বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে বিশ্রামগার ও পাবলিক টয়লেট না থাকায় ভোগান্তি

সবচেয়ে জনগুরুত্বপূর্ণ স্থান হচ্ছে উপজেলা পরিষদ। সরকারের প্রত্যেক কার্যদিবসে জনসাধারণ ছুটে আসেন বিভিন্ন কাজের তাগিদে। অনেক সময় দাপ্তরিক কর্মকর্তার জন্য অপেক্ষার প্রহর গুনতে হয়। এসময় কোন সেবাগ্রহীতার  বিশ্রাম কিংবা  টয়লেটের প্রয়োজন হলে বিপাকে পড়তে হয় তাদের।

সম্প্রতি এমনি এক চিত্র দেখা গেছে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর নামের উপজেলা পরিষদে। এই পরিষদে নেই কোন বিশ্রামগার ও পাবলিক টয়লেটের ব্যবস্থা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে দূর-দূরান্ত থেকে সেবা নিতে আসা নারী-পুরুষদের।

স্থানীয়রা জানান, শুধু সাদুল্লাপুর উপজেলা পরিষদই নয়, এ উপজেলাধীন বেশ কিছু জনগুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থান রয়েছে। সেখানে পাবলিক টয়লেট খুবই জরুরি। এর মধ্যে উপজেলার প্রানকেন্দ্র উপজেলা ক্যাম্পাস, হাসপাতাল ক্যাম্পাসসহ আরও একাধিক স্থানে লোক সমাগম অনেক বেশি। দূর-দুরান্ত থেকে আসা হাজারো মানুষ প্রকৃতির ডাকে সারা দিতে বেছে নেয় রাস্তার পাশে লোকচক্ষুর আড়ালের জায়গা। বিদ্যমান পরিস্থিতে ওই উপজেলা পরিষদ ক্যাম্পাসে কোন বিশ্রামগার ও পাবলিক টয়লেট না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে সেবাগ্রহীতাদের।

এদিকে, সাদুল্লাপুর শহরের বাজারে টয়লেট থাকলেও সেটি অনেকটাই ব্যবহার অনুপযোগি। এ বাজারে পাবলিক টয়লেট না থাকায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছে অনেকেই। এখানকার প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কর্মকাণ্ড নিয়েও প্রশ্নও তুলেছেন তারা।

রহিমা বেগম নামের এক নারী জাগো২৪.নেট-কে বলেন, প্রয়োজনীয় কাজের তাগিদে মাঝে মধ্যে এই পরিষদসহ বিভিন্ন দপ্তরে আসতে হয়।  এখানে ক্ষণিকের জন্য বিশ্রাম নেওয়ার কোন বসার স্থান নেই। পুরুষরা হোটেল-রেস্তোরায় বসে সময় পার করলেও নারীদের ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয়।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে  আরেক নারী বলেন, টয়লেটের জন্য পুরুষ মানুষ তো কোনো না কোনোভাবে সারতে পারে কিন্তু মহিলা ও বাচ্চাদের সমস্যা পোহাতে হয়। পাবলিক টয়লেট না থাকায় নারীদের ভোগান্তিই বেশি।

সাদুল্লাপুর হাট-বাজারে আসা নেছার উদ্দিন ব্যাপারী জাগো২৪.নেট-কে বলেন, অনেক দুর থেকে এসে বাজার করার পর টয়লেটের সমস্যায় পড়লে কোন উপায় না পেয়ে মসজিদে যেতে হয়। সেখানে গিয়ে দেখি তালা আর কোন উপায় নেই কি আর করার।

গাইবান্ধা-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম স্মৃতি জানান, এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দিয়েছেন।

সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. রোকসানা বেগম জাগো২৪.নেট-কে বলেন, বিশ্রামাগারের জন্য এই উপজেলা পরিষদে যথেষ্ট পরিমাণ জায়গা নেই। এমপি স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী পাবলিক টয়লেটের জন্য স্থান নির্বাচনের কাজ চলমান রয়েছে।

