শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হুইলিতে কলেজ শিক্ষার্থীর বাজিমাত

কলেজ শিক্ষার্থী মিনহাজুল ইসলাম রিশাদ। এক রোমাঞ্চকর কৌশলে সামনের চাকা উঁচুতে তুলে পেছনের চাকায় বাইসাইকেল চালিয়ে পথ চলেছেন তিনি। কঠোর অনুশীলনে অসাধারণ ভারসাম্যে এক চাকায় সাইকেল যাত্রায় তাক লেগেছে অন্যান্য পথচারিরা।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর থানা ঘেঁষে সাহাপাড়া রাস্তায় ও স্কুল মাঠে অভিনব কায়দায় বাইসাইকেল চালাতে দেখা যায় এই যুবককে।

রিশাদের বাড়ি সাদুল্লাপুর উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের ছোট গয়েশপুর গ্রামে। এ গ্রামের ঠিকাদার মিলন মণ্ডল ও গৃহিনী শিবলী আক্তার দম্পতির ছেলে। তিনি গাইবান্ধা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র।

স্থানীয়রা জানায়, কলেজ শিক্ষার্থী মিনহাজুল ইসলাম রিশাদ ইতোমধ্যে বাইসাইকেল চালিয়ে এ জেলা থেকে অন্য জেলায় পথ চলেছেন। আধুনিক যান্ত্রিণ যুগে দীর্ঘ পথে তার বাইসাকেল চালানোর বিষয়টি খুবই অসাধারণ। সেইসঙ্গে হুইলিতে এক চমৎকার প্রাক্টিসে অভাবনী সাফল্য অর্জন করতে যাচ্ছেন এই রিশাদ। পেছনের চাকায় ভর করে সামনের চাকা উঁচু করে তার বাইসাকেল চালানোর সময় উৎসুক জনতা তাক লেগে চেয়ে থাকেন।
তৌহিদুল ইসলাম নামের এক শিশু শিক্ষার্থী বলে- এক চাকায় রিশাদ ভাইয়ার সাইকেল চালানো দেখে বেশ মুগ্ধ হয়েছি। আমিও এভাবে বাইসাইকেল চালাতে আগ্রহী।

কলেজ শিক্ষার্থী মিনহাজুল ইসলাম রিশাদ বলেন, সামনের চাকা উচু করে বাইসাইকেল চালানো, যা মূলত “হুইলি” নামে পরিচিত, এটি একটি জনপ্রিয় সাইকেল স্টান্ট। প্যাডেলের চাপ এবং শরীরের ভারসাম্য ব্যবহার করে সামনের চাকা মাটি থেকে উপরে তোলা হয়।

সাদুল্লাপুরের আনোয়ারুল ইসলাম নামের এক প্রধান শিক্ষক বলেন, এক চাকায় সাইকেল চালানো শুধু বিনোদন নয়। এটি শরীরের সুস্থতার জন্যও বেশ উপকারী। নিয়মিত সাইকেল চালালে ওজন ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং পায়ের পেশি শক্তিশালী হয়। তবে এটির ঝুঁকিও রয়েছে।

হুইলিতে কলেজ শিক্ষার্থীর বাজিমাত

প্রকাশের সময়: ০৮:১১:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

কলেজ শিক্ষার্থী মিনহাজুল ইসলাম রিশাদ। এক রোমাঞ্চকর কৌশলে সামনের চাকা উঁচুতে তুলে পেছনের চাকায় বাইসাইকেল চালিয়ে পথ চলেছেন তিনি। কঠোর অনুশীলনে অসাধারণ ভারসাম্যে এক চাকায় সাইকেল যাত্রায় তাক লেগেছে অন্যান্য পথচারিরা।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর থানা ঘেঁষে সাহাপাড়া রাস্তায় ও স্কুল মাঠে অভিনব কায়দায় বাইসাইকেল চালাতে দেখা যায় এই যুবককে।

রিশাদের বাড়ি সাদুল্লাপুর উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের ছোট গয়েশপুর গ্রামে। এ গ্রামের ঠিকাদার মিলন মণ্ডল ও গৃহিনী শিবলী আক্তার দম্পতির ছেলে। তিনি গাইবান্ধা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র।

স্থানীয়রা জানায়, কলেজ শিক্ষার্থী মিনহাজুল ইসলাম রিশাদ ইতোমধ্যে বাইসাইকেল চালিয়ে এ জেলা থেকে অন্য জেলায় পথ চলেছেন। আধুনিক যান্ত্রিণ যুগে দীর্ঘ পথে তার বাইসাকেল চালানোর বিষয়টি খুবই অসাধারণ। সেইসঙ্গে হুইলিতে এক চমৎকার প্রাক্টিসে অভাবনী সাফল্য অর্জন করতে যাচ্ছেন এই রিশাদ। পেছনের চাকায় ভর করে সামনের চাকা উঁচু করে তার বাইসাকেল চালানোর সময় উৎসুক জনতা তাক লেগে চেয়ে থাকেন।
তৌহিদুল ইসলাম নামের এক শিশু শিক্ষার্থী বলে- এক চাকায় রিশাদ ভাইয়ার সাইকেল চালানো দেখে বেশ মুগ্ধ হয়েছি। আমিও এভাবে বাইসাইকেল চালাতে আগ্রহী।

কলেজ শিক্ষার্থী মিনহাজুল ইসলাম রিশাদ বলেন, সামনের চাকা উচু করে বাইসাইকেল চালানো, যা মূলত “হুইলি” নামে পরিচিত, এটি একটি জনপ্রিয় সাইকেল স্টান্ট। প্যাডেলের চাপ এবং শরীরের ভারসাম্য ব্যবহার করে সামনের চাকা মাটি থেকে উপরে তোলা হয়।

সাদুল্লাপুরের আনোয়ারুল ইসলাম নামের এক প্রধান শিক্ষক বলেন, এক চাকায় সাইকেল চালানো শুধু বিনোদন নয়। এটি শরীরের সুস্থতার জন্যও বেশ উপকারী। নিয়মিত সাইকেল চালালে ওজন ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং পায়ের পেশি শক্তিশালী হয়। তবে এটির ঝুঁকিও রয়েছে।