বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমার ভোট গেল কই!

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে ইউপি নির্বাচনে একটি ভোটও পাননি কুসুম্বা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ও বর্তমান ৯নং ওয়ার্ড সদস্য প্রার্থী তালা প্রতীকের রবিউল ইসলাম রানা। তার ফলাফল পত্রে ভোটের সংখ্যা শূন্য।

শূন্য ভোট পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে এলাকায়। প্রার্থী নিজেই লজ্জায় ক্ষোভে শঙ্কিত। তিঁনি নিজের ভোটটি খুঁজে পেতে নির্বাচন অফিসের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।

৭ম দফায় ৭ ফেব্রæয়ারী পাঁচবিবি উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ওই ইউনিনের ৯নং ওয়ার্ডে সদস্য পদে তালা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন কুসুম্বা ইউনিয়নের বর্তমান ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম রানা। প্রতীক পাওয়ার পর বিজয়ী হতে অন্যান্য প্রার্থীর মত কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে প্রচারণা চালান তিনি।

নির্বাচনে সবার মতো দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলে প্রতীক ও প্রার্থীর প্রচারণা। পোস্টার লাগানো হয় ওয়ার্ডের সর্বত্রই। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা করেন তিনি। ভোটের দিন কেন্দ্রে নিজের তালা প্রতীকে এজেন্টও ছিল।

অথচ সোমবার দিনশেষে গণনা করে দেখা যায়, তিঁনি একটি ভোটও পাননি। ফলাফল শীটে দেখা যায়,

রবিউল ইসলাম রানা তালা প্রতীকে কোনো ভোট না পেলেও তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ভ‚পেন চন্দ্র মন্ডল টিউবওয়েল প্রতীকে পেয়েছেন ৮৯৩, আজিজুল হক েৈমাড়গ প্রতীকে পেয়েছেন ৬৮২ ভোট, ও ময়নুল ইসলাম আপেল প্রতীকে পেয়েছেন ৭৩৫ ভোট।

রবিউল ইসলাম রানা বলেন, তিঁনি, তার স্ত্রী, পরিবারের অন্যান্য সদস্য, আত্মীয়স্বজন, তার শুভাকাঙ্ক্ষী, কর্মী-সমর্থক ও এজেন্ট কেউই কী তাকে ভোট দেয়নি। প্রশ্ন ঔ প্রার্থীর। কেউ যদি ভোট নাই দেয় তাহলে নিজের ভোটটি গেল কোথায়।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাচন অফিসার শহিদুল ইসলাম জাগো২৪.নেট-কে বলেন, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং অফিসার বলতে পারবেন। তবে তিঁনি চাইলে আদালতের আশ্রয় নিতে পারেন।

আমার ভোট গেল কই!

প্রকাশের সময়: ০১:৩৩:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২২

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে ইউপি নির্বাচনে একটি ভোটও পাননি কুসুম্বা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ও বর্তমান ৯নং ওয়ার্ড সদস্য প্রার্থী তালা প্রতীকের রবিউল ইসলাম রানা। তার ফলাফল পত্রে ভোটের সংখ্যা শূন্য।

শূন্য ভোট পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে এলাকায়। প্রার্থী নিজেই লজ্জায় ক্ষোভে শঙ্কিত। তিঁনি নিজের ভোটটি খুঁজে পেতে নির্বাচন অফিসের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।

৭ম দফায় ৭ ফেব্রæয়ারী পাঁচবিবি উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ওই ইউনিনের ৯নং ওয়ার্ডে সদস্য পদে তালা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন কুসুম্বা ইউনিয়নের বর্তমান ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম রানা। প্রতীক পাওয়ার পর বিজয়ী হতে অন্যান্য প্রার্থীর মত কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে প্রচারণা চালান তিনি।

নির্বাচনে সবার মতো দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলে প্রতীক ও প্রার্থীর প্রচারণা। পোস্টার লাগানো হয় ওয়ার্ডের সর্বত্রই। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা করেন তিনি। ভোটের দিন কেন্দ্রে নিজের তালা প্রতীকে এজেন্টও ছিল।

অথচ সোমবার দিনশেষে গণনা করে দেখা যায়, তিঁনি একটি ভোটও পাননি। ফলাফল শীটে দেখা যায়,

রবিউল ইসলাম রানা তালা প্রতীকে কোনো ভোট না পেলেও তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ভ‚পেন চন্দ্র মন্ডল টিউবওয়েল প্রতীকে পেয়েছেন ৮৯৩, আজিজুল হক েৈমাড়গ প্রতীকে পেয়েছেন ৬৮২ ভোট, ও ময়নুল ইসলাম আপেল প্রতীকে পেয়েছেন ৭৩৫ ভোট।

রবিউল ইসলাম রানা বলেন, তিঁনি, তার স্ত্রী, পরিবারের অন্যান্য সদস্য, আত্মীয়স্বজন, তার শুভাকাঙ্ক্ষী, কর্মী-সমর্থক ও এজেন্ট কেউই কী তাকে ভোট দেয়নি। প্রশ্ন ঔ প্রার্থীর। কেউ যদি ভোট নাই দেয় তাহলে নিজের ভোটটি গেল কোথায়।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাচন অফিসার শহিদুল ইসলাম জাগো২৪.নেট-কে বলেন, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং অফিসার বলতে পারবেন। তবে তিঁনি চাইলে আদালতের আশ্রয় নিতে পারেন।