বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘুষ নিলে ছাড় নয়, প্রমাণ মিললেই কঠোর ব্যবস্থা: হুইপ আখতারুজ্জামান  

দিনাজপুর-৪ (চিরিরবন্দর-খানসামা) আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. আখতারুজ্জামান মিয়া এমপি মঙ্গলবার সকালে নিজের ফেসবুক পেজে দেয়া এক বার্তায় বলেছেন, সরকারি সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অসৌজন্যমূলক, অমানবিক, হয়রানিমূলক বা বৈষম্যমূলক আচরণ কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়। সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রতি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব, সততা ও মানবিকতার সঙ্গে সরকারি সেবা নিশ্চিত করতে হবে। সরকারের ভাবমুর্তি রক্ষায় সকলকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে। সরকারি সেবা জনগণের সাংবিধানিক অধিকার। এই অধিকার নিশ্চিত করতে প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে। জনগণের আস্থা ও রাষ্ট্রের মর্যাদা সমুন্নত রাখতে দুর্নীতি, অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং দায়িত্বে অবহেলার বিরুদ্ধে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক, দায়িত্বশীল ও আইনানুগভাবে কাজ করারও আহ্বান জানান তিনি।

তিনি তাঁর সামাজিক যোগাযোগ গণমাধ্যম পেজে আরও বলেন, উপজেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্যসেবা, ভূমি অফিস, আইনগত সহায়তা, কৃষি অফিস, শিক্ষা অফিস, প্রতিষ্ঠানসহ সকল সরকারি দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানে সরকারি প্রকল্প, ভাতা, অনুদান, সেবা, সহায়তা, সুপারিশ বা পরামর্শ প্রদানের নামে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ঘুষ গ্রহণ, আর্থিক লেনদেন, অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ কিংবা যেকোনো ধরনের দুর্নীতিমূলক কর্মকান্ডে কেউ জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চিরিরবন্দরের দুইজন নেতা বলেন, হুইপ মহোদয় সৎ মানুষ, পারিবারিকভাবেই সম্ভ্রান্ত ও উদার পরিবারের উত্তরাধিকারি। কিন্তু উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, সাব রেজিষ্ট্রার, হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা, উপজেলা প্রকৌশলী, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মিলে ৫জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। ওই কর্মকর্তারা আওয়ামীলীগের আমলে ব্যাপক দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের সাথে জড়িত ছিলেন। এখন একটু কমলেও ঘুষ বন্ধ হয়নি। বহাল তবিয়তে থেকে কৌশল পরিবর্তন করেছেন মাত্র। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক কানাঘুষা চলছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অন্য আরেকজন বলেন, ফেসবুক বার্তায় হুইপ মহোদয়ের স্টাটাস সর্বত্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। নেতাকর্মীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেকে থমকে গেছে। এলাকাবাসি ওই ফেসবুক স্টাটাসকে সাধুবাদ জানিয়ে ঘুষখোর কর্মকর্তাদের দ্রুত বদলীর দাবি জানিয়েছেন।

জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একজন জনবান্ধব নেতা: এমপি মমতাজ

ঘুষ নিলে ছাড় নয়, প্রমাণ মিললেই কঠোর ব্যবস্থা: হুইপ আখতারুজ্জামান  

প্রকাশের সময়: ০৭:১৯:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

দিনাজপুর-৪ (চিরিরবন্দর-খানসামা) আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. আখতারুজ্জামান মিয়া এমপি মঙ্গলবার সকালে নিজের ফেসবুক পেজে দেয়া এক বার্তায় বলেছেন, সরকারি সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অসৌজন্যমূলক, অমানবিক, হয়রানিমূলক বা বৈষম্যমূলক আচরণ কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়। সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রতি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব, সততা ও মানবিকতার সঙ্গে সরকারি সেবা নিশ্চিত করতে হবে। সরকারের ভাবমুর্তি রক্ষায় সকলকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে। সরকারি সেবা জনগণের সাংবিধানিক অধিকার। এই অধিকার নিশ্চিত করতে প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে। জনগণের আস্থা ও রাষ্ট্রের মর্যাদা সমুন্নত রাখতে দুর্নীতি, অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং দায়িত্বে অবহেলার বিরুদ্ধে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক, দায়িত্বশীল ও আইনানুগভাবে কাজ করারও আহ্বান জানান তিনি।

তিনি তাঁর সামাজিক যোগাযোগ গণমাধ্যম পেজে আরও বলেন, উপজেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্যসেবা, ভূমি অফিস, আইনগত সহায়তা, কৃষি অফিস, শিক্ষা অফিস, প্রতিষ্ঠানসহ সকল সরকারি দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানে সরকারি প্রকল্প, ভাতা, অনুদান, সেবা, সহায়তা, সুপারিশ বা পরামর্শ প্রদানের নামে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ঘুষ গ্রহণ, আর্থিক লেনদেন, অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ কিংবা যেকোনো ধরনের দুর্নীতিমূলক কর্মকান্ডে কেউ জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চিরিরবন্দরের দুইজন নেতা বলেন, হুইপ মহোদয় সৎ মানুষ, পারিবারিকভাবেই সম্ভ্রান্ত ও উদার পরিবারের উত্তরাধিকারি। কিন্তু উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, সাব রেজিষ্ট্রার, হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা, উপজেলা প্রকৌশলী, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মিলে ৫জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। ওই কর্মকর্তারা আওয়ামীলীগের আমলে ব্যাপক দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের সাথে জড়িত ছিলেন। এখন একটু কমলেও ঘুষ বন্ধ হয়নি। বহাল তবিয়তে থেকে কৌশল পরিবর্তন করেছেন মাত্র। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক কানাঘুষা চলছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অন্য আরেকজন বলেন, ফেসবুক বার্তায় হুইপ মহোদয়ের স্টাটাস সর্বত্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। নেতাকর্মীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেকে থমকে গেছে। এলাকাবাসি ওই ফেসবুক স্টাটাসকে সাধুবাদ জানিয়ে ঘুষখোর কর্মকর্তাদের দ্রুত বদলীর দাবি জানিয়েছেন।