শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অনাবাদি জমিতে ধান উৎপাদন স্লুইস গেট নির্মাণের দাবি কৃষকদের

পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার ৩নং দেউলবাড়ী দোবড়া  ইউনিয়নের দেউলবাড়ী গ্রামের রওযাতুল উলুম কওমী মাদরাসা থেকে জসিমাবাদ মাদ্রাসা সংলগ্ন পশ্চিম পাড় পর্যন্ত প্রায় ৫শত বিঘা এই বিলটি এক সময় অনাবাদি থাকত।
পুরো বছর জুড়ে সেখানে দেখা মিলত টোপা পেনা, কচুরিপানা ও হোগলা পাতার।   কিন্তু স্থানীয় জমির মালিক, কৃষক ও সাবেক ইউপি সদস্য ইব্রাহিম গাজীর  সম্মিলিত উদ্যোগে নিজেস্ব অর্থায়নে জলাবদ্ধতা ও লবণ পানির প্রবেশ বন্ধ করতে প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে ধান চাষ করা হয়েছে অনাবাদি এই জমিতে। চাষের আওতায় আসা জমিতে ধান উৎপাদনের পাশাপাশি ঘেরের পাড়ে  শিম, শসা, মূলা, কফিসহ বিভিন্ন সবজির বাম্পার ফলন হয়েছে। ফলে লাভবান হচ্ছেন প্রায় দুই শতাধিক  কৃষক ও জমির মালিকরা। জানা গেছে,প্রায় ৩০বছর ধরে এজমিগুলো অনাবাদি ছিল।
স্থানীয় কৃষক মো. নুরে আলম বলেন,একসময় লবণ পানি ও জলাবদ্ধতার জন্য আমাদের এই জমিতে  কিছুই করতে পারতাম না।
  আমরা কৃষকরা মিলে জলাবদ্ধতা নিরসনে  বাঁধ দিয়েছি। এখানে আর অতিরিক্ত পানি প্রবেশ করে না। এখন আমরা ধানসহ সবকিছু চাষ করতে পারি।
রফিকুল ইসলাম  নামের আরেক কৃষক বলেন বেড়িবাঁধ নির্মাণে চাষিদের বিশাল উপকার হয়েছে। ধান, ও সবজি চাষ  সবকিছুর খুব ভাল ফলন হয়েছে।এবং মৎস্য উৎপাদনে করতে সক্ষম হয়েছি। তাছাড়া বেড়িবাঁধের কারণে ছাত্র ছাত্রীদের স্কুল মাদ্রাসায় যেতে সুবিধা হচ্ছে।
কৃষি উদ্যোক্তা ইব্রাহিম গাজী বলেন, প্রথমে অনাবাদি ও পতিত জমি চাষের আওতায় আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। বেড়িবাঁধটি ২০১৯সালে স্হানীয় একশত কৃষকদের সদস্য করে সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে নির্মাণ করা হয়।
আমার খুবই ভালো ভাবে ফসল উৎপাদন করতে পারছি।এখন যদি সরকারি সহায়তায় স্লুইস গেট নির্মাণের বরাদ্দ পাই তাহলে ফসল উৎপাদনে সেচ ব্যবস্থায় খুবই উপকৃত হতাম।
এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইসরাতুন্নেছা এশা জাগো২৪.নেট-কে বলেন,স্লুিইচগেটের জন্য বিএডিসি বরাবর আবেদন করার জন্য পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

অনাবাদি জমিতে ধান উৎপাদন স্লুইস গেট নির্মাণের দাবি কৃষকদের

প্রকাশের সময়: ০৫:২৮:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার ৩নং দেউলবাড়ী দোবড়া  ইউনিয়নের দেউলবাড়ী গ্রামের রওযাতুল উলুম কওমী মাদরাসা থেকে জসিমাবাদ মাদ্রাসা সংলগ্ন পশ্চিম পাড় পর্যন্ত প্রায় ৫শত বিঘা এই বিলটি এক সময় অনাবাদি থাকত।
পুরো বছর জুড়ে সেখানে দেখা মিলত টোপা পেনা, কচুরিপানা ও হোগলা পাতার।   কিন্তু স্থানীয় জমির মালিক, কৃষক ও সাবেক ইউপি সদস্য ইব্রাহিম গাজীর  সম্মিলিত উদ্যোগে নিজেস্ব অর্থায়নে জলাবদ্ধতা ও লবণ পানির প্রবেশ বন্ধ করতে প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে ধান চাষ করা হয়েছে অনাবাদি এই জমিতে। চাষের আওতায় আসা জমিতে ধান উৎপাদনের পাশাপাশি ঘেরের পাড়ে  শিম, শসা, মূলা, কফিসহ বিভিন্ন সবজির বাম্পার ফলন হয়েছে। ফলে লাভবান হচ্ছেন প্রায় দুই শতাধিক  কৃষক ও জমির মালিকরা। জানা গেছে,প্রায় ৩০বছর ধরে এজমিগুলো অনাবাদি ছিল।
স্থানীয় কৃষক মো. নুরে আলম বলেন,একসময় লবণ পানি ও জলাবদ্ধতার জন্য আমাদের এই জমিতে  কিছুই করতে পারতাম না।
  আমরা কৃষকরা মিলে জলাবদ্ধতা নিরসনে  বাঁধ দিয়েছি। এখানে আর অতিরিক্ত পানি প্রবেশ করে না। এখন আমরা ধানসহ সবকিছু চাষ করতে পারি।
রফিকুল ইসলাম  নামের আরেক কৃষক বলেন বেড়িবাঁধ নির্মাণে চাষিদের বিশাল উপকার হয়েছে। ধান, ও সবজি চাষ  সবকিছুর খুব ভাল ফলন হয়েছে।এবং মৎস্য উৎপাদনে করতে সক্ষম হয়েছি। তাছাড়া বেড়িবাঁধের কারণে ছাত্র ছাত্রীদের স্কুল মাদ্রাসায় যেতে সুবিধা হচ্ছে।
কৃষি উদ্যোক্তা ইব্রাহিম গাজী বলেন, প্রথমে অনাবাদি ও পতিত জমি চাষের আওতায় আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। বেড়িবাঁধটি ২০১৯সালে স্হানীয় একশত কৃষকদের সদস্য করে সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে নির্মাণ করা হয়।
আমার খুবই ভালো ভাবে ফসল উৎপাদন করতে পারছি।এখন যদি সরকারি সহায়তায় স্লুইস গেট নির্মাণের বরাদ্দ পাই তাহলে ফসল উৎপাদনে সেচ ব্যবস্থায় খুবই উপকৃত হতাম।
এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইসরাতুন্নেছা এশা জাগো২৪.নেট-কে বলেন,স্লুিইচগেটের জন্য বিএডিসি বরাবর আবেদন করার জন্য পরামর্শ দেয়া হয়েছে।