বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে “একবেলা আহার” এর খাদ্য সামগ্রী পেয়ে খুশি দুস্থরা

কুড়িগ্রামে অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে রমজান মাস উপলক্ষ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন “একবেলা আহার

শুক্রবার (২২ মার্চ) দুপুরে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁচগাছী ইউনিয়নে প্রায় অর্ধশত দুস্থ ও অসহায় মানুষকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে সেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনটি।

অসহায় মানুষের জন্য খাদ্য সামগ্রী হিসেবে ছিল ১০ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ৩ কেজি আলু, আধা কেজি পিঁয়াজ, ১ কেজি মুড়ি, ১ লিটার তেল, আধা কেজি চিনি, ৩ কেজি ছোলা ও ১ কেজি লবণ। রমজান মাসে এসব সামগ্রী পেয়ে আনন্দিত হয়েছেন তারা।

 

খাদ্য সামগ্রী পেয়ে কমলা বেওয়া জানান, আমরাগরীর মানুষ কোন দিন এতগুলো বাজার একদিনে করতে পারি নাই।আজ এক সাথে প্রায় ১০ দিনের খাবার উপহার পেলাম।খুব ভালো হলো।দুআ করি সবাই ভালো থাকুক।

একবেলা আহারের সেচ্ছাসেবক মোঃ জুয়েল রানা বলেন, “একবেলা আহার” একটি সেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন। গত চার বছর ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কাজ করে চলেছে। এরই ধারাবাহিকতায় কুড়িগ্রামেও বিভিন্ন সময়ে দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে দাড়িয়েছে। আজ পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে নিত্যান্তই একদম অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলাম।

আয়োজনের সমন্বয়কারী মোহাম্মদ রেদওয়ান আতিক জাগো২৪.নেট-কে জানান, আমরা খুবই স্বল্প পরিসরে অল্পকিছু মানুষকে সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করছি। এই রমজান মাসে প্রায় ৫০ টি পরিবারের পাশে থাকার সমান্য চেষ্টা।। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারনে অনেকেই কষ্টে রয়েছেন।।

আমরা আমাদের পক্ষ থেকে যতটুকু সম্ভব চেষ্টা করেছি। এজন্য আমাদের বন্ধু-বান্ধবসহ অনেকে সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন।

তিনি জানান, এক বেলা আহার ধারাবাহিকভাবে সমাজের পিছিয়ে পড়া ও সমাজের অবহেলিত মানুষের পাশে সামান্য হলেও পাশে থাকার চেষ্টা করেছে।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  সুমন রেজা, একবেলা আহারের সেচ্ছাসেবক ও সাংবাদিক জুয়েল রানা, স্থানীয় শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেন, মকবুল হোসেন ও শিক্ষক মোজাফফর হোসেনসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।

কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন রেজা জাগো২৪.নেট-কে বলেন, একবেলা আহার কুড়িগ্রামের একটি প্রত্যান্ত এলাকায় এসে এই রমজান মাসে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলো এটা অবশ্যই তারা প্রশংসার দাবি রাখে। এরকম মানবিক কাজ যারাই করুন না কেন কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ তাদের পাশে থাকবে।

কুড়িগ্রামে “একবেলা আহার” এর খাদ্য সামগ্রী পেয়ে খুশি দুস্থরা

প্রকাশের সময়: ০৫:৪১:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০২৪

কুড়িগ্রামে অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে রমজান মাস উপলক্ষ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন “একবেলা আহার

শুক্রবার (২২ মার্চ) দুপুরে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁচগাছী ইউনিয়নে প্রায় অর্ধশত দুস্থ ও অসহায় মানুষকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে সেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনটি।

অসহায় মানুষের জন্য খাদ্য সামগ্রী হিসেবে ছিল ১০ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ৩ কেজি আলু, আধা কেজি পিঁয়াজ, ১ কেজি মুড়ি, ১ লিটার তেল, আধা কেজি চিনি, ৩ কেজি ছোলা ও ১ কেজি লবণ। রমজান মাসে এসব সামগ্রী পেয়ে আনন্দিত হয়েছেন তারা।

 

খাদ্য সামগ্রী পেয়ে কমলা বেওয়া জানান, আমরাগরীর মানুষ কোন দিন এতগুলো বাজার একদিনে করতে পারি নাই।আজ এক সাথে প্রায় ১০ দিনের খাবার উপহার পেলাম।খুব ভালো হলো।দুআ করি সবাই ভালো থাকুক।

একবেলা আহারের সেচ্ছাসেবক মোঃ জুয়েল রানা বলেন, “একবেলা আহার” একটি সেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন। গত চার বছর ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কাজ করে চলেছে। এরই ধারাবাহিকতায় কুড়িগ্রামেও বিভিন্ন সময়ে দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে দাড়িয়েছে। আজ পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে নিত্যান্তই একদম অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলাম।

আয়োজনের সমন্বয়কারী মোহাম্মদ রেদওয়ান আতিক জাগো২৪.নেট-কে জানান, আমরা খুবই স্বল্প পরিসরে অল্পকিছু মানুষকে সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করছি। এই রমজান মাসে প্রায় ৫০ টি পরিবারের পাশে থাকার সমান্য চেষ্টা।। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারনে অনেকেই কষ্টে রয়েছেন।।

আমরা আমাদের পক্ষ থেকে যতটুকু সম্ভব চেষ্টা করেছি। এজন্য আমাদের বন্ধু-বান্ধবসহ অনেকে সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন।

তিনি জানান, এক বেলা আহার ধারাবাহিকভাবে সমাজের পিছিয়ে পড়া ও সমাজের অবহেলিত মানুষের পাশে সামান্য হলেও পাশে থাকার চেষ্টা করেছে।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  সুমন রেজা, একবেলা আহারের সেচ্ছাসেবক ও সাংবাদিক জুয়েল রানা, স্থানীয় শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেন, মকবুল হোসেন ও শিক্ষক মোজাফফর হোসেনসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।

কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন রেজা জাগো২৪.নেট-কে বলেন, একবেলা আহার কুড়িগ্রামের একটি প্রত্যান্ত এলাকায় এসে এই রমজান মাসে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলো এটা অবশ্যই তারা প্রশংসার দাবি রাখে। এরকম মানবিক কাজ যারাই করুন না কেন কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ তাদের পাশে থাকবে।