বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নদীর পেটে বিলীনের শঙ্কায় ধাপেরহাট নায়েবীয়া মসজিদ

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট নায়েবীয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। দীর্ঘদিন আগে স্থাপিত এই মসজিদটি নদীর পেটে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সম্প্রতি অব্যাহত নদী ভাঙন ঠেকেছে মসজিদের দেয়ালে। ইতোমধ্যে একটি পিলার হেলে ফাটল দেখা দিয়েছে। এমতাবস্থায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নামাজ আদায় করছে শত শত মুসল্লি।

জানা যায়, সাদুল্লাপুর উপজেলার রংপুর- বগুড়া মহাসড়কের ধাপের হাট বাসষ্ট্যান্ড সংলগ্ন আখিরা নদীর তীরে নায়েবুল্যা দরবেশ ওয়াকফ এষ্টেটে অবস্থিত এই পুরাতন মসজিদটি। ১৯৪০ সনে প্রতিষ্ঠিত মসজিদটিতে প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত ও জুমার দিন জুমার নামাজে দ্বিতল ভবনের মসজিদটি কানায় কানায় লোক ভর্তি হয়। নদীর ভাঙনে ধসে পড়ার আশঙ্কায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নামাজ পড়া হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, গত বছর আখিরা নদী খনন কালে মসজিদের পিছনের গোড়ায় মাটি ভরাট না করায় মসজিদের সেই অংশে নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। একটি শিমুল গাছ কোন রকমে আটকিয়ে রেখেছে ভাঙন। আসন্ন বর্ষাকালে নদীর স্রোত বাড়লেই কালের স্বাক্ষী ঐ শিমুল গাছটিসহ মসজিদের পিছনের অংশ নদী গ্রাস করে ফেলবে এমনটাই আশংকা মসজিদের মুসুল্লিরা।

ওয়াকফ এষ্টেটের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর মান্নান জমির জাগো২৪.নেট-কে বলেন, নদী খননের কারনে আমদের মসজিদটি ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। নদী ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা করা না হলে নদী গর্ভে বিলীন হতে পারে মসজিদটি।

নদীর পেটে বিলীনের শঙ্কায় ধাপেরহাট নায়েবীয়া মসজিদ

প্রকাশের সময়: ০৮:৪১:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ মার্চ ২০২২

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট নায়েবীয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। দীর্ঘদিন আগে স্থাপিত এই মসজিদটি নদীর পেটে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সম্প্রতি অব্যাহত নদী ভাঙন ঠেকেছে মসজিদের দেয়ালে। ইতোমধ্যে একটি পিলার হেলে ফাটল দেখা দিয়েছে। এমতাবস্থায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নামাজ আদায় করছে শত শত মুসল্লি।

জানা যায়, সাদুল্লাপুর উপজেলার রংপুর- বগুড়া মহাসড়কের ধাপের হাট বাসষ্ট্যান্ড সংলগ্ন আখিরা নদীর তীরে নায়েবুল্যা দরবেশ ওয়াকফ এষ্টেটে অবস্থিত এই পুরাতন মসজিদটি। ১৯৪০ সনে প্রতিষ্ঠিত মসজিদটিতে প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত ও জুমার দিন জুমার নামাজে দ্বিতল ভবনের মসজিদটি কানায় কানায় লোক ভর্তি হয়। নদীর ভাঙনে ধসে পড়ার আশঙ্কায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নামাজ পড়া হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, গত বছর আখিরা নদী খনন কালে মসজিদের পিছনের গোড়ায় মাটি ভরাট না করায় মসজিদের সেই অংশে নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। একটি শিমুল গাছ কোন রকমে আটকিয়ে রেখেছে ভাঙন। আসন্ন বর্ষাকালে নদীর স্রোত বাড়লেই কালের স্বাক্ষী ঐ শিমুল গাছটিসহ মসজিদের পিছনের অংশ নদী গ্রাস করে ফেলবে এমনটাই আশংকা মসজিদের মুসুল্লিরা।

ওয়াকফ এষ্টেটের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর মান্নান জমির জাগো২৪.নেট-কে বলেন, নদী খননের কারনে আমদের মসজিদটি ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। নদী ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা করা না হলে নদী গর্ভে বিলীন হতে পারে মসজিদটি।