বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজুর দাম ১৫ লাখ টাকা

খামার মালিক আনোয়ার হোসেন। প্রজনন থেকে পেয়েছেন এঁড়ে বাছুর। নিজের সন্তানের মতো অতি আদর-যত্নে পালন করে বড় হয়েছে বাছুরটি। এর নাম রাখা হয় ‘রাজু’। এই রাজুর ওজন এখন ২০ মণ। আসছে ঈদে বিক্রি করবেন। তার দাম হাঁকানো হচ্ছে ১২ লাখ টাকা। তবে ১৫ লাখ টাকায় ছাড়বেন রাজুকে।

শুক্রবার (১ জুলাই) দুপুরে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার জগরজার্নি গ্রামে গিয়ে দেখা যায় বিশালকাকৃতির রাজু নামের গরুটি। এটি দেখার জন্য আনোয়ারের বাড়ির ভেতর-বাইরে ভির করছিলেন নারী-পুরুষ।

ষাড় দেখতে আসা নজুরুল ইসলাম ও রহিমা বেগম বলেন, এবারের ঈদ উপজেলায় এটিই সবচেয়ে বড় ষাড়। বিশাল এ ষাড়টিকে একনজর দেখার জন্য আমরা এসেছি।

খামারী আনোয়ার হোসেন জাগো২৪.নেট জানান, আড়াই বছর আগে তার খামারে জন্ম নেয় একটি ভালো জাতের এঁড়ে বাছুর। আদর করে নাম রাখেন রাজু। সময়েরর ব্যবধানে আজ সেই বাছুরটি বিশালাকৃতির ষাড়ে পরিণত হয়েছে। আসছে কোরবানি ঈদে রাজুকে ১৫ লাখ টাকায় বিক্রি করতে চান তিনি।

তিনি আরও বলেন, নিজের সন্তানের মত করে রাজুকে বড় করেছি। ষাড়টিকে কখনো তিনি ফিড বা রাসায়নিক ক্ষতিকর কোন খাদ্য খাওয়ানো হয়নি। ছোট থেকে স্বাস্থ্য সম্মত-দেশি খাবার যেমন খৈল, ভুষি ও কাঁচা ঘাস খাইয়ে বড় করা হয়। বর্তমানে ষাড়টির উচ্চতা ছয় ফিটের বেশী। ওজন প্রায় ২০ মণ।

পলাশবাড়ী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আলতাব হোসেন জাগো২৪.নেট-কে জানান, আনোয়ার হোসেন একজন আদর্শ খামারী। তাকে লাভবান করতে সর্বাত্নকভাবে সহযোগিতা করা হচ্ছে।

রাজুর দাম ১৫ লাখ টাকা

প্রকাশের সময়: ০৩:৫৫:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ জুলাই ২০২২

খামার মালিক আনোয়ার হোসেন। প্রজনন থেকে পেয়েছেন এঁড়ে বাছুর। নিজের সন্তানের মতো অতি আদর-যত্নে পালন করে বড় হয়েছে বাছুরটি। এর নাম রাখা হয় ‘রাজু’। এই রাজুর ওজন এখন ২০ মণ। আসছে ঈদে বিক্রি করবেন। তার দাম হাঁকানো হচ্ছে ১২ লাখ টাকা। তবে ১৫ লাখ টাকায় ছাড়বেন রাজুকে।

শুক্রবার (১ জুলাই) দুপুরে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার জগরজার্নি গ্রামে গিয়ে দেখা যায় বিশালকাকৃতির রাজু নামের গরুটি। এটি দেখার জন্য আনোয়ারের বাড়ির ভেতর-বাইরে ভির করছিলেন নারী-পুরুষ।

ষাড় দেখতে আসা নজুরুল ইসলাম ও রহিমা বেগম বলেন, এবারের ঈদ উপজেলায় এটিই সবচেয়ে বড় ষাড়। বিশাল এ ষাড়টিকে একনজর দেখার জন্য আমরা এসেছি।

খামারী আনোয়ার হোসেন জাগো২৪.নেট জানান, আড়াই বছর আগে তার খামারে জন্ম নেয় একটি ভালো জাতের এঁড়ে বাছুর। আদর করে নাম রাখেন রাজু। সময়েরর ব্যবধানে আজ সেই বাছুরটি বিশালাকৃতির ষাড়ে পরিণত হয়েছে। আসছে কোরবানি ঈদে রাজুকে ১৫ লাখ টাকায় বিক্রি করতে চান তিনি।

তিনি আরও বলেন, নিজের সন্তানের মত করে রাজুকে বড় করেছি। ষাড়টিকে কখনো তিনি ফিড বা রাসায়নিক ক্ষতিকর কোন খাদ্য খাওয়ানো হয়নি। ছোট থেকে স্বাস্থ্য সম্মত-দেশি খাবার যেমন খৈল, ভুষি ও কাঁচা ঘাস খাইয়ে বড় করা হয়। বর্তমানে ষাড়টির উচ্চতা ছয় ফিটের বেশী। ওজন প্রায় ২০ মণ।

পলাশবাড়ী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আলতাব হোসেন জাগো২৪.নেট-কে জানান, আনোয়ার হোসেন একজন আদর্শ খামারী। তাকে লাভবান করতে সর্বাত্নকভাবে সহযোগিতা করা হচ্ছে।