লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের বুড়িরহাট সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে মুরুলী চন্দ্র নামে এক বাংলাদেশী যুবক নিহত হয়েছে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছে আরো দুইজন।
শনিবার (৩০ মার্চ) ভোরে কালীগঞ্জ উপজেলার বুড়িরহাট সীমান্ত পিলার ৯১৩/৪ এস এর কাছে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত মুরুলী চন্দ্র উপজেলার চন্দ্রপুরের উত্তর বালাপাড়া গ্রামের সুশীল চন্দ্রের ছেলে।
জানা যায়, ভোরে সীমান্ত পিলার ৯১৩/৪ এস এর বেলতলা নামক এলাকায় বাংলাদেশী কয়েকজন যুবক গরু পারাপারের জন্য প্রবেশ করে। ঐ সময় ভারতের ৭৫/চিত্রাকোট বিএসএফ ক্যাম্পের টহল দল তাদেরকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোঁরে। এতে ঘটনাস্থলেই মুরুলী চন্দ্র নামে এক বাংলাদেশী যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়।
এ সময় মিজানুর রহমান ও লিটন মিয়া নামে আরো দু’জন আহত হয়। গুলিবিদ্ধ দুইজন কালীগঞ্জ থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছে। নিহত মুরুলীর মরদেহ কালীগঞ্জ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তারা সবাই উপজেলার চন্দ্রপুর সীমান্ত এলাকার বাসিন্দা।
নিহত মুরুলীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে কালীগঞ্জ থানায় ভিড় জমায় সাধারণ জনতা। এদিকে মুরুলীর পরিবারে চলছে শোকের মাতম কান্নায় বারবার মুচ্ছা যাচ্ছে মুরুলীর শিশু কন্যা ও স্ত্রী।
কালীগঞ্জ থানার ওসি ইমতিয়াজ কবীর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গুলিবিদ্ধ এক ব্যক্তির মরদেহ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।
এর আগে ২৬ মার্চ রাতে উপজেলার দুর্গাপুর সীমান্তের ৯২৩ মেইন পিলারের কাছে গুলিবিদ্ধ হয় লিটন নামে এক বাংলাদেশী যুবক। পরে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী আহত লিটন কে ভারতের কুচবিহারের এমজেএম হাসপাতালে ভর্তি করান সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় লিটন মারা যায়। বিএসএফ ঘটনার দুইদিন পর হাতীবান্ধা উপজেলার জাওরানী সীমান্তে তার মরদেহ ফেরত দেয়।
শাহজাহান সাজু, ডিষ্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, লালমনিরহাট 

















