বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজার দাম ১২ লাখ টাকা

লাভের আশায় অন্তত সাড়ে ৪ বছর ধরে মো. গোলাম মোস্তফা মন্ডল ও তার পরিবার নিজ সন্তানের মতো করে লালন পালন করে আসছেন বিশাল আকৃতির ফ্রিজিয়ান জাতের একটি ষাঁড়। ষাঁড়টির নাম রেখেছেন ‘দিনাজপুরের রাজা’। সাড়ে ৪ বছরে শরীরের ওজন হয়েছে অন্তত ১২০০ কেজি। কোরবানীর ঈদ উপলক্ষে দিনাজপুরের ফুলবাড়ি উপজেলার অন্যতম আকর্ষণ ‘রাজা’ নামে ফ্রিজিয়ান জাতের একটি ষাঁড়ের দাম হাঁকা হয়েছে ১২ লাখ টাকা। এই বিশাল ষাঁড়টির গায়ের রঙ সাদাকালো মিশ্রিত।

উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের মধ্যমপাড়া গ্রামের মো. আজগর আলীর ছেলে উপজেলার সিদ্দিসি উচ্চ বিদ্যালয়ের গণিতের শিক্ষক মো. গোলাম মোস্তফা মন্ডল। তিনি শিক্ষকতার পাশাপাশি গরুর খামারও করেছেন। ঈদুল আজহায় সাড়ে ৪ বছর বয়সী রাজা নামের বিশালাকৃতির ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড়টি বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মালিক গোলাম মোস্তফা মন্ডল। তিনি জানান, দুজন লোক রাজাকে দেখাশোনা করেন। প্রতিনিয়ত তার খাবার তালিকায় থাকে অন্তত ৫ কেজি ভেজানো ছোলা, গমের ভুসি, মিষ্টি কুমড়া এবং সবুজ কাঁচা ঘাস। মোটাতাজা করার জন্য খাওয়ানো হয়নি কোন ওষুধ। পুরোপুরি দেশিয় পদ্ধতিতে বড় করা হয়েছে ষাঁড়টিকে। ফ্রিজিয়ান জাতের এই ষাঁড় একদম গরম সহ্য করতে পারে না । তাই বিদ্যুৎ না থাকলেও গরুটির জন্য বিদ্যুতের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাজাকে প্রতিদিন তিনবার করে গোসল করাতে হয়। গোসলের পর আবার শুকনা কাপড় দিয়ে শরীরের পানি মুছে ফেলতে হয় যাতে ঠান্ডা না লেগে যায়।

গোলাম মোস্তফা বলেন, মাত্র সাড়ে ৪ বছরে আমি গরুটিকে কোরবানির জন্য উপযুক্ত করে তুলেছি। গরুর দাম যদিও ১২ লাখ টাকা নির্ধারণ করেছি। তবে আলোচনা সাপেক্ষে কিছুটা কমবেশি হলে ‘রাজা’ নামের বিশালাকৃতির ষাঁড়টিকে বিক্রি করে দেব। বিশাল দেহের গরু হওয়ায় কোথাও নিয়ে যাওয়া কষ্টকর। রাজার মালিক শিক্ষক মো. গোলাম মোস্তফা মন্ডলের সাথে মোবাইলে সরাসরি ০১৭২২৩৫৭৪৯৩ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন।

 

রাজার দাম ১২ লাখ টাকা

প্রকাশের সময়: ০৭:১২:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ জুলাই ২০২২

লাভের আশায় অন্তত সাড়ে ৪ বছর ধরে মো. গোলাম মোস্তফা মন্ডল ও তার পরিবার নিজ সন্তানের মতো করে লালন পালন করে আসছেন বিশাল আকৃতির ফ্রিজিয়ান জাতের একটি ষাঁড়। ষাঁড়টির নাম রেখেছেন ‘দিনাজপুরের রাজা’। সাড়ে ৪ বছরে শরীরের ওজন হয়েছে অন্তত ১২০০ কেজি। কোরবানীর ঈদ উপলক্ষে দিনাজপুরের ফুলবাড়ি উপজেলার অন্যতম আকর্ষণ ‘রাজা’ নামে ফ্রিজিয়ান জাতের একটি ষাঁড়ের দাম হাঁকা হয়েছে ১২ লাখ টাকা। এই বিশাল ষাঁড়টির গায়ের রঙ সাদাকালো মিশ্রিত।

উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের মধ্যমপাড়া গ্রামের মো. আজগর আলীর ছেলে উপজেলার সিদ্দিসি উচ্চ বিদ্যালয়ের গণিতের শিক্ষক মো. গোলাম মোস্তফা মন্ডল। তিনি শিক্ষকতার পাশাপাশি গরুর খামারও করেছেন। ঈদুল আজহায় সাড়ে ৪ বছর বয়সী রাজা নামের বিশালাকৃতির ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড়টি বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মালিক গোলাম মোস্তফা মন্ডল। তিনি জানান, দুজন লোক রাজাকে দেখাশোনা করেন। প্রতিনিয়ত তার খাবার তালিকায় থাকে অন্তত ৫ কেজি ভেজানো ছোলা, গমের ভুসি, মিষ্টি কুমড়া এবং সবুজ কাঁচা ঘাস। মোটাতাজা করার জন্য খাওয়ানো হয়নি কোন ওষুধ। পুরোপুরি দেশিয় পদ্ধতিতে বড় করা হয়েছে ষাঁড়টিকে। ফ্রিজিয়ান জাতের এই ষাঁড় একদম গরম সহ্য করতে পারে না । তাই বিদ্যুৎ না থাকলেও গরুটির জন্য বিদ্যুতের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাজাকে প্রতিদিন তিনবার করে গোসল করাতে হয়। গোসলের পর আবার শুকনা কাপড় দিয়ে শরীরের পানি মুছে ফেলতে হয় যাতে ঠান্ডা না লেগে যায়।

গোলাম মোস্তফা বলেন, মাত্র সাড়ে ৪ বছরে আমি গরুটিকে কোরবানির জন্য উপযুক্ত করে তুলেছি। গরুর দাম যদিও ১২ লাখ টাকা নির্ধারণ করেছি। তবে আলোচনা সাপেক্ষে কিছুটা কমবেশি হলে ‘রাজা’ নামের বিশালাকৃতির ষাঁড়টিকে বিক্রি করে দেব। বিশাল দেহের গরু হওয়ায় কোথাও নিয়ে যাওয়া কষ্টকর। রাজার মালিক শিক্ষক মো. গোলাম মোস্তফা মন্ডলের সাথে মোবাইলে সরাসরি ০১৭২২৩৫৭৪৯৩ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন।