বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন হলো পৌরসভার ভোট

গাইবান্ধা সদর ও সুন্দরগঞ্জ পৌরসভায় সুষ্ট ও শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হলো পৌরসভা নির্বাচন। তবে সদরের একটি কেন্দ্র ছাড়া বাকিগুলোতে সকাল আটটা থেকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকালে ঘন কুয়াশার কারণে ব্রীজরোড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নিজাম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়, ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় সহ বেশ কয়েকটি ভোট কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি কম লক্ষ্য করা গেছে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে বাড়তে থাকে ভোটারদের উপস্থিতি। সকাল থেকে বেলা এগারোটা পর্যন্ত (এ রিপোর্ট লেখা অবধি ঘন কুয়াশায় ঢেকে ছিল পুরো এলাকা। নেই সূর্যের দেখা। তবুও তীব্র শীত ও কুয়াশা উপেক্ষা করে ভোট কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। এরমধ্যে নারী ভোটারদের উপস্থিতিই বেশি।
কিন্তু কেন্দ্রগুলোতে করোনা পরিস্থিতিতে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা যেমন ছিলনা। তেমনি ছিল না সামাজিক দূরত্ব। যেমন রক্ষা হচ্ছে না তেমনি মাস্ক পরিধানেও নেই কড়াকড়ি।

সকাল থেকে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে,
গাইবান্ধা পৌরসভার গাইবান্ধা সরকারি কলেজ কেন্দ্র, উত্তর পাড়া ১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র, জুবিলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র, কলেজিয়েট মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র, পূর্ব কোমরনই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিটি কেন্দ্রেই নারী ভোটারদের দীর্ঘ অপেক্ষমান লাইন। পুরুষদের উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক কম। উত্তর পাড়া ১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পুরুষ কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ডা. আনোয়ার হাসান বলেন, এখানে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ১ হাজার ৭শ ৪৮ । আর নারী কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম জানান এখানে নারী ভোটার মোট ১ হাজার ৯শ ৫৮ জন।

কলেজিয়েট মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রিজাইডিং অফিসার সঞ্জয় ব্যানার্জি জানান- এই কেন্দ্রে ৬ টি বুথে ২১৮৪ জন ভোটার ভোট প্রদান করবেন। এর মধ্যে সকাল ১১ টা পর্যন্ত ভোট গ্রহন হয়েছে ৩০৫ টা।
যুবলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রিজাইডিং অফিসার মোঃ রাশেদুল ইসলাম জানান- এই কেন্দ্রে ৭ টি বুথে ২৫৮৯ জন ভোটার ভোট প্রদান করবেন। এর মধ্যে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত ৭শ ভোট কাষ্ট হয়েছে।

এদিকে নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থী এ্যাডঃ আহসানুল করিম লাছু জানান- প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনার সুষ্ঠ ভোট গ্রহনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

“অন্যদিকে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী শহীদুজ্জামান শহীদ” বলেন-শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে নির্বাচনের পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে তিনি শংকা প্রকাশ করেছেন।
তিনি আরো বলেন- সকালের দিকে বৈরি আবহাওয়ার কারণে ভোটার উপস্থিতি বড়ই নগন্য ছিল। বেলা বাড়ার সাথে আবহাওয়া ভাল হলে উপস্থিতি বেড়েছে।

গাইবান্ধার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম জানান, জেলার দুইটি পৌরসভা নির্বাচনে ৫শ২৮ জন পুলিশ সদস্য, ৫ প্লাটুন বিজিপি, প্রয়োজনীয় সংখ্যক র‌্যাব, আনসার ভিডিপি সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে। এ ছাড়া প্রতিটি কেন্দ্রে ১৪ জন পুলিশ, ৯ জন আনসার, ম্যাজিষ্ট্রেটের নেতৃত্বে নয়টি ভ্রাম্যমান দল, তিনটি স্টাইকিং ফোর্স নিরাপত্তায় কাজ করছে।

গাইবান্ধা পৌরসভায় মেয়র পদে ৮ জন, সংরক্ষিত মহিলা পদে ১৭ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪১ জন প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। গাইবান্ধা পৌরসভার মেয়র প্রার্থীরা হচ্ছেন- শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবীর (আ’লীগ), মো. শহিদুজ্জামান শহীদ (বিএনপি), মতলুবর রহমান (স্বতন্ত্র), মো. আনওয়ার-উল-সরওয়ার (স্বতন্ত্র), ফারুক আহমেদ (স্বতন্ত্র), মো. শামছুল আলম (স্বতন্ত্র), মো. আহছানুল করিম (স্বতন্ত্র) ও মো. মির্জা হাসান (স্বতন্ত্র) ।

