বহুল কাঙ্খিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন গাইবান্ধা জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশের এ নির্বাচনে চারটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ও একটি আসনে বিএনপির প্রার্থী বেসরকারি ফলাফলে নির্বাচিত হয়েছেন।
বৃজস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭ টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে তা বিকেল সাড়ে ৪ টায় শেষ হয়।
শেষে রাতে গাইবান্ধা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কন্ট্রোলরুম থেকে বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন-
গাইবান্ধা-১ (সুন্দুরগঞ্জ) আসনে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক প্রার্থী মাজেদুর রহমান মাজেদ ১ লাখ ৪০ হাজার ৭২৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী খন্দকার জিয়াউল মোহাম্মদ আলী পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৯৯৭ ভোট।
গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক প্রার্থী আব্দুল করিম ১ লাখ ২২ হাজার ৬৩০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী আনিসুজ্জামান খান বাবু পেয়েছেন ৯২ হাজার ৮৯০ ভোট।
গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক প্রার্থী আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ১ লাখ ৬২ হাজার ৪৫৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮৬৪ ভোট।
গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক প্রার্থী মোহাম্মদ শামীম কায়সার ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক প্রার্থী ডা. আব্দুর রহিম পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭৩৮ ভোট।
গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক প্রার্থী আব্দুল ওয়ারেছ ৮৯ হাজার ২৭৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী ফারুক আলম সরকার ৭৩ হাজার ৪৮৩ ভোট পান।
গাইবান্ধা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা বলেন, গাইবান্ধা জেলার মোট পাঁচটি আসনে অবাধ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 





















