রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অ্যানথ্রাক্স রোগ প্রতিরোধে সতর্কবার্তা

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জসহ পাশের পীরগাছা উপজেলায় সম্প্রতি গরু থেকে মানুষের শরীরে অ্যানথ্রাক্স রোগ দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে অনেকে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। তাই এ রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরি করতে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (৩ অক্টোবর) রাতে সিভিল ‘সার্জন কার্যালয়- গাইবান্ধা’ নামে অফিসিয়াল ফেসবুক আইডিতে এই সতর্কবার্তা পোস্ট দেওয়া হয়।

ওই বার্তায় বলা হয়- আক্রান্ত বা মৃত গবাদি পশুর (গরু, ছাগল, ভেড়া ইত্যাদি) মাংস, রক্ত, চামড়া বা লোমের মাধ্যমে অ্যানথ্রাক্স রোগ ছাড়ায়। আর পশুর মাংস কাঁচা বা সঠিকভাবে রান্না না করে খেলে। চামড়া বা পশুর শরীর কাটাছেঁড়া করার সময় ক্ষতস্থান দিয়ে জীবাণু প্রবেশ করলে অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

মানুষের মধ্যে প্রধান লক্ষণ: ত্বকে কালো দাগ বা ঘা (Cutaneous anthrax), জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট (Inhalation anthrax), তীব্র পেটব্যথা, বমি ও রক্তাক্ত ডায়রিয়া (Gastro-intestinal anthrax)।

করণীয়: মৃত বা অসুস্থ পশু জবাই বা ভক্ষণ থেকে বিরত থাকতে হবে। মাংস অবশ্যই ভালোভাবে সিদ্ধ করে খেতে হবে। পশু জবাইয়ের সময় গ্লাভস ও সুরক্ষাসামগ্রী ব্যবহার আবশ্যক। কোনো পশু হঠাৎ মারা গেলে তা কবর দিতে হবে। কোনভাবে খোলা জায়গায় ফেলে রাখা যাবে না। কারো শরীরে সন্দেহজনক কালো ঘা বা উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করা দরকার।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা সিভিল সার্জন ডা. মো. রফিকুজ্জামান বলেন, অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধযোগ্য ও চিকিৎসাযোগ্য রোগ। সচেতনতা এবং সঠিক পদক্ষেপই পারে আমাদের সকলকে সুরক্ষিত রাখতে।

জনপ্রিয়

দুই সাংবাদিককে হেনস্তার প্রতিবাদে সাদুল্লাপুর প্রেসক্লাবে সভা; এসিল্যান্ডের অপসারণ দাবি

অ্যানথ্রাক্স রোগ প্রতিরোধে সতর্কবার্তা

প্রকাশের সময়: ০৮:৩২:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জসহ পাশের পীরগাছা উপজেলায় সম্প্রতি গরু থেকে মানুষের শরীরে অ্যানথ্রাক্স রোগ দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে অনেকে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। তাই এ রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরি করতে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (৩ অক্টোবর) রাতে সিভিল ‘সার্জন কার্যালয়- গাইবান্ধা’ নামে অফিসিয়াল ফেসবুক আইডিতে এই সতর্কবার্তা পোস্ট দেওয়া হয়।

ওই বার্তায় বলা হয়- আক্রান্ত বা মৃত গবাদি পশুর (গরু, ছাগল, ভেড়া ইত্যাদি) মাংস, রক্ত, চামড়া বা লোমের মাধ্যমে অ্যানথ্রাক্স রোগ ছাড়ায়। আর পশুর মাংস কাঁচা বা সঠিকভাবে রান্না না করে খেলে। চামড়া বা পশুর শরীর কাটাছেঁড়া করার সময় ক্ষতস্থান দিয়ে জীবাণু প্রবেশ করলে অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

মানুষের মধ্যে প্রধান লক্ষণ: ত্বকে কালো দাগ বা ঘা (Cutaneous anthrax), জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট (Inhalation anthrax), তীব্র পেটব্যথা, বমি ও রক্তাক্ত ডায়রিয়া (Gastro-intestinal anthrax)।

করণীয়: মৃত বা অসুস্থ পশু জবাই বা ভক্ষণ থেকে বিরত থাকতে হবে। মাংস অবশ্যই ভালোভাবে সিদ্ধ করে খেতে হবে। পশু জবাইয়ের সময় গ্লাভস ও সুরক্ষাসামগ্রী ব্যবহার আবশ্যক। কোনো পশু হঠাৎ মারা গেলে তা কবর দিতে হবে। কোনভাবে খোলা জায়গায় ফেলে রাখা যাবে না। কারো শরীরে সন্দেহজনক কালো ঘা বা উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করা দরকার।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা সিভিল সার্জন ডা. মো. রফিকুজ্জামান বলেন, অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধযোগ্য ও চিকিৎসাযোগ্য রোগ। সচেতনতা এবং সঠিক পদক্ষেপই পারে আমাদের সকলকে সুরক্ষিত রাখতে।