সুন্দরগঞ্জ পৌরসভায় ৭ মেয়র প্রার্থীরা হচ্ছেন-মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন (আ’লীগ), মো. আব্দুর রশিদ রেজা সরকার ডাবলু (জাপা), দেবাশীষ কুমার সাহা (আ’লীগ বিদ্রোহী), আবুল খায়ের মো. মশিউর রহমান সবুজ (বিএনপি), মো. খয়বর হোসেন মওলা (আ’লীগ বিদ্রোহী), মো. আল শাহাদৎ জামান (স্বতন্ত্র), মো. গোলাম আহসান হাবীব মাসুদ (এনডিএম)। সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১১ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩২ জন প্রতিদ্বন্দিতা করছেন।

সুন্দরগঞ্জ পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা ১৪ হাজার ৭১ জন। এরমধ্যে পুরুষ ৬ হাজার ৮৬৩ জন এবং নারী ভোটার ৭ হাজার ২০৮ জন। ৯টি ওয়ার্ডের ৯টি কেন্দ্রের ৪৪টি কক্ষে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয় ।

গাইবান্ধা পৌরসভায় মোট ভোট সংখ্যা ৫১ হাজার ৩শ’ ৮৭ জন। এরমধ্যে পুরুষ ২৪ হাজার ৫শ’ ৫৯০ জন এবং নারী ভোটার ২৬ হাজার ৭শ’ ৯৭ জন। ৯টি ওয়ার্ডের ৩১টি কেন্দ্রের ১শ’ ৫৩টি কক্ষে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য, দুপুর ১২ টার দিকে গাইবান্ধা সদরের আদর্শপাড়ার সরকারি টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনষ্টিটিউট কেন্দ্রে আওয়ামী সমর্থিত মেয়র প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী নারিকেল গাছ মার্কা দুই গ্রুপের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিজিপি, পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

ঘটনার সময় কে বা কাহারা মেয়র পদের ১২টি ব্যালট পেপার ছিনতাই হয়। পরে ৩০ মিনিট ভোট স্থগিত রেখে আবার ভোট গ্রহন শুরু হয়।

গাইবান্ধায় শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন হলো পৌরসভার ভোট

প্রকাশের সময়: ০৪:৪৪:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১

গাইবান্ধা সদর ও সুন্দরগঞ্জ পৌরসভায় সুষ্ট ও শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হলো পৌরসভা নির্বাচন। তবে সদরের একটি কেন্দ্র ছাড়া বাকিগুলোতে সকাল আটটা থেকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকালে ঘন কুয়াশার কারণে ব্রীজরোড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নিজাম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়, ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় সহ বেশ কয়েকটি ভোট কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি কম লক্ষ্য করা গেছে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে বাড়তে থাকে ভোটারদের উপস্থিতি। সকাল থেকে বেলা এগারোটা পর্যন্ত (এ রিপোর্ট লেখা অবধি ঘন কুয়াশায় ঢেকে ছিল পুরো এলাকা। নেই সূর্যের দেখা। তবুও তীব্র শীত ও কুয়াশা উপেক্ষা করে ভোট কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। এরমধ্যে নারী ভোটারদের উপস্থিতিই বেশি।
কিন্তু কেন্দ্রগুলোতে করোনা পরিস্থিতিতে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা যেমন ছিলনা। তেমনি ছিল না সামাজিক দূরত্ব। যেমন রক্ষা হচ্ছে না তেমনি মাস্ক পরিধানেও নেই কড়াকড়ি।

সকাল থেকে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে,
গাইবান্ধা পৌরসভার গাইবান্ধা সরকারি কলেজ কেন্দ্র, উত্তর পাড়া ১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র, জুবিলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র, কলেজিয়েট মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র, পূর্ব কোমরনই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিটি কেন্দ্রেই নারী ভোটারদের দীর্ঘ অপেক্ষমান লাইন। পুরুষদের উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক কম। উত্তর পাড়া ১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পুরুষ কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ডা. আনোয়ার হাসান বলেন, এখানে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ১ হাজার ৭শ ৪৮ । আর নারী কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম জানান এখানে নারী ভোটার মোট ১ হাজার ৯শ ৫৮ জন।

