জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমান বলেছেন, গত ৫৪ বছর যে রাজৈনৈতিক শাসনব্যবস্থা, বন্দবস্ত তা দেশবাসীকে ফ্যাসিবাদ উপহার দিয়েছে। এই শাসনও আমরা দেখতে চাই না। আমরা চাই তার পরিবর্তন। সেই পরিবর্তন হাতছানি দিয়ে ডাকছে আগামী ১২ তারিখে। একসাথে দুটি ভোট অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠিত হবে। গণভোট আর সাধারণ নির্বাচন। গণভোটের নির্বাচন সফল করতে হবে। তাই জুলাই শহিদদের প্রতি সম্মান দেখানোর জন্য গণভোটের পক্ষে হ্যাঁ বলতে হবে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) গাইবান্ধা পলাশবাড়ী এস এম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জন সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
ড. শফিকুর রহমান বলেন, কৃষিকে আর পুরান ধাঁচে চালানো হবে না। এখানে আধুনিকায়ন করে, আধুনিক লজিস্টিক সরবরাহ করে ন্যায্যমূল্যে তা কৃষকের হাতে তুলে দিয়ে আমরা এই কৃষি উৎপাদন বাড়িয়ে তুলব। আমরা আপনাদের কথা দিচ্ছি, ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হবে।’ ফসল ও সবজির সংরক্ষণও নিশ্চিত করা হবে বলে জানান তিনি। জায়গায় জায়গায় ফসল ও সবজির সংরক্ষণাগার গড়ে তোলা হবে বলে আরও প্রতিশ্রুতি দেন শফিকুর রহমান। সারা বছর দেশের মানুষ ন্যায্য দামে কৃষিপণ্যগুলো পাবেন বলেও আশ্বাসও দেন।
গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে জামায়াত আমির আরও বলেন, এখানে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, প্রত্যক উপজেলায় স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতের জন্য চিকিৎসা কেন্দ্রগুলো আধুনিকরন করা, রাজধানীর মতো শিক্ষার মান বাড়াতে উন্নত শিক্ষা পদক্ষেপ গ্রহণ করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
অনুষ্ঠিত জনসভায় সভাপতিত্ব করেন গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।
এতে অন্যান্যদের মধ্য বক্তব্য দেন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল হালিম, জাগপা সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান, এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম জুয়েল, শিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির সেক্রেটারি সিগবাতুল শিগবা, পাঁচ আসনের মনোনীত প্রার্থীস স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
জনসভা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীর আমির গাইবান্ধার পাঁচটি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের হাতে দলীয় প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ তুলে দেন। এসময় তিনি তাদের পক্ষে দাঁড়ি পাল্লা মার্কা ভোট কামনা করেন।
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 
























