শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটে পুনরায় ভোট গণনার দাবিতে জামায়াত প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; captureOrientation: 0; brp_mask:0; brp_del_th:null; brp_del_sen:null; delta:null; module: video;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: null;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: off;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: null;temperature: 40;

লালমনিরহাট-২ (আদিতমারী-কালীগঞ্জ) আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গণনায় ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন জামায়াত ইসলামী মনোনীত ও ১১ দল সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফিরোজ হায়দার (লাভলু)। নির্বাচনী ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে ওই আসনের সব কেন্দ্রের ভোট পূর্ণাঙ্গভাবে পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় আদিতমারী উপজেলার সাপ্টিবাড়ী এলাকার গিলাবাড়ীতে নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই দাবি জানান।

এর আগে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) লালমনিরহাট রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছে এ বিষয়ে একটি লিখিত আবেদন জমা দেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে ফিরোজ হায়দার লাভলু অভিযোগ করেন, ভোট গণনার সময় একাধিক কেন্দ্রে ফলাফলে চরম অসঙ্গতি দেখা গেছে। তিনি বলেন, প্রাপ্ত ফলাফলের সঙ্গে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের সরবরাহ করা বিবরণী ও গণনাপত্রের কোনো মিল নেই। অনেক কেন্দ্রে ফলাফল ঘোষণায় উদ্দেশ্যমূলক বিলম্ব করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে তিনি আরও উল্লেখ করেন, আদিতমারী ও কালীগঞ্জ উপজেলার ভেলাবাড়ি, দুর্গাপুর, কমলাবাড়ি ও গোড়োল ইউনিয়নসহ বিভিন্ন কেন্দ্রে বিকেল সাড়ে ৫টার পর থেকে গণনায় অনিয়ম শুরু হয়। এ সময় তার নির্বাচনী এজেন্টদের সঙ্গে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অসহযোগিতামূলক আচরণ করেন বলে তিনি দাবি করেন।

জামায়াত প্রার্থীর আরও অভিযোগ, কিছু কেন্দ্রে অস্বাভাবিক হারে ভোট বাতিল দেখানো হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে ফলাফল শিটে এজেন্টদের কাছ থেকে আগাম স্বাক্ষর নেওয়া হলেও পরে তাদের স্বাক্ষরবিহীন শিট দেওয়া হয়েছে। এমনকি গণনার সময় ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের ব্যালট অন্য প্রতীকের বান্ডিলে ঢুকিয়ে দেওয়ার মতো গুরুতর ঘটনাও ঘটেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।

ফিরোজ হায়দার বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে পুনরায় ভোট গণনা করা হলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে এই আসনের সব কেন্দ্রের কাস্টিং ভোট পুনরায় গণনা করা জরুরি।

নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ভোটের পর থেকেই বিভিন্ন এলাকায় দাঁড়িপাল্লার সমর্থকদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে। আমরা এসব হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে নামতে বাধ্য হব।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন— জেলা জামায়াতের আসন পরিচালক হাবিবুর রহমান, সাবেক জেলা আমির আবদুল বাতেন, জেলা জামায়াতের সদস্য সচিব আলাউল ইসলাম ফাতেমী ও আদিতমারী উপজেলা থানা আমির হায়দার আলী প্রমুখ।

লালমনিরহাটে পুনরায় ভোট গণনার দাবিতে জামায়াত প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশের সময়: ০৬:৫৫:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

লালমনিরহাট-২ (আদিতমারী-কালীগঞ্জ) আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গণনায় ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন জামায়াত ইসলামী মনোনীত ও ১১ দল সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফিরোজ হায়দার (লাভলু)। নির্বাচনী ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে ওই আসনের সব কেন্দ্রের ভোট পূর্ণাঙ্গভাবে পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় আদিতমারী উপজেলার সাপ্টিবাড়ী এলাকার গিলাবাড়ীতে নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই দাবি জানান।

এর আগে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) লালমনিরহাট রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছে এ বিষয়ে একটি লিখিত আবেদন জমা দেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে ফিরোজ হায়দার লাভলু অভিযোগ করেন, ভোট গণনার সময় একাধিক কেন্দ্রে ফলাফলে চরম অসঙ্গতি দেখা গেছে। তিনি বলেন, প্রাপ্ত ফলাফলের সঙ্গে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের সরবরাহ করা বিবরণী ও গণনাপত্রের কোনো মিল নেই। অনেক কেন্দ্রে ফলাফল ঘোষণায় উদ্দেশ্যমূলক বিলম্ব করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে তিনি আরও উল্লেখ করেন, আদিতমারী ও কালীগঞ্জ উপজেলার ভেলাবাড়ি, দুর্গাপুর, কমলাবাড়ি ও গোড়োল ইউনিয়নসহ বিভিন্ন কেন্দ্রে বিকেল সাড়ে ৫টার পর থেকে গণনায় অনিয়ম শুরু হয়। এ সময় তার নির্বাচনী এজেন্টদের সঙ্গে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অসহযোগিতামূলক আচরণ করেন বলে তিনি দাবি করেন।

জামায়াত প্রার্থীর আরও অভিযোগ, কিছু কেন্দ্রে অস্বাভাবিক হারে ভোট বাতিল দেখানো হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে ফলাফল শিটে এজেন্টদের কাছ থেকে আগাম স্বাক্ষর নেওয়া হলেও পরে তাদের স্বাক্ষরবিহীন শিট দেওয়া হয়েছে। এমনকি গণনার সময় ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের ব্যালট অন্য প্রতীকের বান্ডিলে ঢুকিয়ে দেওয়ার মতো গুরুতর ঘটনাও ঘটেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।

ফিরোজ হায়দার বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে পুনরায় ভোট গণনা করা হলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে এই আসনের সব কেন্দ্রের কাস্টিং ভোট পুনরায় গণনা করা জরুরি।

নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ভোটের পর থেকেই বিভিন্ন এলাকায় দাঁড়িপাল্লার সমর্থকদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে। আমরা এসব হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে নামতে বাধ্য হব।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন— জেলা জামায়াতের আসন পরিচালক হাবিবুর রহমান, সাবেক জেলা আমির আবদুল বাতেন, জেলা জামায়াতের সদস্য সচিব আলাউল ইসলাম ফাতেমী ও আদিতমারী উপজেলা থানা আমির হায়দার আলী প্রমুখ।