সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটে স্বামীকে হত্যা, স্ত্রী আটক

লালমনিরহাটের আদিতমারীতে অন্ডকোষ চেপে ধরে স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রী ইতিমনিকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) বিকেলে আদিতমারী থানার ওসি মাহমুদ-উন-নবী আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের পূর্ব শালমারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ইসমাইল হোসেন(৪৫) উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউুনিয়নের শালমারা গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে। অপরদিকে, আটক স্ত্রী ইতিমনি লালমনিরহাট সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়নের দুরাকুটি পূর্বপাড়া গ্রামের জগদীশের মেয়ে বলে জানা গেছে।

সূত্রমতে, প্রায় ১২ বছর আগে ধর্মান্তরিত হয়ে মায়া রানী থেকে ইতিমনি নাম গ্রহণ করে ইসমাইল হোসেনকে বিয়ে করেন ওই নারী। বিয়ের কয়েকবছর পর ইতিমনি হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক যুবকের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। এরপর তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে ঋণ করা শুরু করেন। ঋণের ওই টাকা তিনি তার পরকীয়া প্রেমিকের কাছে জমা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রেমিককে দেওয়া সেই ঋণের টাকা পরিশোধ করতে স্বামী ইসমাইলকে চাপ প্রয়োগ করতে শুরু করেন ওই নারী। ফলশ্রুতিতে তাদের বৈবাহিক সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়। বিবাদের একপর্যায়ে ইতিমনি প্রথমে তার স্বামী ইসমাইলকে দা দিয়ে আঘাত করেন। সে সময় ইসমাইলের চিৎকারে স্থানীয়রা এসে তাকে উদ্ধার করেন। এরপর স্থানীয়রা তাদের মধ্যে আপস করে দিয়ে চলে যান। কিন্তু তারা চলে যাওয়ার পর দ্বিতীয় দফায় আক্রমণাত্মক হন ইতিমনি। তখন তার স্বামীর অণ্ডকোষে (গোপনাঙ্গ) চাপ দিয়ে ধরলে ঘটনাস্থলেই ইসমাইলের মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা এসে ইতিমনিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। রাতেই থানা পুলিশ ইসমাইলের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

নিহত ইসমাইলের ভাই জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ করে বলেন, ইতিমনি পরকীয়া করত। আর সেটাতে বাধা দেওয়ায় সে আমার ভাইকে হত্যা করেছে।

আদিতমারী থানার ওসি মাহমুদ-উন-নবী জানান, ইতিমনিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। নিহতের পরিবার মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

 

লালমনিরহাটে স্বামীকে হত্যা, স্ত্রী আটক

প্রকাশের সময়: ১০:৩৯:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৪

লালমনিরহাটের আদিতমারীতে অন্ডকোষ চেপে ধরে স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রী ইতিমনিকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) বিকেলে আদিতমারী থানার ওসি মাহমুদ-উন-নবী আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের পূর্ব শালমারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ইসমাইল হোসেন(৪৫) উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউুনিয়নের শালমারা গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে। অপরদিকে, আটক স্ত্রী ইতিমনি লালমনিরহাট সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়নের দুরাকুটি পূর্বপাড়া গ্রামের জগদীশের মেয়ে বলে জানা গেছে।

সূত্রমতে, প্রায় ১২ বছর আগে ধর্মান্তরিত হয়ে মায়া রানী থেকে ইতিমনি নাম গ্রহণ করে ইসমাইল হোসেনকে বিয়ে করেন ওই নারী। বিয়ের কয়েকবছর পর ইতিমনি হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক যুবকের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। এরপর তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে ঋণ করা শুরু করেন। ঋণের ওই টাকা তিনি তার পরকীয়া প্রেমিকের কাছে জমা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রেমিককে দেওয়া সেই ঋণের টাকা পরিশোধ করতে স্বামী ইসমাইলকে চাপ প্রয়োগ করতে শুরু করেন ওই নারী। ফলশ্রুতিতে তাদের বৈবাহিক সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়। বিবাদের একপর্যায়ে ইতিমনি প্রথমে তার স্বামী ইসমাইলকে দা দিয়ে আঘাত করেন। সে সময় ইসমাইলের চিৎকারে স্থানীয়রা এসে তাকে উদ্ধার করেন। এরপর স্থানীয়রা তাদের মধ্যে আপস করে দিয়ে চলে যান। কিন্তু তারা চলে যাওয়ার পর দ্বিতীয় দফায় আক্রমণাত্মক হন ইতিমনি। তখন তার স্বামীর অণ্ডকোষে (গোপনাঙ্গ) চাপ দিয়ে ধরলে ঘটনাস্থলেই ইসমাইলের মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা এসে ইতিমনিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। রাতেই থানা পুলিশ ইসমাইলের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

নিহত ইসমাইলের ভাই জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ করে বলেন, ইতিমনি পরকীয়া করত। আর সেটাতে বাধা দেওয়ায় সে আমার ভাইকে হত্যা করেছে।

আদিতমারী থানার ওসি মাহমুদ-উন-নবী জানান, ইতিমনিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। নিহতের পরিবার মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।