সাদুল্লাপুরে বিশ্রামগার ও পাবলিক টয়লেট না থাকায় ভোগান্তি

প্রকাশের সময়: ০১:২৫:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ জুলাই ২০২২

সবচেয়ে জনগুরুত্বপূর্ণ স্থান হচ্ছে উপজেলা পরিষদ। সরকারের প্রত্যেক কার্যদিবসে জনসাধারণ ছুটে আসেন বিভিন্ন কাজের তাগিদে। অনেক সময় দাপ্তরিক কর্মকর্তার জন্য অপেক্ষার প্রহর গুনতে হয়। এসময় কোন সেবাগ্রহীতার  বিশ্রাম কিংবা  টয়লেটের প্রয়োজন হলে বিপাকে পড়তে হয় তাদের।

সম্প্রতি এমনি এক চিত্র দেখা গেছে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর নামের উপজেলা পরিষদে। এই পরিষদে নেই কোন বিশ্রামগার ও পাবলিক টয়লেটের ব্যবস্থা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে দূর-দূরান্ত থেকে সেবা নিতে আসা নারী-পুরুষদের।

স্থানীয়রা জানান, শুধু সাদুল্লাপুর উপজেলা পরিষদই নয়, এ উপজেলাধীন বেশ কিছু জনগুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থান রয়েছে। সেখানে পাবলিক টয়লেট খুবই জরুরি। এর মধ্যে উপজেলার প্রানকেন্দ্র উপজেলা ক্যাম্পাস, হাসপাতাল ক্যাম্পাসসহ আরও একাধিক স্থানে লোক সমাগম অনেক বেশি। দূর-দুরান্ত থেকে আসা হাজারো মানুষ প্রকৃতির ডাকে সারা দিতে বেছে নেয় রাস্তার পাশে লোকচক্ষুর আড়ালের জায়গা। বিদ্যমান পরিস্থিতে ওই উপজেলা পরিষদ ক্যাম্পাসে কোন বিশ্রামগার ও পাবলিক টয়লেট না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে সেবাগ্রহীতাদের।

এদিকে, সাদুল্লাপুর শহরের বাজারে টয়লেট থাকলেও সেটি অনেকটাই ব্যবহার অনুপযোগি। এ বাজারে পাবলিক টয়লেট না থাকায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছে অনেকেই। এখানকার প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কর্মকাণ্ড নিয়েও প্রশ্নও তুলেছেন তারা।

রহিমা বেগম নামের এক নারী জাগো২৪.নেট-কে বলেন, প্রয়োজনীয় কাজের তাগিদে মাঝে মধ্যে এই পরিষদসহ বিভিন্ন দপ্তরে আসতে হয়।  এখানে ক্ষণিকের জন্য বিশ্রাম নেওয়ার কোন বসার স্থান নেই। পুরুষরা হোটেল-রেস্তোরায় বসে সময় পার করলেও নারীদের ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয়।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে  আরেক নারী বলেন, টয়লেটের জন্য পুরুষ মানুষ তো কোনো না কোনোভাবে সারতে পারে কিন্তু মহিলা ও বাচ্চাদের সমস্যা পোহাতে হয়। পাবলিক টয়লেট না থাকায় নারীদের ভোগান্তিই বেশি।

সাদুল্লাপুর হাট-বাজারে আসা নেছার উদ্দিন ব্যাপারী জাগো২৪.নেট-কে বলেন, অনেক দুর থেকে এসে বাজার করার পর টয়লেটের সমস্যায় পড়লে কোন উপায় না পেয়ে মসজিদে যেতে হয়। সেখানে গিয়ে দেখি তালা আর কোন উপায় নেই কি আর করার।

গাইবান্ধা-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম স্মৃতি জানান, এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দিয়েছেন।

সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. রোকসানা বেগম জাগো২৪.নেট-কে বলেন, বিশ্রামাগারের জন্য এই উপজেলা পরিষদে যথেষ্ট পরিমাণ জায়গা নেই। এমপি স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী পাবলিক টয়লেটের জন্য স্থান নির্বাচনের কাজ চলমান রয়েছে।