিরাজ করছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোজাম্মেল হক, খাইরুল বাসার নয়ন নিজ উদ্যোগে মানুষদের চলাচলের রাস্তা নির্মাণ করে দিয়েছেন। আমরা এখন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবো। আমাদেরকে এখন আর হা-বাজার, আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে যেতে নৌকার উপর নির্ভরশীল হতে হবেনা। এর আগে রাস্তাটি চলাচলে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। কোথাও যেতে তাদের অনেক কষ্ট করতে হয়। আত্মীয় স্বজন তাদের বাড়িতে আসতে চায়না এবং কি রাস্তা না থাকার কারণে তাদের সাথে কেউ আত্মীয়তাও করতে চাইতোনা। নতুন এই রাস্তা আমাদের জীবনযাত্রার মান বদলে দেবে।

খায়রুল বাসার নয়ন জাগো২৪.নেট-কে  বলেন, আমার ইউনিয়নের নুনতলা পূর্ব পাড়ার জনগোষ্ঠীর চলাচলের কোন রাস্তা নেই। দরিদ্র এই জনগোষ্ঠীর কোন সামর্থ্য নেই তারা একটা নতুন রাস্তা নির্মাণ করবেন। তাদের কোথাও যেতে অনেক কষ্ট করতে হতো। তাদের কষ্ট লাঘবের জন্য আমি নিজ অর্থায়নে তাদের চলাচলের রাস্তা নির্মাণ করে দিলাম। এতে করে তারা খুব সহজেই সবার সঙ্গে নতুন করে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারবে।