বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চিরিরবন্দরে গলায় ফাঁস দিয়ে মানসিক রোগীর আত্মহত্যা

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে মানসিক বিকারগ্রস্ত সৌরভ দাস সাজু (৩২) নামে এক যুবক শয়ন ঘরের ফ্যানের সাথে প্লাষ্টিকের দড়ি গলায় পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। সে উপজেলার আব্দুলপুর ইউনিয়নের দাসপাড়ার সুবাস চন্দ্র দাসের ছেলে এবং এক পুত্র সন্তানের জনক। এ ঘটনাটি গত ২৮ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ঘটেছে।
মৃত সাজুর স্ত্রী ফাল্গুনী রায় হোড় জানায়, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘুমের ঔষধ খেয়ে শয়ন ঘরের পাশে অন্য ঘরে ভেতর থেকে ছিটকিনি লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। রাতে অনেক ডাকাডাকি করেও তার কোন সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি। কখন এ ঘটনা ঘটেছে তা জানা যায়নি।
চিরিরবন্দর থানার মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এস আই শাহ আলম জানান, পরিবারের সংবাদ পেয়ে গতকাল ২৯ জানুয়ারি শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় ঘরের ভেন্টিলেটরসহ দেয়াল ভেঙ্গে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল করা হয়। তার শরীরের কোথাও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুব্রত কুমার সরকার জানান, চিকিৎসকের বিভিন্ন প্রেসক্রিপশন পর্যালোচনা করে দেখা যায় সে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল। পরিবারের কারো কোন আপত্তি না থাকায় মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের হয়েছে। ছবি আছে।

চিরিরবন্দরে গলায় ফাঁস দিয়ে মানসিক রোগীর আত্মহত্যা

প্রকাশের সময়: ০৩:৪৭:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২১

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে মানসিক বিকারগ্রস্ত সৌরভ দাস সাজু (৩২) নামে এক যুবক শয়ন ঘরের ফ্যানের সাথে প্লাষ্টিকের দড়ি গলায় পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। সে উপজেলার আব্দুলপুর ইউনিয়নের দাসপাড়ার সুবাস চন্দ্র দাসের ছেলে এবং এক পুত্র সন্তানের জনক। এ ঘটনাটি গত ২৮ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ঘটেছে।
মৃত সাজুর স্ত্রী ফাল্গুনী রায় হোড় জানায়, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘুমের ঔষধ খেয়ে শয়ন ঘরের পাশে অন্য ঘরে ভেতর থেকে ছিটকিনি লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। রাতে অনেক ডাকাডাকি করেও তার কোন সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি। কখন এ ঘটনা ঘটেছে তা জানা যায়নি।
চিরিরবন্দর থানার মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এস আই শাহ আলম জানান, পরিবারের সংবাদ পেয়ে গতকাল ২৯ জানুয়ারি শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় ঘরের ভেন্টিলেটরসহ দেয়াল ভেঙ্গে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল করা হয়। তার শরীরের কোথাও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুব্রত কুমার সরকার জানান, চিকিৎসকের বিভিন্ন প্রেসক্রিপশন পর্যালোচনা করে দেখা যায় সে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল। পরিবারের কারো কোন আপত্তি না থাকায় মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের হয়েছে। ছবি আছে।