বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঈদকে সামনে রেখে অজ্ঞান পাটি তৎপর, প্রতিরোধে কাজ করছে পুলিশ

ঈদ সামনে রেখে অজ্ঞান পার্টি তৎপর হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন এলাকায় এরা কোন না কোন অপরাধ সংঘটিত করছে। অজ্ঞান পার্টি প্রতিরোধে মাঠে নেমেছে ধাপেরহাট তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ দল।

সাদুল্লাপুর ও পীরগঞ্জ এলাকায় অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটিয়ে সাধারণ মানুষের সর্বস্য লুটিয়ে নিয়েছে। গত রবিবার সাদুল্লাপুর এলাকার তিলকপাড়া গ্রামের গরু ব্যবসায়ী হাসান আলী কে অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা খাবারের সাথে চেতনা নাশক মেডিসিন মিশিয়ে সর্বস্ব লুটে নেয় এবং রংপুর জেলার মিঠাপুকুর এলাকায় ফেলে রেখে যায়।

স্বজনরা খোজ পেয়ে তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করায়। ক’দিন আগেই ঢাকা থেকে বাড়ী ফেরার পথে, নুরুল ইসলাম নামের এক ব্যাক্তিকে অজ্ঞান করে পীরগঞ্জের ৩২ মাইল নামক স্থানে ফেলে রাখে। কিছুদিন আগে সাদুল্লাপুরের ধাপেরহাট সাদীপাড়া গ্রামের সাদা মিয়ার বাড়ীতে অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা অভিনব কায়দায় খাবারে মেডিসিন মিশিয়ে বাড়ীর সকলকে অজ্ঞান করে ২ভরি স্বর্ণলংকারসহ আনুমানিক ৩লাখ টাকার মালামাল হাতিয়ে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সেরাজুল হক, এসআই জিয়াউর হক সিয়া সঙ্গীয় র্ফোসহ অভিজান চালিয়ে ১ জনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোর্পদ করে। গ্রেফতারকৃত আসামী বিজ্ঞ আদালতে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জবানবন্দী প্রদান করেন। বোয়ালীদহ গ্রামের এক কথিত মুন্সি জড়িত আছে বলেও জানা যায়।

বর্তমানে ওই মুন্সি এলাকাছেড়ে গাঢাকা দিয়ে আছে। তাকেও খুজছে পুলিশ। ঐ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশদল অজ্ঞান পার্টির সদস্যদের গ্রেফতারে আরও তৎপর হয়ে উঠেছে। সোমবার বিকালে গ্রেফতার হয় ধাপেরহাট বোয়ালীদহ গ্রামের খুসি মিয়ার ছেলে রিপন মিয়া (২৫)।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রিপন মিয়া পুলিশের কাছে অকপটে সব ঘটনা স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছেন এবং লুটে নেয়া স্বর্ণলংকার রংপুরের পীরগঞ্জের গুর্জিপাড়া এলাকার এক স্বর্ণের দোকান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সেরাজুল হক জাগো২৪.নেট-কে জানায়, ঈদকে সামনে রেখে অত্র এলাকার এই চক্রের সকল সদস্যকে গ্রেফতার করার জন্য আমরা মাঠে কাজ করছি।

ঈদকে সামনে রেখে অজ্ঞান পাটি তৎপর, প্রতিরোধে কাজ করছে পুলিশ

প্রকাশের সময়: ০৭:০৩:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২

ঈদ সামনে রেখে অজ্ঞান পার্টি তৎপর হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন এলাকায় এরা কোন না কোন অপরাধ সংঘটিত করছে। অজ্ঞান পার্টি প্রতিরোধে মাঠে নেমেছে ধাপেরহাট তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ দল।

সাদুল্লাপুর ও পীরগঞ্জ এলাকায় অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটিয়ে সাধারণ মানুষের সর্বস্য লুটিয়ে নিয়েছে। গত রবিবার সাদুল্লাপুর এলাকার তিলকপাড়া গ্রামের গরু ব্যবসায়ী হাসান আলী কে অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা খাবারের সাথে চেতনা নাশক মেডিসিন মিশিয়ে সর্বস্ব লুটে নেয় এবং রংপুর জেলার মিঠাপুকুর এলাকায় ফেলে রেখে যায়।

স্বজনরা খোজ পেয়ে তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করায়। ক’দিন আগেই ঢাকা থেকে বাড়ী ফেরার পথে, নুরুল ইসলাম নামের এক ব্যাক্তিকে অজ্ঞান করে পীরগঞ্জের ৩২ মাইল নামক স্থানে ফেলে রাখে। কিছুদিন আগে সাদুল্লাপুরের ধাপেরহাট সাদীপাড়া গ্রামের সাদা মিয়ার বাড়ীতে অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা অভিনব কায়দায় খাবারে মেডিসিন মিশিয়ে বাড়ীর সকলকে অজ্ঞান করে ২ভরি স্বর্ণলংকারসহ আনুমানিক ৩লাখ টাকার মালামাল হাতিয়ে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সেরাজুল হক, এসআই জিয়াউর হক সিয়া সঙ্গীয় র্ফোসহ অভিজান চালিয়ে ১ জনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোর্পদ করে। গ্রেফতারকৃত আসামী বিজ্ঞ আদালতে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জবানবন্দী প্রদান করেন। বোয়ালীদহ গ্রামের এক কথিত মুন্সি জড়িত আছে বলেও জানা যায়।

বর্তমানে ওই মুন্সি এলাকাছেড়ে গাঢাকা দিয়ে আছে। তাকেও খুজছে পুলিশ। ঐ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশদল অজ্ঞান পার্টির সদস্যদের গ্রেফতারে আরও তৎপর হয়ে উঠেছে। সোমবার বিকালে গ্রেফতার হয় ধাপেরহাট বোয়ালীদহ গ্রামের খুসি মিয়ার ছেলে রিপন মিয়া (২৫)।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রিপন মিয়া পুলিশের কাছে অকপটে সব ঘটনা স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছেন এবং লুটে নেয়া স্বর্ণলংকার রংপুরের পীরগঞ্জের গুর্জিপাড়া এলাকার এক স্বর্ণের দোকান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সেরাজুল হক জাগো২৪.নেট-কে জানায়, ঈদকে সামনে রেখে অত্র এলাকার এই চক্রের সকল সদস্যকে গ্রেফতার করার জন্য আমরা মাঠে কাজ করছি।