মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় কাঁদা মাটিতে রোপন করতে শুরু করেছে বোরো ধানের চারা

মাঘের হাড়কাঁপানো শীতকে উপক্ষা করে গাইবান্ধায় কাঁদা মাটিতে রোপন করতে শুরু করেছে বোরো ধানের চারা। জেলায় লক্ষাধিক হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্র নিয়ে ইতোমধ্যে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে কৃষকরা।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) গাইবান্ধার বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যায় বোরো ধানচারা রোপনের চিত্র। এসময় চরম ব্যবস্ত সময় পার করছিলেন কৃষকরা। যেন দম ফেলানোর ফুসরত নেই তাদের।

কৃষি বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে গাবান্ধার ৭ উপজেলায় এক লাখ ২৫ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে প্রায় পৌনে এক লাখ হেক্টর অর্জন হয়েছে।

কৃষক কবির উদ্দিন জানান, গত বছর বয়ে গেছে ভয়াবহ বন্যা। এতে কৃষি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এসব ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ইতোমধ্যে ২ একর জমিতে ধান চারা রোপন করা হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় বেশী রয়েছে।

আরেক কৃষক জলিল উদ্দিন জানান, কৃষি বিভাগের সহযোগিতা পেলে এবং আবহাওয়া অনুকুল থাকলে অধিক ফলন ঘরে তোলার আশা করা হচ্ছে। তবে সার-কীটনাশসক ও ডিজেল দাম উর্ধগতিসহ বিদ্যুতের ঘনঘন লোডসেডিং নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছি।

গাইবান্ধা কৃষি বিভাগের উপ পরিচালক মাসুদুর রহমান জানান, চলতি বোরো মৌসুমে ভালো ফসল অর্জনের জন্য কৃষকদের প্রণোদনা দেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সার্বিক পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।

 

 

জনপ্রিয়

গাইবান্ধায় কাঁদা মাটিতে রোপন করতে শুরু করেছে বোরো ধানের চারা

প্রকাশের সময়: ০৬:৩৯:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২১

মাঘের হাড়কাঁপানো শীতকে উপক্ষা করে গাইবান্ধায় কাঁদা মাটিতে রোপন করতে শুরু করেছে বোরো ধানের চারা। জেলায় লক্ষাধিক হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্র নিয়ে ইতোমধ্যে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে কৃষকরা।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) গাইবান্ধার বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যায় বোরো ধানচারা রোপনের চিত্র। এসময় চরম ব্যবস্ত সময় পার করছিলেন কৃষকরা। যেন দম ফেলানোর ফুসরত নেই তাদের।

কৃষি বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে গাবান্ধার ৭ উপজেলায় এক লাখ ২৫ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে প্রায় পৌনে এক লাখ হেক্টর অর্জন হয়েছে।

কৃষক কবির উদ্দিন জানান, গত বছর বয়ে গেছে ভয়াবহ বন্যা। এতে কৃষি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এসব ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ইতোমধ্যে ২ একর জমিতে ধান চারা রোপন করা হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় বেশী রয়েছে।

আরেক কৃষক জলিল উদ্দিন জানান, কৃষি বিভাগের সহযোগিতা পেলে এবং আবহাওয়া অনুকুল থাকলে অধিক ফলন ঘরে তোলার আশা করা হচ্ছে। তবে সার-কীটনাশসক ও ডিজেল দাম উর্ধগতিসহ বিদ্যুতের ঘনঘন লোডসেডিং নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছি।

গাইবান্ধা কৃষি বিভাগের উপ পরিচালক মাসুদুর রহমান জানান, চলতি বোরো মৌসুমে ভালো ফসল অর্জনের জন্য কৃষকদের প্রণোদনা দেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সার্বিক পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।