কনের সাবেক স্বামী অবশ্য ঘটনার ২ ঘন্টা আগেই বরকে হুমকি দিয়ে বলে গিয়েছিলো ওই মেয়েকে বিয়ে করলে কপাল পুড়বে তোর। যেমন কথা তেমন কাজ করেই দেখালো কনের সাবেক স্বামী। দুঘর্টনাটি ঘটেছে রবিবার ভোররাতে সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট তিলকপাড়া গ্রামে।
সরেজমিনে গিয়ে ভৃক্তভোগী ও এলাকাবাসী সুত্রে জানাযায়, ঐ গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে সাগর মিয়া (২০) এর বিয়ে ঠিক হয়েছিলো পাশ্ববর্তী পীরগন্জ উপজেলার আবদুল্যাহপুর গ্রামের হাফিজুলের মেয়ে মিম আক্তারের সঙ্গে।
রবিবার দুপুরে বরযাত্রী যাবার কথা বিয়ে করতে। এ কারনে বর সাগর মিয়া তার ২ বন্ধু ছিয়াউর রহমান ও মিজু মিয়াকে নিয়ে বাড়ি সংলগ্ন টিনের মুদি দোকানে ঘুমানোর জন্য শুয়ে পড়ে। রাত আনুমানিক ২ টার দিকে তার দোকানে এসে সাগর মিয়াকে ডাক দিয়ে তোলে মিমের সাবেক স্বামী পীরগন্জ উপজেলার চেরাগপুর গ্রামের মনজু মিয়ার ছেলে হাছিব উদ্দিন(২৪) নাম পরিচয় দিয়ে বলে আমি মিমের আগের স্বামী তুমি ওকে বিয়ে করবে না। ওকে বিয়ে করলে তোমার কপাল পুড়ে যাবে এ নিয়ে দু জনের সামান্য বাকবিতন্ডা হলে হাছিব চলে যায় বর সাগর মিয়া তার ২ বন্ধু সহ দোকান ঘরে শুয়ে পরে।
ভোর ৫ টার দিকে আগুন আগুন বলে প্রতিবেশীরা চিল্লাচিল্লি করে দোকান ঘর ভেংগে বর সহ ৩ জনকে উদ্ধার করে আগুনের লেলিহান শিখায় সমস্ত দোকান ঘর পুড়ে আনুমানিক ৫০ হাজার টাকার মালামাল ভস্মিভৃত হয়ে যায়।
এ সময় আগুনের শিখায় বর সাগর সহ তার সহযোগী ২ বন্ধুর কপাল এবং মাথার চুল আগুনে পুড়ে যায়। খবর পেয়ে কনে পক্ষের লোকজন ছুটে আসে বরের বাড়ীতে কনের বড় ভাই জানায় মিমের সাবেক স্বামী বখাটে ও চোর প্রকৃতির হওয়ায় তার বোন তাকে ডিভোর্স দিয়ে পুনরায় সাগরের সাথে বিয়ের দিনক্ষন ঠিক করেছে।
বরের পিতা ইদ্রিস জানান, আমার ছেলেকে হত্যা করার জন্য পেট্রোল দিয়ে দোকানে আগুন ধরে দিয়েছে মিমের সাবেক স্বামী বখাটে হাছিব। খবর পেয়ে সকালেই ঘটনা স্হলে এসেছিলেন ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সেরাজুল হক। তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি কে দোকান ঘর আগুন দিয়ে পুড়ে দিয়েছে তাকে সনাক্ত করে আইনানুগ ব্যাবস্হা গ্রহন করা হবে।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চান্চ্যলতা সৃষ্টি করেছে, কপাল পোড়ার দৃঘর্টনার কারনে বিয়ের দিনক্ষন পরিবর্তন করে ২ দিন পিছানো হয়েছে বলে বরের অভিভাবক জানিয়েছেন।
আমিনুল ইসলাম, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 


















