আবাহাওয়ার বিরূপ আচারণে গাইবান্ধায় গত তিনদিন ধরে দফায় দফায় বয়ে চলেছে মুসলধারে বৃষ্টি ও হিমলে হাওয়া। পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে শাক-সবজির ক্ষেত। ফলে কমেছে উৎপাদন ক্ষমতা। যার কারণে লাফিয়ে বেড়েছে শাক-সবজির দাম। এতে ক্রয় ক্ষমতার অক্ষম হয়ে পড়েছে স্বল্প আয়ের মানুষরা ।
সরেজমিনে শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) গাইবান্ধা শহরের পুরাতন বাজারসহ জেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে দেখা গেছে শাক-সবজির আকাশচুম্বি দাম। এমন দামের কারণে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডাও লক্ষ্য করা গেছে।
বর্তমানে প্রতিকেজি বেগুন ৪৫-৫০ টাকা, সিম ৪০ টাকা, ফুলকপি ৩০ টাকা, আলু ১৫ টাকা, টমেটো ৩৫-৪০ টাকা, গাজর ২০ টাকা, ক্ষিরা ৪০ টাকা, মূলা ২০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, করলা ১০০-১২০ টাকা, মিস্টি কুমড়া ২০ টাকা, বাধা কপি ১৫ টাকা, লাউ ৫০-৮০ টাকা (প্রতি পিস প্রকার ভেদে), ধনিয়া পাতা ১০০ টাকা, লাল শাক ৬০ টাকা, পালং শাক ৬০ টাকা, লাফা শাক ৭০ টাকা, সরিষা শাক ৬০ টাকা কেজি দামে বিক্রি হচ্ছে। অথচ কয়েকদিন আগে এসব শাক-সবজির দাম অনেকটাই কমছিল। হঠাৎ বৃষ্টিপাতের কারণে এমন দাম বৃদ্ধি পেয়েছে বলে কৃষক ও বিক্রেতাদের দাবি।
সবজি কিনতে রেজাউল করিম লুৎফর জাগো২৪.নেট-কে বলেন, তিন আগে শাক-সবজির দাম কমই ছিল। বর্তমানে অস্বাভাকি দামে কিনতে হচ্ছে। এতে করে স্বল্প আয়ের মানুষেরা শাক-সবজি ক্রয়ে হিমসিম খাচ্ছে।
খুচরা সবজি ব্যবসায়ী লাল মিয়া জানান, আড়ৎ থেকে বেশী দামে কিনতে হচ্ছে। এ কারণে ক্রেতাদের কাছে কিছুটা বেশী দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
কৃষক জয়নাল আবেদীন জানান, দুই বিঘা জমিতে নানা প্রকার সবজি আবাদ করছেন। হঠাৎ করে গত তিন দিন ধরে অব্যাহত রয়েছে বৃষ্টি। এতে ফসল উৎপাদন কমেছে।
গাইবান্ধা কৃষি বিভাগের উপপরিচালক বেলাল উদ্দিন জাগো২৪.নেট-কে জানান, কয়েকদিনে টানা বৃষ্টিতে কিছু সংখ্যক সবজি ক্ষেতে পানি জমেছে। যাতে করে ফসলের ক্ষতি না হয় সেবিষয়ে কুষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া উৎপাদন কমে যাওয়ায় শাক-সবজির দাম কিছুটা বেড়েছে।

স্টাফ করেসপন্ডেন্টে, জাগো২৪.নেট 









