সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চিরিরবন্দরে নারীকে শ্বাসরোধে হত্যা, যুবক আটক

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে প্রেমের সম্পর্কের জেরে স্বামী পরিত্যক্তা আইরিন আক্তার আলো (২০) নামে এক নারীকে হাত-পা বেঁধে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করে ড্রেনে ফেলে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় মূল হত্যাকারী শাহাজুল ইসলাম তারিফ নামে এক যুবককে আটক করেছে থানা পুলিশ। গত ১৭ অক্টোবর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার ময়দানদিঘী এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। আটককৃত সেনাসদস্য শাহাজুল ইসলাম তারিফ পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার ঝলঝলি এলাকার মো. আনারুল ইসলামের ছেলে এবং হত্যার শিকার আইরিন আক্তার আলো চিরিরবন্দর উপজেলার নশরতপুর ইউনিয়নের নদীরপাড় এলাকার মো. আলম হোসেনের মেয়ে।
পুলিশ জানায়, হত্যার শিকার আইরিন আক্তার আলো স্বামী পরিত্যক্তা ছিলেন। মুঠোফোনের মাধ্যমে সেনাসদস্য শাহাজুল ইসলাম তারিফের সাথে আলোর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ঘনঘন বিয়ের চাপ দিতে থাকায় এ নিয়ে আলো ও শাহাজুলের পরিবারের মধ্যে কয়েকদফা সালিশ বৈঠকও হয়। এ ঘটনায় নিহতের পিতা আলম হোসেন বাদী হয়ে চিরিরবন্দর থানায় ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং ২০, তারিখ ১৬-১০-২০২৩। এ ঘটনায় পুলিশ হত্যাকারী শাহাজুল ইসলাম তারিফকে আটক করে।
নিহতের স্বজনরা জানান, গত ১৫ অক্টোবর রবিবার রাতে আলো পার্শ্ববর্তী চাচার বাড়িতে পিকনিক খেতে যায়। রাত গভীর হলেও আলো বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। পরদিন ১৬ অক্টোবর সোমবার সকাল আনুমানিক সাড়ে ৬টায় রানীরবন্দরের সমিতির ডাঙ্গার পূর্বপাশে ড্রেনের মধ্যে এক নারীর মরদেহ দেখতে পেয়ে থানা পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।
চিরিরবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বজলুর রশিদ বলেন, এটি একটি ক্লুলেস হত্যাকান্ড ছিল। বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামীকে শনাক্ত করে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে সে আক্রোশের বশে হত্যাকান্ডটি ঘটিয়েছে বলে স্বীকার করেছে। তাকে গত ১৮ অক্টোবর বুধবার সন্ধ্যার পূর্বে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

চিরিরবন্দরে নারীকে শ্বাসরোধে হত্যা, যুবক আটক

প্রকাশের সময়: ০৬:২৯:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৩
দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে প্রেমের সম্পর্কের জেরে স্বামী পরিত্যক্তা আইরিন আক্তার আলো (২০) নামে এক নারীকে হাত-পা বেঁধে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করে ড্রেনে ফেলে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় মূল হত্যাকারী শাহাজুল ইসলাম তারিফ নামে এক যুবককে আটক করেছে থানা পুলিশ। গত ১৭ অক্টোবর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার ময়দানদিঘী এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। আটককৃত সেনাসদস্য শাহাজুল ইসলাম তারিফ পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার ঝলঝলি এলাকার মো. আনারুল ইসলামের ছেলে এবং হত্যার শিকার আইরিন আক্তার আলো চিরিরবন্দর উপজেলার নশরতপুর ইউনিয়নের নদীরপাড় এলাকার মো. আলম হোসেনের মেয়ে।
পুলিশ জানায়, হত্যার শিকার আইরিন আক্তার আলো স্বামী পরিত্যক্তা ছিলেন। মুঠোফোনের মাধ্যমে সেনাসদস্য শাহাজুল ইসলাম তারিফের সাথে আলোর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ঘনঘন বিয়ের চাপ দিতে থাকায় এ নিয়ে আলো ও শাহাজুলের পরিবারের মধ্যে কয়েকদফা সালিশ বৈঠকও হয়। এ ঘটনায় নিহতের পিতা আলম হোসেন বাদী হয়ে চিরিরবন্দর থানায় ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং ২০, তারিখ ১৬-১০-২০২৩। এ ঘটনায় পুলিশ হত্যাকারী শাহাজুল ইসলাম তারিফকে আটক করে।
নিহতের স্বজনরা জানান, গত ১৫ অক্টোবর রবিবার রাতে আলো পার্শ্ববর্তী চাচার বাড়িতে পিকনিক খেতে যায়। রাত গভীর হলেও আলো বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। পরদিন ১৬ অক্টোবর সোমবার সকাল আনুমানিক সাড়ে ৬টায় রানীরবন্দরের সমিতির ডাঙ্গার পূর্বপাশে ড্রেনের মধ্যে এক নারীর মরদেহ দেখতে পেয়ে থানা পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।
চিরিরবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বজলুর রশিদ বলেন, এটি একটি ক্লুলেস হত্যাকান্ড ছিল। বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামীকে শনাক্ত করে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে সে আক্রোশের বশে হত্যাকান্ডটি ঘটিয়েছে বলে স্বীকার করেছে। তাকে গত ১৮ অক্টোবর বুধবার সন্ধ্যার পূর্বে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।