বেশ কিছু রোগি। ভর্তি হয়েছেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। নাক চিপে শুয়ে আছেন বিছানায়। কেউ কেউ বমিও করছেন। যেনো সুস্থ হতে এসে আরও অসুস্থতায় ভুগছেন। কারন একটাই। সেটি হচ্ছে- এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন কম। চারদিকে ময়লার ডাগার। একটু বাতাসে দুর্গন্ধে পেটের নাড়িভুড়ি উল্টে আসে। এমনি অভিযোগ রোগিদের।
শুক্রবার (১ জুলাই) গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির সম্মুখভাগের সীমানা প্রাচীর ঘেরা জায়গাতেই আবর্জনার স্তুপ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা যেখানে সুস্থতার প্রথম শর্ত, সেই সুস্থ হওয়ার প্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ময়লা-আবর্জনা। এমন পরিস্থিতি কমপ্লেক্সের ভেতর ও বাহিরেও। চার পাশেই ময়লার আবর্জনায় ভরপুর। এখানকার ব্যবহৃত ইঞ্জেকশনের এ্যাম্পুল, গজ, তুলাসহ অন্যান্য বর্জ্য পদার্থ পড়ে রয়েছে।
এছাড়া বারান্দায় ময়লা ফেলে রাখতে দেখা গেছে। ওষুধের বিভিন্ন ধরনের পরিত্যক্ত মোড়ক, পলিথিন, তুলা, টিস্যুসহ যতো প্রকারের উচ্ছিষ্ট রয়েছে সবই এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভেতরে ও বাহিরে পড়ে থাকতে দেখা যায়। অবাক করা বিষয় হলো, এ ময়লা আবর্জনাকে দূর করার কোনো উদ্যোগই নেই কর্তৃপক্ষের।

দায়িত্বরত কিংবা দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা ময়লার পাশ দিয়েই প্রতিদিন অফিসে আসা-যাওয়া করেন। এর চারদিকে দিনের পর দিন অবস্থান করছেন। বিগত বছরগুলোতে যে চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে নানা প্রকার ফুলেল শোভায় পরিপূর্ণ থাকতো আজ সেখানে এরকম আবর্জনার বিচিত্র শোভা! মৃদু দুর্গন্ধময় করুণ এ অবস্থা! রোগীদের মতে কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা আর অবহেলার জ্বলন্ত প্রমাণ এটি।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে এক রোগী ও তার স্বজন বলেন, বেশ-কয়েকদিন ধরেই এ আবর্জনাগুলো দেখছি এখানে। স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্বপূর্ণ এ প্রতিষ্ঠানটি এখন আবর্জনায় ভরা। যার কারনে দুর্গন্ধে থাকা মুসকিল হয়ে দাঁড়িয়ে।
এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহের যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
বিপুল ও এনামুল, সুন্দরগঞ্জ থেকে 

















