বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বরাদ্দে অনিয়ম, প্রতিবাদে মানববন্ধন

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় ভাটি কাপাসিয়া-২ আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এরই প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ জানুয়ারি) উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে প্রকৃত ভূমিহীন ও নদী ভাঙ্গন কবলিত পরিবারের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

ঘন্টাব্যাপী চলা মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী বীরমুক্তিযোদ্ধা ফজলার রহমান, সমাজসেবক আল শাহাদাৎ জামান জিকো,  ভুক্তভোগী জামিউল ইসলাম, সাজু মিয়াসহ আরও অনেকে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, তিস্তা নদীর ভাঙ্গনে বাস্ত হারা মানুষের মাথা গোজার ঠাঁই হিসাবে সরকার আশ্রয়ণ প্রকল্প চালু করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় কাপাসিয়া ইউনিয়নের ১০০ পরিবারের জন্য ভাটি কাপাসিয়া-২ নামক আশ্রয়ণ প্রকল্প নির্মাণ করা হয়। প্রকল্প নির্মিত হলে স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে নদীভাঙ্গন কবলিত পরিবার, প্রকৃত ভূমিহীন ও বাস্তহারা মানুষের মাঝে বন্টনের নিয়ম থাকলেও উপজেলা প্রশাসন, ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে বিত্তশালী পরিবার ও নিজ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বরাদ্দ দিয়েছেন। এতে করে প্রকৃত নদীভাঙ্গা অসহায় চরাঞ্চলের ছিন্নমূল মানুষ তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

সুন্দরগঞ্জে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বরাদ্দে অনিয়ম, প্রতিবাদে মানববন্ধন

প্রকাশের সময়: ০৫:৪৭:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২১

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় ভাটি কাপাসিয়া-২ আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এরই প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ জানুয়ারি) উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে প্রকৃত ভূমিহীন ও নদী ভাঙ্গন কবলিত পরিবারের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

ঘন্টাব্যাপী চলা মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী বীরমুক্তিযোদ্ধা ফজলার রহমান, সমাজসেবক আল শাহাদাৎ জামান জিকো,  ভুক্তভোগী জামিউল ইসলাম, সাজু মিয়াসহ আরও অনেকে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, তিস্তা নদীর ভাঙ্গনে বাস্ত হারা মানুষের মাথা গোজার ঠাঁই হিসাবে সরকার আশ্রয়ণ প্রকল্প চালু করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় কাপাসিয়া ইউনিয়নের ১০০ পরিবারের জন্য ভাটি কাপাসিয়া-২ নামক আশ্রয়ণ প্রকল্প নির্মাণ করা হয়। প্রকল্প নির্মিত হলে স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে নদীভাঙ্গন কবলিত পরিবার, প্রকৃত ভূমিহীন ও বাস্তহারা মানুষের মাঝে বন্টনের নিয়ম থাকলেও উপজেলা প্রশাসন, ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে বিত্তশালী পরিবার ও নিজ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বরাদ্দ দিয়েছেন। এতে করে প্রকৃত নদীভাঙ্গা অসহায় চরাঞ্চলের ছিন্নমূল মানুষ তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে।