মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে প্রবাসীর বসতবাড়িতে ভাঙচুরের অভিযোগ

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার সৌদি প্রবাসী শেখ ফরিদের বসতবাড়িতে ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে। একই গ্রামের পিয়াজু শেখের ছেলে মাজেদ শেখ গংদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ।

সরেজমিনে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের চক গোবিন্দপুর গ্রামের শেখ ফরিদের বসতবাড়িতে দেখা গেছে- ঘরের বেড়া ভাঙচুরের চিত্র। এসময় ফরিদের স্ত্রী এলিজা বেগম ও ছেলে আলহক আলীর চোখেমুখে চরম আতঙ্কের দৃশ্য দেখা যায়।

স্থানীয়রা জানায়, একই গ্রামের পিয়াজু শেখের ছেলে মাজেদ শেখ গংদের সঙ্গে শেখ ফরিদের বিরোধ চলে আসছিলো। এক সময়ে মাজেদ গংরা হামলা করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শেখ ফরিদের পা কেটে দেয়। এর কিছুদিন পর শেখ ফরিদ সৌদিদে পাড়ি জমিছেন। এখনো সেখানে অবস্থান করছেন তিনি। এরই সুযোগে মাজেদ শেখরা বিভিন্ন সময় ফরিদের স্ত্রী-সন্তানদের ওপর অত্যাচার করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৯ এপ্রিল বিকেলে দিকে মাজেদ শেখ ও তার ভাই এবং স্ত্রী-সন্তানসহ আরও অনেকে উত্তেজীত হয়ে প্রবাসী শেখ ফরিদের বাড়ির ঘরের বেড়া ও ঘিরা ভাঙচুর করেছে।

এ বিষয়ে প্রবাসীর স্ত্রী এলিজা বেগম বলেন, পুর্ব শত্রুতার জেরে মাজেদ শেখ ও তার ভাই এবং স্ত্রী-সন্তানসহ আরও অনেকে উত্তেজীত হয়ে আমার বসতবাড়ির বাঁশের ঘিরা ও ঘরের টিনের বেড়া ভাঙচুর করেছে। এসময় বাঁধা দিতে গেলে মাজেদ গংরা প্রাণনাশে হুমকি প্রদর্শন করেছে। তারপর জরুরিসেবা ৯৯৯-এ কল দিয়ে পুলিশের সহায়তা নিয়েছি। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

অভিযুক্ত মাজেদ শেখের ভাতিজা মোখলেছুর রহমান বলেন, আমরা একই ভাগিশরীক। পুর্ব শত্রুতার জেরে উভয় পক্ষের মধ্যে কিছুটা বাকবিতন্ডা ঘটেছে।

এ বিষয়ে জরুরি সেবা ৯৯৯ কলের মাধ্যমে ঘটনা স্থলে পরিদর্শনে যাওয়া সাদুল্লাপুর থানার এসআই সুজনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

সাদুল্লাপুরে প্রবাসীর বসতবাড়িতে ভাঙচুরের অভিযোগ

প্রকাশের সময়: ০৪:৪৮:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার সৌদি প্রবাসী শেখ ফরিদের বসতবাড়িতে ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে। একই গ্রামের পিয়াজু শেখের ছেলে মাজেদ শেখ গংদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ।

সরেজমিনে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের চক গোবিন্দপুর গ্রামের শেখ ফরিদের বসতবাড়িতে দেখা গেছে- ঘরের বেড়া ভাঙচুরের চিত্র। এসময় ফরিদের স্ত্রী এলিজা বেগম ও ছেলে আলহক আলীর চোখেমুখে চরম আতঙ্কের দৃশ্য দেখা যায়।

স্থানীয়রা জানায়, একই গ্রামের পিয়াজু শেখের ছেলে মাজেদ শেখ গংদের সঙ্গে শেখ ফরিদের বিরোধ চলে আসছিলো। এক সময়ে মাজেদ গংরা হামলা করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শেখ ফরিদের পা কেটে দেয়। এর কিছুদিন পর শেখ ফরিদ সৌদিদে পাড়ি জমিছেন। এখনো সেখানে অবস্থান করছেন তিনি। এরই সুযোগে মাজেদ শেখরা বিভিন্ন সময় ফরিদের স্ত্রী-সন্তানদের ওপর অত্যাচার করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৯ এপ্রিল বিকেলে দিকে মাজেদ শেখ ও তার ভাই এবং স্ত্রী-সন্তানসহ আরও অনেকে উত্তেজীত হয়ে প্রবাসী শেখ ফরিদের বাড়ির ঘরের বেড়া ও ঘিরা ভাঙচুর করেছে।

এ বিষয়ে প্রবাসীর স্ত্রী এলিজা বেগম বলেন, পুর্ব শত্রুতার জেরে মাজেদ শেখ ও তার ভাই এবং স্ত্রী-সন্তানসহ আরও অনেকে উত্তেজীত হয়ে আমার বসতবাড়ির বাঁশের ঘিরা ও ঘরের টিনের বেড়া ভাঙচুর করেছে। এসময় বাঁধা দিতে গেলে মাজেদ গংরা প্রাণনাশে হুমকি প্রদর্শন করেছে। তারপর জরুরিসেবা ৯৯৯-এ কল দিয়ে পুলিশের সহায়তা নিয়েছি। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

অভিযুক্ত মাজেদ শেখের ভাতিজা মোখলেছুর রহমান বলেন, আমরা একই ভাগিশরীক। পুর্ব শত্রুতার জেরে উভয় পক্ষের মধ্যে কিছুটা বাকবিতন্ডা ঘটেছে।

এ বিষয়ে জরুরি সেবা ৯৯৯ কলের মাধ্যমে ঘটনা স্থলে পরিদর্শনে যাওয়া সাদুল্লাপুর থানার এসআই সুজনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।