সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দেশে ঋণখেলাপি ৩ লাখ ৩৫ হাজার

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল জানিয়েছেন, বর্তমানে (অক্টোবর ২০২০) দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণগ্রহীতা ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৯৮২ জন।

সোমবার (২৫ জানুয়ারি) সংসদের প্রশ্নোত্তরে সরকার দলীয় অসীম কুমার উকিলের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান মন্ত্রী। এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।জাতীয় পার্টির শামীম হায়দার পাটোয়ারীর প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। ডিসেম্বর ২০২০ পর্যন্ত আদায় হয়েছে ১ লাখ ৮ হাজার ৪৭১ কোটি ৭১ লাখ টাকা। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অর্জন ৩২.৮৭ শতাংশ।

মামুনুর রশীদ কিরণের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের টিকা কেনার জন্য এ পর্যন্ত ১ হাজার ৪৫৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।এ কে এম রহমতুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, দেশ থেকে অবমূল্যায়ন (Under invoicing) বা অতিমূল্যায়নের (Over invoicing) মাধ্যমে অর্থ পাচারের কিছু অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এটি খতিয়ে দেখছে। যেসব ক্ষেত্রে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে, সেসব ক্ষেত্রে আইনানুগ ব্যবস্থা চলমান রয়েছে।

অর্থ পাচার বন্ধে সরকারের নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব পদক্ষেপের ফলে বৈদেশিক মুদ্রা বা অর্থ পাচার অনেকাংশে কমে যাবে।

দেশে ঋণখেলাপি ৩ লাখ ৩৫ হাজার

প্রকাশের সময়: ০২:৫৬:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২১

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল জানিয়েছেন, বর্তমানে (অক্টোবর ২০২০) দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণগ্রহীতা ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৯৮২ জন।

সোমবার (২৫ জানুয়ারি) সংসদের প্রশ্নোত্তরে সরকার দলীয় অসীম কুমার উকিলের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান মন্ত্রী। এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।জাতীয় পার্টির শামীম হায়দার পাটোয়ারীর প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। ডিসেম্বর ২০২০ পর্যন্ত আদায় হয়েছে ১ লাখ ৮ হাজার ৪৭১ কোটি ৭১ লাখ টাকা। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অর্জন ৩২.৮৭ শতাংশ।

মামুনুর রশীদ কিরণের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের টিকা কেনার জন্য এ পর্যন্ত ১ হাজার ৪৫৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।এ কে এম রহমতুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, দেশ থেকে অবমূল্যায়ন (Under invoicing) বা অতিমূল্যায়নের (Over invoicing) মাধ্যমে অর্থ পাচারের কিছু অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এটি খতিয়ে দেখছে। যেসব ক্ষেত্রে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে, সেসব ক্ষেত্রে আইনানুগ ব্যবস্থা চলমান রয়েছে।

অর্থ পাচার বন্ধে সরকারের নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব পদক্ষেপের ফলে বৈদেশিক মুদ্রা বা অর্থ পাচার অনেকাংশে কমে যাবে।