বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জে থানায় সবজি চাষে মিটছে পুলিশের চাহিদা

করবো মোরা সবজি চাষ সুখে থাকবো বারোমাস এরকম চিত্র দেখা মিলেছে গাইবান্ধার সুন্দগঞ্জে থানা চত্বরে পতিত জমিতে সবজি চাষ করে চাহিদা মেটাচ্ছেন পুলিশ সদস্যরা।

থানার উত্তরপশ্চিম কোণে অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহিল -জামান পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে গড়ে তুলেছেন এই ক্ষেত।

ওসি (তদন্ত) বুলবুল ইসলাম বলেন, “পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অবসর সময়ে ওসি সারসহ অন্য পুলিশ সদস্যরা ক্ষেত পরিচর্যা করেন। প্রায় ৩০শতাংশ জমিতে ৩৫ ধরনের শাক-সবজি রয়েছে। বিষমুক্ত এবং সতেজ এসব শাক-সবজি দিয়ে থানার পুলিশ সদস্যরা চাহিদা মেটাচ্ছেন।”

ক্ষেতে গিয়ে দেখা গেছে, বেগুন, ফুলকপি,বাঁধাকপি, পেঁয়াজ,রসুন,মরিচ, করলা ,বিভিন্ন ধরনের শাক, হলুদ, আদা, টমেটো, আলুসহ প্রায় ৩৫ রকমের সবজি রয়েছে।

অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহিল -জামান বলেন, “এক ইঞ্চি জমি যেন অনাবাদি না থাকে, প্রধানমন্ত্রীর এমন নির্দেশনার পর পুলিশ সুপারের অনুপ্রেরণায় থানার পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ক্ষেতটি গড়ে তোলা হয়েছে।

“থানা ছাড়াও দেশের সরকারি-বেসরকারি সব অফিসের পতিত জমিতে এমন সবজিসহ ফলের বাগান গড়ে তোলা যায়।”

উপজেলা কৃষি অফিস থেকে তাদের পরামর্শ দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন ওসি আব্দুল্লাহিল -জামান।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ- রেজা-ই মাহমুদ বলেন“পুলিশের এই উদ্যোগ একটি দৃষ্টান্ত। আমাদের পক্ষ থেকে সবজির রোগবালাই ও পোকামাকড় দমনে বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হয়।

সুন্দরগঞ্জে থানায় সবজি চাষে মিটছে পুলিশের চাহিদা

প্রকাশের সময়: ০৫:৫৬:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২১

করবো মোরা সবজি চাষ সুখে থাকবো বারোমাস এরকম চিত্র দেখা মিলেছে গাইবান্ধার সুন্দগঞ্জে থানা চত্বরে পতিত জমিতে সবজি চাষ করে চাহিদা মেটাচ্ছেন পুলিশ সদস্যরা।

থানার উত্তরপশ্চিম কোণে অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহিল -জামান পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে গড়ে তুলেছেন এই ক্ষেত।

ওসি (তদন্ত) বুলবুল ইসলাম বলেন, “পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অবসর সময়ে ওসি সারসহ অন্য পুলিশ সদস্যরা ক্ষেত পরিচর্যা করেন। প্রায় ৩০শতাংশ জমিতে ৩৫ ধরনের শাক-সবজি রয়েছে। বিষমুক্ত এবং সতেজ এসব শাক-সবজি দিয়ে থানার পুলিশ সদস্যরা চাহিদা মেটাচ্ছেন।”

ক্ষেতে গিয়ে দেখা গেছে, বেগুন, ফুলকপি,বাঁধাকপি, পেঁয়াজ,রসুন,মরিচ, করলা ,বিভিন্ন ধরনের শাক, হলুদ, আদা, টমেটো, আলুসহ প্রায় ৩৫ রকমের সবজি রয়েছে।

অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহিল -জামান বলেন, “এক ইঞ্চি জমি যেন অনাবাদি না থাকে, প্রধানমন্ত্রীর এমন নির্দেশনার পর পুলিশ সুপারের অনুপ্রেরণায় থানার পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ক্ষেতটি গড়ে তোলা হয়েছে।

“থানা ছাড়াও দেশের সরকারি-বেসরকারি সব অফিসের পতিত জমিতে এমন সবজিসহ ফলের বাগান গড়ে তোলা যায়।”

উপজেলা কৃষি অফিস থেকে তাদের পরামর্শ দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন ওসি আব্দুল্লাহিল -জামান।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৈয়দ- রেজা-ই মাহমুদ বলেন“পুলিশের এই উদ্যোগ একটি দৃষ্টান্ত। আমাদের পক্ষ থেকে সবজির রোগবালাই ও পোকামাকড় দমনে বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হয়।