শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পুরনো যন্ত্রপাতি সরবরাহের অভিযোগ

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টেন্ডারের পর নতুন যন্ত্রপাতির বদলে পুরোনো যন্ত্রপাতি সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যন্ত্রপাতি যাচাই-বাছাই করতে ৮ সদস্যের একটি কমিটি করেছে।

জানা গেছে, উপজেলা পরিচালন ও উন্নয়ন প্রকল্প (ইউজিডিপি)’র আওতায় বাংলাদেশ সরকার ও জাইকার অর্থায়নে খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩০ লাখ টাকায় ডিজিটাল এক্স-রে মেশিনসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ক্রয়ে ই-টেন্ডার হয়। এতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রাফাত এন্টারপ্রাইজ প্রাঃ লিমিটেড যন্ত্রপাতি সরবরাহের কাজটি পায়। পরে সেসব মালামাল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরবরাহ করলে দেখা যায় এক্স-রে মেশিনটি ৭ বছর আগের বারকোডবিহীন পুরনো মডেলের। এছাড়াও যন্ত্রটির অনেক জায়গায় মরিচা ও দাগ উত্তোলনের ঘটনা দেখা যায়।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রাফাত এন্টারপ্রাইজ প্রাঃ লিঃ’র মিজানুল হক প্রিন্স বলেন, আমরা বিএমএ ভবন থেকে নগদ টাকা দিয়ে মালামাল কিনেছি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ওই কোম্পানিকে জানানো হয়েছে। তারা সরাসরি এসে তা দেখার পর যন্ত্রপাতির ক্রুটি মনে হলে টেন্ডার অনুযায়ী তা পরিবর্তন করে দেয়া হবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ও যন্ত্রপাতি যাচাই-বাছাই কমিটির প্রধান ডা. শামসুদ্দোহা মুকুল বলেন, যাচাই-বাছাই এখনও প্রক্রিয়াধীন। তবে ইতিমধ্যে ডিজিটাল এক্স-রে মেশিনের সমস্যাটি দৃষ্টিগোচর হওয়ায় বিল পরিশোধ না করতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা. মো. মিজানুর রহমান বলেন, যন্ত্রপাতি যাচাই-বাছাই কমিটির মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে পুরনো মালামাল পরিবর্তন করার নির্দেশ দিয়েছি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রাশিদা আক্তার বলেন, যন্ত্রপাতি বুঝে নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রত্যয়নপত্র দিবে। এছাড়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কোন বিল প্রদান করা হবে না।

খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পুরনো যন্ত্রপাতি সরবরাহের অভিযোগ

প্রকাশের সময়: ০৬:২০:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টেন্ডারের পর নতুন যন্ত্রপাতির বদলে পুরোনো যন্ত্রপাতি সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যন্ত্রপাতি যাচাই-বাছাই করতে ৮ সদস্যের একটি কমিটি করেছে।

জানা গেছে, উপজেলা পরিচালন ও উন্নয়ন প্রকল্প (ইউজিডিপি)’র আওতায় বাংলাদেশ সরকার ও জাইকার অর্থায়নে খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩০ লাখ টাকায় ডিজিটাল এক্স-রে মেশিনসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ক্রয়ে ই-টেন্ডার হয়। এতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রাফাত এন্টারপ্রাইজ প্রাঃ লিমিটেড যন্ত্রপাতি সরবরাহের কাজটি পায়। পরে সেসব মালামাল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরবরাহ করলে দেখা যায় এক্স-রে মেশিনটি ৭ বছর আগের বারকোডবিহীন পুরনো মডেলের। এছাড়াও যন্ত্রটির অনেক জায়গায় মরিচা ও দাগ উত্তোলনের ঘটনা দেখা যায়।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রাফাত এন্টারপ্রাইজ প্রাঃ লিঃ’র মিজানুল হক প্রিন্স বলেন, আমরা বিএমএ ভবন থেকে নগদ টাকা দিয়ে মালামাল কিনেছি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ওই কোম্পানিকে জানানো হয়েছে। তারা সরাসরি এসে তা দেখার পর যন্ত্রপাতির ক্রুটি মনে হলে টেন্ডার অনুযায়ী তা পরিবর্তন করে দেয়া হবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ও যন্ত্রপাতি যাচাই-বাছাই কমিটির প্রধান ডা. শামসুদ্দোহা মুকুল বলেন, যাচাই-বাছাই এখনও প্রক্রিয়াধীন। তবে ইতিমধ্যে ডিজিটাল এক্স-রে মেশিনের সমস্যাটি দৃষ্টিগোচর হওয়ায় বিল পরিশোধ না করতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা. মো. মিজানুর রহমান বলেন, যন্ত্রপাতি যাচাই-বাছাই কমিটির মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে পুরনো মালামাল পরিবর্তন করার নির্দেশ দিয়েছি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রাশিদা আক্তার বলেন, যন্ত্রপাতি বুঝে নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রত্যয়নপত্র দিবে। এছাড়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কোন বিল প্রদান করা হবে না।