বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিংড়ায় ভুয়া স্বর্ণের বারসহ দুই প্রতারক আটক

নাটোরের সিংড়ায় পুলিশের অভিযানে দুই প্রতারক কে গ্রেফতার করেছে সিংড়া থানা পুলিশ। এসময় প্রতারনার কাজে ব্যবহৃত সিএনজি এবং পাতলা লাল কাগজে মোড়ানো একটি লোহার পাত যার উপরে স্বর্ণের রং করা কথিত স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়।

রবিবার (৩১ মার্চ) দুপু ১.১৫ ঘটিকায় সিংড়া থানাধীন তাজপুর বাজারে টহলরত পুলিশ এবং জনগনের সহায়তায় সিএনজি টির পথরোধ করে এবং প্রতারক রফিকুলকে আটক করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায় মোছাঃ সাহারা বেগম (৫৭), স্বামী-মোঃ তাবেজ ফকির, সাং- রামানন্দ-খাজুরা, থানা-সিংড়া, জেলা-নাটোর সঙ্গে মোছাঃ আজিরন বেগম (৩২), স্বামী-মোঃ হায়দার আলী, সাং-রামানন্দ-খাজুরা, থানা-সিংড়া, জেলা-নাটোরসহ পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে কেনাকাটা করার জন্য বাড়ি হতে সিংড়া বাজারে আসার সময় পথিমধ্যে সিংড়া থানাধীন জামতলী বাসষ্ট্যান্ডে যাত্রী বেশে থাকা অজ্ঞাত ০৩ জন প্রতারকের সহিত একটি সিএনজিতে উঠেন। যাত্রীবেশে থাকা মোঃ রফিকুল ইসলাম (৫৭), পিতা-মোঃ ফরিদ জামান, সাং-সৈয়দপুর, থানা-শিবগঞ্জ, জেলা-বগুড়া তার হাতে থাকা পাতলা লাল কাগজে মোড়ানো একটি লোহার পাত যার উপরে স্বর্ণের রং করা কথিত স্বর্ণের বার সাহারা বেগমকে দেখিয়ে বলেন, তার ছেলে বিদেশে থাকে। সে স্বর্নের বারটি পাঠিয়েছে। এটি দিয়ে আপনার অনেক গুলি কানের ঝুমকা এবং দুল হবে। আপনার পুরাতন গহনাগুলো আমাকে দিয়ে দিন এবং স্বর্ণের বারটি নিয়ে যান। তার কথায় বিশ্বাস স্থাপন করে সাহারা বেগম তার দুই কানে থাকা ৪ আনা ২ রতি ওজনের দুইটি পাশা, যার মূল্য অনুমান ৩০,০০০/-(ত্রিশ হাজার) টাকা খুলে প্রতারক রফিকুলকে দিয়ে দেন এবং সঙ্গে তাদের নিকট থাকা ৬০০/= টাকাও দেন।

অতঃপর আসামীগণ তাদেরকে পথিমধ্যে চয়নমোড় নামক স্থানে নামিয়ে দিয়ে দ্রুত সিএনজি যোগে পালিয়ে যেতে থাকে। সাহারা বেগমের সন্দেহ হলে সে এবং আজিরন আরেকটি সিএনজি যোগে তাদের ধাওয়া করতে থাকে এবং চিৎকার করতে থাকে। তার চিৎকার চেচামেচিতে সিংড়া থানাধীন তাজপুর বাজারে টহলরত পুলিশ এবং জনগনের সহায়তায় একটি রেজিঃ বিহীণ সিএনজি, যার চেসিস নং- গউ২অঅঅঋততঝঠখ৩৩৮৭২, ইঞ্জিন নং-অঅগইঝখ৩৬৯৭৩ সিএনজি টির পথরোধ করে এবং প্রতারক রফিকুলকে আটক করতে সক্ষম হয়।এসময় তার নিকট হতে প্রতারনার কাজে ব্যবহৃত সিএনজি এবং পাতলা লাল কাগজে মোড়ানো একটি লোহার পাত যার উপরে স্বর্ণের রং করা কথিত স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। সিএনজিতে থাকা অপর প্রতারক সেরাজুল ও মানিক কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও পরবর্তীতে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় সেরাজুলকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ব্যাক্তিরা হলেন ১। মোঃ রফিকুল ইসলাম (৫৭), পিতা-মোঃ ফরিদ জামান, সাং-সৈয়দপুর, থানা-শিবগঞ্জ, জেলা-বগুড়া ২। মোঃ সেরাজুল ইসলাম (৪০), পিতা-শামসুল হক, সাং-গোবিন্দগঞ্জ (গরুহাটি), থানা-গোবিন্ধগঞ্জ, জেলা-গাইবান্ধা।

ঘটনার সত্যতা স্বিকার করে সিংড়া থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম জাগো২৪.নেট-কে বলেন, গ্রেফতারকৃত ও পলাতক আসামীগণের বিরুদ্ধে অপরাধ জনক বিশ্বাসভঙ্গ করে প্রতারণামূলক ভাবে কানের পাশা ও টাকা আত্মসাৎ করায় সিংড়া থানার মামলা নং-৩২,তারিখ-৩১/০৩/২০২৪ ইং, ধারা-৪০৬/৪২০ পেনাল কোড রুজু করা হয়। পলাতক প্রতারককে গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সিংড়ায় ভুয়া স্বর্ণের বারসহ দুই প্রতারক আটক

