সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় সাবেক হুইপ ও এমপিসহ ৩৬৪ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ আরা বেগম গিনি, ও গাইবান্ধা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শাহ সারোয়ার কবিরসহ গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগের নামীয়-অজ্ঞাত ৩৬৪ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।

সোমবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যার দিকে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানা।

জেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও ককটেল হামলার ঘটনায় বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে এই মামলা করা হয়। গাইবান্ধা জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আবদুল হাই বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

মামলায় উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে আরও আছেন- গাইবান্ধা পৌরসভার সাবেক মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবির, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুর জামানসহ আওয়ামীগের অঙ্গ সংহঠনের ১১৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ২০০ থেকে ২৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি দেখানো হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ৪ আগস্ট বিকেলে জেলা শহরের সার্কুলার রোডে জেলা বিএনপির কার্যালয়ে প্রবেশ করেন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। তারা অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালান। হামলাকারীরা বিএনপি কার্যালয়ে তালা, দরজা-জানালা, ভেতরের চেয়ার-টেবিলসহ বিভিন্ন আসবাব ভাঙচুর করেন। পরে কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন এবং ভাঙচুর করা আসবাব বাইরে বের করে সেগুলোতে পেট্রল ঢেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এতে অনেক ক্ষতি হয়।

গাইবান্ধা সদর থানার ওসি মাসুদ রানা বলেন, মামলার আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জনপ্রিয়

গাইবান্ধায় সাবেক হুইপ ও এমপিসহ ৩৬৪ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশের সময়: ০৯:৪৫:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৪

জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ আরা বেগম গিনি, ও গাইবান্ধা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শাহ সারোয়ার কবিরসহ গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগের নামীয়-অজ্ঞাত ৩৬৪ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।

সোমবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যার দিকে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানা।

জেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও ককটেল হামলার ঘটনায় বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে এই মামলা করা হয়। গাইবান্ধা জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আবদুল হাই বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

মামলায় উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে আরও আছেন- গাইবান্ধা পৌরসভার সাবেক মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবির, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুর জামানসহ আওয়ামীগের অঙ্গ সংহঠনের ১১৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ২০০ থেকে ২৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি দেখানো হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ৪ আগস্ট বিকেলে জেলা শহরের সার্কুলার রোডে জেলা বিএনপির কার্যালয়ে প্রবেশ করেন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। তারা অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালান। হামলাকারীরা বিএনপি কার্যালয়ে তালা, দরজা-জানালা, ভেতরের চেয়ার-টেবিলসহ বিভিন্ন আসবাব ভাঙচুর করেন। পরে কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন এবং ভাঙচুর করা আসবাব বাইরে বের করে সেগুলোতে পেট্রল ঢেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এতে অনেক ক্ষতি হয়।

গাইবান্ধা সদর থানার ওসি মাসুদ রানা বলেন, মামলার আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।