ঝিনাইদহ সময় শেষ হলে ও কাজ শেষ হয়নি ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার রাজাপুর, সাফদারপুর সড়কের । সড়কটি দীর্ঘদিন খুড়ে ফেলে রাখায় বেকায়দায় পড়েছেন স্কুল পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী ও এলাকাবাসী।
বালু না পাওয়া,নির্মাণ সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধিতে সড়কটির কাজ বন্ধ রয়েছে বলে জানালেন উপজেলা প্রকৌশলী রুহুল ইসলাম। সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, যশোর অঞ্চলের গ্রাম উন্নয়ন অবকাটামো প্রকল্পের আওতায় কোটচাঁদপুরে পৌনে ৪ কিলোমিটার সড়কের কাজ এটি। কাজটি পান কুষ্টিয়ার সৈকত এন্টারপ্রাইজ নামের এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। তবে কাজটি করছেন কোটচাঁদপুরের ঠিকাদার সাইফুল ইসলাম (খোকন)। ২ কোটি ৫ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। ব্যায়ে সড়কটির কাজ হচ্ছে।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গেল ২০২১ সালের মে মাসে ওই সড়কের কাজের ওয়ার্ক অডার পান। এরপর সড়কে কাজ শুরু করেন ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কাজটি ২০২২ সালের মে মাসে শেষ করার কথা থাকলেও তা শেষ করতে পারেনি প্রতিষ্টানটি। তবে এর আগে ওই কাজের মেয়াদ আরো ৮ মাস বর্ধিত করে নিয়ে এসেছেন দাবি ঠিকাদারের। এ ব্যাপারে রাজাপুর গ্রামের আমিরুল ইসলাম জানান, রাস্তাটি খুড়ে রাখায় চরম বিপাকে এলাকার মানুষ। বৃষ্টি হলেই পানি জমে যাচ্ছে সড়কটিতে। এ সময় এলাকার মানুষ কাদা মাটি মেখে বাড়িতে ফিরতে হচ্ছে। এ ছাড়া স্কুল গামী ছেলে মেয়েদের দূর্ভোগের সীমা নাই।
বিষয়টি নিয়ে সাফদারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান বলেন, ‘রাস্তাটি দীর্ঘদিন খুঁড়ে রেখেছেন ঠিকাদার। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্কুল পড়ুয়া ছাত্র -ছাত্রী ও এলাকাবাসী। বিষয়টি নিয়ে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাইনি। ঠিকাদার সাইফুল ইসলাম খোকন জানান,কাজটি চলমান রয়েছে। আজও কাজ চলছে। বালু মাটির সংকটের কারনে কাজটি সাময়িক বন্ধ ছিল। কাজের সময় সীমা নিয়ে জানতে চাইলে, তিনি বলেন,কাজের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই, আমি পিডিকে দিয়ে কাজের মেয়াদ বাড়িয়ে এনেছি। আগামী ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারী মাস পর্যন্ত কাজটি শেষ করার সময় রয়েছে।
উপজেলা প্রকৌশলী বলেন,গেল ২০২১ সালের মে মাসে কাজের ওয়ার্ক অডার দেয়া হয়। কাজটি শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২২ সালের মে জুন মাসে দিকে। তবে সিডিউল টাইমে কাজটি শেষ হয়নি। তবে তারা কাজের সময় সীমা বৃদ্ধি করেছেন শুনেছি। তবে অফিসিয়ালি কোন চিঠি এখনও হাতে পায়নি। আরো বলেন, কাজটি শেষ না হওয়ায় এলাকার মানুষের দূর্ভোগ হচ্ছে,বুঝতে পারছি। বিষয়টি নিয়ে আমি ঠিকাদারের সঙ্গে কথা বলেছি। কাজটি শেষ করার জন্য। তারা আমাকে বালু মাটির সংকট থাকায় করতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন। তবে দ্রুতই ঠিকাদার কাজটি শেষ করবেন বলে তিনি জানিয়েছেন।
বাশার খোন্দকার, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, ঝিনাইদহ 



