প্রকাশের সময়: ০৩:৫৬:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০২৪

নাটোরের সিংড়ায় পুলিশের অভিযানে দুই প্রতারক কে গ্রেফতার করেছে সিংড়া থানা পুলিশ। এসময় প্রতারনার কাজে ব্যবহৃত সিএনজি এবং পাতলা লাল কাগজে মোড়ানো একটি লোহার পাত যার উপরে স্বর্ণের রং করা কথিত স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়।

রবিবার (৩১ মার্চ) দুপু ১.১৫ ঘটিকায় সিংড়া থানাধীন তাজপুর বাজারে টহলরত পুলিশ এবং জনগনের সহায়তায় সিএনজি টির পথরোধ করে এবং প্রতারক রফিকুলকে আটক করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায় মোছাঃ সাহারা বেগম (৫৭), স্বামী-মোঃ তাবেজ ফকির, সাং- রামানন্দ-খাজুরা, থানা-সিংড়া, জেলা-নাটোর সঙ্গে মোছাঃ আজিরন বেগম (৩২), স্বামী-মোঃ হায়দার আলী, সাং-রামানন্দ-খাজুরা, থানা-সিংড়া, জেলা-নাটোরসহ পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে কেনাকাটা করার জন্য বাড়ি হতে সিংড়া বাজারে আসার সময় পথিমধ্যে সিংড়া থানাধীন জামতলী বাসষ্ট্যান্ডে যাত্রী বেশে থাকা অজ্ঞাত ০৩ জন প্রতারকের সহিত একটি সিএনজিতে উঠেন। যাত্রীবেশে থাকা মোঃ রফিকুল ইসলাম (৫৭), পিতা-মোঃ ফরিদ জামান, সাং-সৈয়দপুর, থানা-শিবগঞ্জ, জেলা-বগুড়া তার হাতে থাকা পাতলা লাল কাগজে মোড়ানো একটি লোহার পাত যার উপরে স্বর্ণের রং করা কথিত স্বর্ণের বার সাহারা বেগমকে দেখিয়ে বলেন, তার ছেলে বিদেশে থাকে। সে স্বর্নের বারটি পাঠিয়েছে। এটি দিয়ে আপনার অনেক গুলি কানের ঝুমকা এবং দুল হবে। আপনার পুরাতন গহনাগুলো আমাকে দিয়ে দিন এবং স্বর্ণের বারটি নিয়ে যান। তার কথায় বিশ্বাস স্থাপন করে সাহারা বেগম তার দুই কানে থাকা ৪ আনা ২ রতি ওজনের দুইটি পাশা, যার মূল্য অনুমান ৩০,০০০/-(ত্রিশ হাজার) টাকা খুলে প্রতারক রফিকুলকে দিয়ে দেন এবং সঙ্গে তাদের নিকট থাকা ৬০০/= টাকাও দেন।

অতঃপর আসামীগণ তাদেরকে পথিমধ্যে চয়নমোড় নামক স্থানে নামিয়ে দিয়ে দ্রুত সিএনজি যোগে পালিয়ে যেতে থাকে। সাহারা বেগমের সন্দেহ হলে সে এবং আজিরন আরেকটি সিএনজি যোগে তাদের ধাওয়া করতে থাকে এবং চিৎকার করতে থাকে। তার চিৎকার চেচামেচিতে সিংড়া থানাধীন তাজপুর বাজারে টহলরত পুলিশ এবং জনগনের সহায়তায় একটি রেজিঃ বিহীণ সিএনজি, যার চেসিস নং- গউ২অঅঅঋততঝঠখ৩৩৮৭২, ইঞ্জিন নং-অঅগইঝখ৩৬৯৭৩ সিএনজি টির পথরোধ করে এবং প্রতারক রফিকুলকে আটক করতে সক্ষম হয়।এসময় তার নিকট হতে প্রতারনার কাজে ব্যবহৃত সিএনজি এবং পাতলা লাল কাগজে মোড়ানো একটি লোহার পাত যার উপরে স্বর্ণের রং করা কথিত স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। সিএনজিতে থাকা অপর প্রতারক সেরাজুল ও মানিক কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও পরবর্তীতে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় সেরাজুলকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ব্যাক্তিরা হলেন ১। মোঃ রফিকুল ইসলাম (৫৭), পিতা-মোঃ ফরিদ জামান, সাং-সৈয়দপুর, থানা-শিবগঞ্জ, জেলা-বগুড়া ২। মোঃ সেরাজুল ইসলাম (৪০), পিতা-শামসুল হক, সাং-গোবিন্দগঞ্জ (গরুহাটি), থানা-গোবিন্ধগঞ্জ, জেলা-গাইবান্ধা।

ঘটনার সত্যতা স্বিকার করে সিংড়া থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম জাগো২৪.নেট-কে বলেন, গ্রেফতারকৃত ও পলাতক আসামীগণের বিরুদ্ধে অপরাধ জনক বিশ্বাসভঙ্গ করে প্রতারণামূলক ভাবে কানের পাশা ও টাকা আত্মসাৎ করায় সিংড়া থানার মামলা নং-৩২,তারিখ-৩১/০৩/২০২৪ ইং, ধারা-৪০৬/৪২০ পেনাল কোড রুজু করা হয়। পলাতক প্রতারককে গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।