গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে এবার হলুদের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া প্রতিকূল পরিবেশে থাকায় ব্যাপক ফলন পাওয়ার আশা করছেন হলুদ চাষিরা।
রান্নাঘরে হলুদ, বিয়ে বাড়িতেও হলুদ। হলুদ মিশে আছে বাঙালির খাদ্যাভ্যাস ও সাজগোজের সংস্কৃতিতে। তাই অর্থনৈতিকভাবে বিরাট ভূমিকা রাখছেন উৎপাদনকারী হলুদ চাষিরা। এ কারণে সুন্দরগঞ্জের অনেক চাষি বাণিজ্যিক ভিত্তিতে হলুদ চাষ করে সফল হচ্ছেন। বিশেষত পতিত জমিতে হলুদ চাষ করে ভাগ্য ফিরিয়েছেন উপজেলার হলুদ চাষিরা।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলার রামজীবন ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের হলুদ চাষি মফিজুল হক, দীর্ঘ ৩০ বছর থেকে হলুদ চাষ করে আসছি। বিঘা প্রতি খরচ হয় ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা। সাত মাস পর উৎপাদিত হলুদ বিক্রি হয় প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা। বেশ লাভজনক হওয়ায় এই ফলনে ঝুকেছি। এবার উপজেলার প্রায় ইউনিয়নে হলুদ ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।
কৃষিবিদ রাশিদুল কবির জানান, এবার সুন্দরগঞ্জে ৮৫ হেক্টর জমিতে হলুদ চাষাবাদ হয়েছে। হলুদ চাষে সাফল্য পাওয়ায় অনুপ্রাণিত হয়ে অনেকেই হলুদ চাষে এগিয়ে এসেছেন। হলুদের রয়েছে নানা গুণ। ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে হলুদের কোনো জুড়ি নেই। এবং অর্থনৈতিক বাজারে বিরাট ভূমিকা রাখছে হলুদ।
বিপুল ইসলাম আকাশ, করেসপন্ডেন্ট জাগো২৪.নেট, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) 














