বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্ত্রীকে বাঁচাতে রিকশা চালক স্বামীর আকুতি

দরিদ্র পরিবারের গৃহবধূ মনজুরানী বেগম (৪৫)। নিজে ঝিয়ের কাজ ও স্বামী লিটন মিয়া রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন। এরই মধ্যে মনজুরানী ক্যানসার আক্রান্ত হন। এক বছরের বেশি সময় ধরে চিকিৎসেবায় নিঃস্ব পরিবারটি। এখন অর্থাভাবে বন্ধ রয়েছে চিকিৎসা। তাই দানশীল বা বিত্তবানদের কাছে স্ত্রীকে বাঁচাতে আকুতি জানিয়েছেন লিটন মিয়া।

ক্যানসার আক্রান্ত মনজুরানীর বাড়ি গাইবান্ধা পৌর শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ধানঘড়া (মিয়াবাড়ী মসজিদ সংলগ্ন) গ্রামে।

স্বজনরা জানায়, মনজুরানীর স্বামী অত্যান্ত গরীব মানুষ। দুই সন্তান নিয়ে খুবই কষ্টে দিনাতিপাত করছেন। স্বামী লিটন মিয়া একদিন রিকশা নিয়ে বের না হলে পেটে ভাত জোটে না তাদের। এরই একপর্যায়ে এক বছর আগে মনজুরানীর  মুখের ভেতর হঠাৎ দাঁতের কামড়ে ফোস্কা সৃষ্টি হয়। এরপর প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা নিয়ে রংপুরের ক্যানসার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. গোলাম রব্বানী ও বগুড়ার ডা. আনিছুর রহমানের পরীক্ষা-নিরীক্ষায় মনজুরানীর ক্যানসার নিশ্চিত করেছেন। তারা জরুরি অপারেশনের পরামর্শ দিয়েছেন। এতে প্রায় ৩ লক্ষাধিক টাকার প্রয়োজন।  কিন্তু এতো টাকা যোগার করা অসম্ভব পরিবারটির।

এ বিষয়ে স্বামী লিটন মিয়া বলেন, ইতোমধ্যে মনজুরানীর চিকিৎসেবায় প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকা খরচ হয়েছে। এসব টাকা বিভিন্ন আত্নীয়-স্বজনের কাছ থেকে ধারদেনা করেছি। নিজের সহায় সম্বল কিছুই নেই। এ অবস্থায় স্ত্রীর অপারেশন করাও জরুরি। কিন্তু টাকা পাবো কোথায়। তাই দেশের মানবিক ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানে নিকট সহযোগিতা কামনা করছি। আমার মেয়ে লিপি বেগমের বিকাশ ও নগদ নম্বর ০১৭১৭৪১৭৯২২।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা পৌর সভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কামাল হোসেন বলেন, মনজুরানীর অসুস্থের বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে সহযোগিতার চেষ্টা করা হবে।

 

স্ত্রীকে বাঁচাতে রিকশা চালক স্বামীর আকুতি

প্রকাশের সময়: ০৩:৩৯:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মার্চ ২০২৪

দরিদ্র পরিবারের গৃহবধূ মনজুরানী বেগম (৪৫)। নিজে ঝিয়ের কাজ ও স্বামী লিটন মিয়া রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন। এরই মধ্যে মনজুরানী ক্যানসার আক্রান্ত হন। এক বছরের বেশি সময় ধরে চিকিৎসেবায় নিঃস্ব পরিবারটি। এখন অর্থাভাবে বন্ধ রয়েছে চিকিৎসা। তাই দানশীল বা বিত্তবানদের কাছে স্ত্রীকে বাঁচাতে আকুতি জানিয়েছেন লিটন মিয়া।

ক্যানসার আক্রান্ত মনজুরানীর বাড়ি গাইবান্ধা পৌর শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ধানঘড়া (মিয়াবাড়ী মসজিদ সংলগ্ন) গ্রামে।

স্বজনরা জানায়, মনজুরানীর স্বামী অত্যান্ত গরীব মানুষ। দুই সন্তান নিয়ে খুবই কষ্টে দিনাতিপাত করছেন। স্বামী লিটন মিয়া একদিন রিকশা নিয়ে বের না হলে পেটে ভাত জোটে না তাদের। এরই একপর্যায়ে এক বছর আগে মনজুরানীর  মুখের ভেতর হঠাৎ দাঁতের কামড়ে ফোস্কা সৃষ্টি হয়। এরপর প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা নিয়ে রংপুরের ক্যানসার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. গোলাম রব্বানী ও বগুড়ার ডা. আনিছুর রহমানের পরীক্ষা-নিরীক্ষায় মনজুরানীর ক্যানসার নিশ্চিত করেছেন। তারা জরুরি অপারেশনের পরামর্শ দিয়েছেন। এতে প্রায় ৩ লক্ষাধিক টাকার প্রয়োজন।  কিন্তু এতো টাকা যোগার করা অসম্ভব পরিবারটির।

এ বিষয়ে স্বামী লিটন মিয়া বলেন, ইতোমধ্যে মনজুরানীর চিকিৎসেবায় প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকা খরচ হয়েছে। এসব টাকা বিভিন্ন আত্নীয়-স্বজনের কাছ থেকে ধারদেনা করেছি। নিজের সহায় সম্বল কিছুই নেই। এ অবস্থায় স্ত্রীর অপারেশন করাও জরুরি। কিন্তু টাকা পাবো কোথায়। তাই দেশের মানবিক ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানে নিকট সহযোগিতা কামনা করছি। আমার মেয়ে লিপি বেগমের বিকাশ ও নগদ নম্বর ০১৭১৭৪১৭৯২২।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা পৌর সভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কামাল হোসেন বলেন, মনজুরানীর অসুস্থের বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে সহযোগিতার চেষ্টা করা হবে।