বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চিরিরবন্দরে পিতা-সৎ ভাইকে হত্যা ঘটনায় অভিযুক্ত দুইভাই গ্রেপ্তার 

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে পিতা ও সৎ ভাইকে হত্যা ঘটনায় প্রধান আসামী দুইভাইকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

মঙ্গলবার দুপুরে র‌্যাব-১৩ এর দিনাজপুর অধিনায়কের পক্ষে সিনিয়র সহকারী পরিচালক বিপ্লব কুমার গোস্বামীর সই করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গ্রেপ্তাররা হলেন-উপজেলার ফতেজংপুর ইউনিয়নের উত্তর পলাশবাড়ী গ্রামের টেপাপাড়ার মৃত শহিদুল হক দুলুর ছেলে মো. সাদেকুল ইসলাম (৩০) ও তার ছোট ভাই মো. সাকিব (১৯)। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব-১৩ জানায়, মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৯ জুন র‌্যাব-১৩, সিপিসি-১, দিনাজপুর ক্যাম্প এবং র‌্যাব-৭, চট্টগ্রামের সদর কোম্পানি চট্টগ্রামে যৌথ অভিযান চালায়। দুপুরের এ অভিযানে মহানগরীর ইপিজেড থানার আকমল আলী রোড এলাকার একটি রিকশা গ্যারেজ থেকে প্রধান আসামি সাদেকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। একইদিন রাত ৯টা ১০মিনিটে ইপিজেড থানার একটি হোটেলের সামনে পৃথক অভিযানে সাকিবকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, নিহত শহিদুল হক দুলুর প্রঘম স্ত্রীর দুই ছেলে হাবিল ও কাবিল এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর দুই ছেলে সাদেকুল ইসলাম ও সাকিব। জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাদের পরিবারের দুইপক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে গত ১৩ মে সকালে বাড়ির পাশের ভুট্টাক্ষেতে ভুট্টা ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে সাদেকুল ইসলামের সঙ্গে তার পিতা শহিদুল হক দুলুর বাগবিতন্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে সাদেকুল বাড়ি থেকে বল্লম ও ছুরি এনে পিতার বুকে বল্লম দিয়ে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। এসময় সৎ ভাই কাবিল পিতাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে তাকেও ছুরিকাঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে কাবিলকে উদ্ধার করে সৈয়দপুর ১০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের প্রথম স্ত্রীর ছেলে হাবিবুর রহমান ওরফে হাবিল বাদী হয়ে চিরিরবন্দর থানায় মামলা দায়ের করেন। এতে সৎ ভাই, সৎ মা ও তাদের সহযোগীদের আসামি করা হয়। ঘটনার পর থেকেই আসামিরা আতœগোপনে চলে যায়।

চিরিরবন্দরে পিতা-সৎ ভাইকে হত্যা ঘটনায় অভিযুক্ত দুইভাই গ্রেপ্তার 

চিরিরবন্দরে পিতা-সৎ ভাইকে হত্যা ঘটনায় অভিযুক্ত দুইভাই গ্রেপ্তার 

প্রকাশের সময়: ০১:৫৯:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে পিতা ও সৎ ভাইকে হত্যা ঘটনায় প্রধান আসামী দুইভাইকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

মঙ্গলবার দুপুরে র‌্যাব-১৩ এর দিনাজপুর অধিনায়কের পক্ষে সিনিয়র সহকারী পরিচালক বিপ্লব কুমার গোস্বামীর সই করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গ্রেপ্তাররা হলেন-উপজেলার ফতেজংপুর ইউনিয়নের উত্তর পলাশবাড়ী গ্রামের টেপাপাড়ার মৃত শহিদুল হক দুলুর ছেলে মো. সাদেকুল ইসলাম (৩০) ও তার ছোট ভাই মো. সাকিব (১৯)। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব-১৩ জানায়, মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৯ জুন র‌্যাব-১৩, সিপিসি-১, দিনাজপুর ক্যাম্প এবং র‌্যাব-৭, চট্টগ্রামের সদর কোম্পানি চট্টগ্রামে যৌথ অভিযান চালায়। দুপুরের এ অভিযানে মহানগরীর ইপিজেড থানার আকমল আলী রোড এলাকার একটি রিকশা গ্যারেজ থেকে প্রধান আসামি সাদেকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। একইদিন রাত ৯টা ১০মিনিটে ইপিজেড থানার একটি হোটেলের সামনে পৃথক অভিযানে সাকিবকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, নিহত শহিদুল হক দুলুর প্রঘম স্ত্রীর দুই ছেলে হাবিল ও কাবিল এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর দুই ছেলে সাদেকুল ইসলাম ও সাকিব। জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাদের পরিবারের দুইপক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে গত ১৩ মে সকালে বাড়ির পাশের ভুট্টাক্ষেতে ভুট্টা ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে সাদেকুল ইসলামের সঙ্গে তার পিতা শহিদুল হক দুলুর বাগবিতন্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে সাদেকুল বাড়ি থেকে বল্লম ও ছুরি এনে পিতার বুকে বল্লম দিয়ে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। এসময় সৎ ভাই কাবিল পিতাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে তাকেও ছুরিকাঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে কাবিলকে উদ্ধার করে সৈয়দপুর ১০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের প্রথম স্ত্রীর ছেলে হাবিবুর রহমান ওরফে হাবিল বাদী হয়ে চিরিরবন্দর থানায় মামলা দায়ের করেন। এতে সৎ ভাই, সৎ মা ও তাদের সহযোগীদের আসামি করা হয়। ঘটনার পর থেকেই আসামিরা আতœগোপনে চলে যায়।