ভোটারদের উৎসবের আমেজ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দরজায় কড়া নারছে। এখনো আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হয়নি নির্বাচনের কার্যক্রম। তবে সম্ভাব্য প্রার্থীরা প্রচার প্রচারণা শুরু করেছেন। দীর্ঘ দিনের উঠান বৈঠক, শুভেচ্ছা বিনিময়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
পোস্টারে ছেয়ে গেছে ইউনিয়নের বিভিন্ন হাট বাজার থেকে অলি গলি।সবচেয়ে বেশি প্রচারণা চালাচ্ছেন নৌকা ও লাঙ্গল প্রত্যাশীরা। কে পাবেন এই প্রতীক তা নিয়ে বিভিন্ন কল্পনা-জল্পনা।
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১৫ টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের জন্য সম্ভাব্য প্রার্থীরা এখন মাঠ চুষে বেড়াচ্ছেন। ভোটাররা এখনই আলোচনা শুরু করেছেন।সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১ নং বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে এলাকার ভোটারদের কাছে এবার জনপ্রিয় উঠেছে ইউনিয়নের জহুরুল হাট হাজী এলাহী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব জহুরুল ইসলাম বাদশা।
তিনি বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের দেওডোবা গ্রামের হাজী এলাহী বকস্ এর ছেলে। ছাত্র জীবন থেকেই তিনি জাতীয় পার্টি রাজনীতির সাথে জড়িত আছেন। তিনি এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড, মহামারী করোনা ভাইরাস কালীন সময়ে হত-দরিদ্র জনগণকে বিভিন্ন ভাবে সাহায্য সহযোগীতা করে সকলের প্রাণ ছুয়েছেন।এরই মধ্যে নির্বাচন নিয়ে বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকার চা দোকান থেকে শুরু করে প্রতিটি অলি গলিতে চলছে আলোচনা-পর্যালোচনা। এলাকাবাসীরা জানান, জহুরুল ইসলাম বাদশা অনেক সৎ এবং পরোপোকারী। তার মতো মিষ্টভাষী, সৎ ও ন্যায় পরায়ণ একজন ব্যক্তিকে বামনডাঙ্গা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হিসেবে বড় প্রয়োজন। তারা আরো বলেন, তিনি প্রধান শিক্ষক হিসেবেও অনেক সুনাম কুরিয়েছেন।
এছাড়াও তারা জহুরুল ইসলাম বাদশাকে যোগ্য ও নির্লোভ একজন চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে তারা মনে করেন। চেয়ারম্যান প্রার্থী জহুরুল ইসলাম বাদশা জাগো২৪.নেট-কে বলেন, মহামারী করোনাকালীন সময়ে জনপ্রতিনিধি না হয়েও এলাকার একজন সাধারণ মানুষ হয়েও আমি ইউনিয়নের দোর গোড়ায় গিয়েও বিভিন্ন সাহায্য সহযোগীতা করেছি। বিপদে-আপদে পাশে এছাড়াও এলাকার তরুণ সমাজের নানা রকম খেলাধুলায় অতিথি হিসেবেও অংশ গ্রহণ করেছি। সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী।
বিপুল ইসলাম আকাশ, করেসপন্ডেন্ট জাগো২৪.নেট, সুন্দরগঞ্জ, (গাইবান্ধা) 












