অসময় আবারো যমুনার ভাঙন শুরু হয়েছে সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে। গত এক সপ্তাহে নতুন করে বিলিন হয়ছে ৫ টি বসতভিটা ও ফসলি জমি। হুমকির মুখে ১৫ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান । তাই ভাঙন বিধ্বস্ত উপজেলার বাকি অংশটুকু রক্ষার জোর দাবি জানিয়েছে সেখানের এলাকাবাসী।
সিরাজগঞ্জ জেলার মানচিত্রে চৌহালীর স্থান থাকলেও দুর্গম যাতায়াত ব্যবস্থা আর দফায় দফায় নদী ভাঙনের জন্য জেলা সদর থেকে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন।
প্রতি বছরের মত গত বন্যায় উপজেলার দক্ষিণ অঞ্চলের খাসপুখুরিয়া থেকে বাঘুটিয়া ইউনিয়নের তিন কিলোমিটার অঞ্চলে প্রায় ৪০০টি বসতবাড়ি ও একটি কমিউনিটি ক্লিনিকসহ বিস্তীর্ণ ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।
ভাঙন রোধে সেখানে মানববন্ধনসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে জানানো হলেও মিলছে না স্থায়ী কোনো প্রতিকার, তাই স্থানীয়দের জোর দাবি ভাঙন রোধে চাই স্থায়ী বাঁধ। এছাড়াও স্থানীয়রা বলেন অসময় যেভাবে নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে আগামী বন্যার আগে কাজ না হলে চৌহালী উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের বাকি অংশ সম্পূর্ণরূপে নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সিরাজুল ইসলাম জাগো২৪.নেট-কে জানান, গত বন্যার সময় নদী ভাঙন রোধে জরুরী ভিত্তিতে উপজেলার কয়েটি এলাকায় জিওব্যাগ ডাম্পিং এর কাজ করা হয়ছে, এই মুহূর্তে ভাঙ্গনরোধে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা সম্ভব না তবুও আমি ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শনে লোক পাঠাবো।

সেলিম রেজা, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, সিরাজগঞ্জ 