কলেজিয়েট মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রিজাইডিং অফিসার সঞ্জয় ব্যানার্জি জানান- এই কেন্দ্রে ৬ টি বুথে ২১৮৪ জন ভোটার ভোট প্রদান করবেন। এর মধ্যে সকাল ১১ টা পর্যন্ত ভোট গ্রহন হয়েছে ৩০৫ টা।
যুবলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রিজাইডিং অফিসার মোঃ রাশেদুল ইসলাম জানান- এই কেন্দ্রে ৭ টি বুথে ২৫৮৯ জন ভোটার ভোট প্রদান করবেন। এর মধ্যে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত ৭শ ভোট কাষ্ট হয়েছে।

এদিকে নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থী এ্যাডঃ আহসানুল করিম লাছু জানান- প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনার সুষ্ঠ ভোট গ্রহনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

“অন্যদিকে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী শহীদুজ্জামান শহীদ” বলেন-শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে নির্বাচনের পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে তিনি শংকা প্রকাশ করেছেন।
তিনি আরো বলেন- সকালের দিকে বৈরি আবহাওয়ার কারণে ভোটার উপস্থিতি বড়ই নগন্য ছিল। বেলা বাড়ার সাথে আবহাওয়া ভাল হলে উপস্থিতি বেড়েছে।

গাইবান্ধার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম জানান, জেলার দুইটি পৌরসভা নির্বাচনে ৫শ২৮ জন পুলিশ সদস্য, ৫ প্লাটুন বিজিপি, প্রয়োজনীয় সংখ্যক র‌্যাব, আনসার ভিডিপি সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে। এ ছাড়া প্রতিটি কেন্দ্রে ১৪ জন পুলিশ, ৯ জন আনসার, ম্যাজিষ্ট্রেটের নেতৃত্বে নয়টি ভ্রাম্যমান দল, তিনটি স্টাইকিং ফোর্স নিরাপত্তায় কাজ করছে।

গাইবান্ধা পৌরসভায় মেয়র পদে ৮ জন, সংরক্ষিত মহিলা পদে ১৭ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪১ জন প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। গাইবান্ধা পৌরসভার মেয়র প্রার্থীরা হচ্ছেন- শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবীর (আ’লীগ), মো. শহিদুজ্জামান শহীদ (বিএনপি), মতলুবর রহমান (স্বতন্ত্র), মো. আনওয়ার-উল-সরওয়ার (স্বতন্ত্র), ফারুক আহমেদ (স্বতন্ত্র), মো. শামছুল আলম (স্বতন্ত্র), মো. আহছানুল করিম (স্বতন্ত্র) ও মো. মির্জা হাসান (স্বতন্ত্র) ।

সুন্দরগঞ্জ পৌরসভায় ৭ মেয়র প্রার্থীরা হচ্ছেন-মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন (আ’লীগ), মো. আব্দুর রশিদ রেজা সরকার ডাবলু (জাপা), দেবাশীষ কুমার সাহা (আ’লীগ বিদ্রোহী), আবুল খায়ের মো. মশিউর রহমান সবুজ (বিএনপি), মো. খয়বর হোসেন মওলা (আ’লীগ বিদ্রোহী), মো. আল শাহাদৎ জামান (স্বতন্ত্র), মো. গোলাম আহসান হাবীব মাসুদ (এনডিএম)। সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১১ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩২ জন প্রতিদ্বন্দিতা করছেন।

সুন্দরগঞ্জ পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা ১৪ হাজার ৭১ জন। এরমধ্যে পুরুষ ৬ হাজার ৮৬৩ জন এবং নারী ভোটার ৭ হাজার ২০৮ জন। ৯টি ওয়ার্ডের ৯টি কেন্দ্রের ৪৪টি কক্ষে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয় ।

গাইবান্ধা পৌরসভায় মোট ভোট সংখ্যা ৫১ হাজার ৩শ’ ৮৭ জন। এরমধ্যে পুরুষ ২৪ হাজার ৫শ’ ৫৯০ জন এবং নারী ভোটার ২৬ হাজার ৭শ’ ৯৭ জন। ৯টি ওয়ার্ডের ৩১টি কেন্দ্রের ১শ’ ৫৩টি কক্ষে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য, দুপুর ১২ টার দিকে গাইবান্ধা সদরের আদর্শপাড়ার সরকারি টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনষ্টিটিউট কেন্দ্রে আওয়ামী সমর্থিত মেয়র প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী নারিকেল গাছ মার্কা দুই গ্রুপের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিজিপি, পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

ঘটনার সময় কে বা কাহারা মেয়র পদের ১২টি ব্যালট পেপার ছিনতাই হয়। পরে ৩০ মিনিট ভোট স্থগিত রেখে আবার ভোট গ্রহন শুরু হয়।