গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে উপজেলায় পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় আপেল মাহমুদ (৩২) নামের এক যুবক আহত হয়। এ ঘটনার ৬ দিন পর ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন এই যুবক।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালের দিকে উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের কিশামত শেরপুর গ্রামের বাড়িতে আপেল মাহমুদের লাশ পৌঁছালে পুরো এলাকায় এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরিবারের উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্বজনরা।
নিহত আপেল মাহমুদ কিশামত শেরপুর গ্রামের মৃত্যু হামিদুল ইসলামের ছেলে এবং আবুল খায়ের টোবাকো কোম্পানিতে চাকরি করছিলেন তিনি।
স্বজনরা জানায়, স্ত্রীর কোলের ৪১ দিনের নবজাতকের টানে কর্মস্থল থেকে ছুটিতে বাড়ি ফিরেন আপেল মাহমুদ। এরপর ছুটি শেষে গত ১৮ এপ্রিল সকালের দিকে বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলযোগে জয়পুর হাটের কর্মস্থলে যোগ দিতে রওনা হন। পথিমধ্যে গাইবান্ধা সদর উপজেলার তুলশি ঘাট এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যান তাকে ধাক্কায় দেয়। এসময় ছিটকে পরে মারাতœক আহত হয়। খবর পেয়ে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করায়। সেখানে শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে আপেল মাহমুদের মৃত্যু হয়।
এ তথ্য নিশ্চিত করে বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্যা তাসলিমা খাতুন বলেন, আপেল মাহমুদ আমাদের ওয়ার্ডের বাসিন্দা। ছেলেটা মৃত্যুর খবর শুনে অনেকা শোকাহত আমরা।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 















