মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে ইউনিয়ন পরিষদে হামলা, নাক ফেটে গ্রামপুলিশ হাসপাতালে

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসময় সহকারী সচিব বেলাল মিয়াকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। এ পরিস্থিতি থামাতে গিয়ে আব্দুল গণি আকন্দ নামের এক গ্রামপুলিশকে ঘুষি দিয়ে নাক ফেটে দিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে কামারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে। আহত গ্রামপুলিশ আব্দুল গণি আকন্দ কামারপাড়া ইউনিয়নের কিশামত বাগছী গ্রামের নীল মিয়ার ছেলে।

এ বিষয়ে আহত আব্দুল গণি আকন্দ বলেন, বৃহস্পতিবার সকালের দিকে স্থানীয় মানিক শাহ্ এর স্ত্রী নিলুফা ইয়াসমিন মুক্তা পরিষদে জন্মনিবন্ধন নিতে আসেন। এসময় সহকারী সচিব বেলাল মিয়ার কাজ করতে বিলম্ব হয়। পরে সেবা নিতে আসা এই নারী ফিরে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর স্থানীয় শহিদুল ইসলাম সোনাসহ ২৫-৩০ জনের একটি দল এসে ওই সচিবকে অশ্লিল ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এসময় আমিসহ অন্যান্য গ্রামপুলিশ পরিস্থিতি থামাতে গেলে পরিষদের সদস্য হারুন মিয়ার ভাই হুমায়ুন আহমেদ উত্তেজীত হয়ে আমাকে (আব্দুল গণি আকন্দ) ঘুষি দিয়ে নাক ফেটে দেয়। হুমায়ুন আহমেদ কামারপাড়া ইউনিয়নের মধ্যহাটবামুনি গ্রামের আব্দুল হাই মিয়ার ছেলে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম সোনা ও হুমায়ুন আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের পাওয়া যায়নি।

কামারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য হারুণ মিয়া বলেন, একটি পক্ষ আমার ভাই হুমায়ুন আহমেদকে ব্যবহার করে মহল্লাদার আব্দুল গণি আকন্দকে মারপিট করে নিয়েছে। গণি আকন্দকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

ওই ইউপি চেয়ারম্যান এ.আর.এম মাহফুজার রহমান জানান, ঘটনার সময় তিনি পরিষদে ছিলেন না। গ্রামপুলিশকে মারপিট ও সচিবকে লাঞ্চিত করার বিষয়টি ইউএনও স্যারকে জানানো হয়েছে।

সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজ উদ্দিন খন্দকার বলেন, খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। এ ঘটনায় একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। সেটি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাদুল্লাপুরে ইউনিয়ন পরিষদে হামলা, নাক ফেটে গ্রামপুলিশ হাসপাতালে

প্রকাশের সময়: ০৮:০৪:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৪

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসময় সহকারী সচিব বেলাল মিয়াকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। এ পরিস্থিতি থামাতে গিয়ে আব্দুল গণি আকন্দ নামের এক গ্রামপুলিশকে ঘুষি দিয়ে নাক ফেটে দিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে কামারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে। আহত গ্রামপুলিশ আব্দুল গণি আকন্দ কামারপাড়া ইউনিয়নের কিশামত বাগছী গ্রামের নীল মিয়ার ছেলে।

এ বিষয়ে আহত আব্দুল গণি আকন্দ বলেন, বৃহস্পতিবার সকালের দিকে স্থানীয় মানিক শাহ্ এর স্ত্রী নিলুফা ইয়াসমিন মুক্তা পরিষদে জন্মনিবন্ধন নিতে আসেন। এসময় সহকারী সচিব বেলাল মিয়ার কাজ করতে বিলম্ব হয়। পরে সেবা নিতে আসা এই নারী ফিরে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর স্থানীয় শহিদুল ইসলাম সোনাসহ ২৫-৩০ জনের একটি দল এসে ওই সচিবকে অশ্লিল ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এসময় আমিসহ অন্যান্য গ্রামপুলিশ পরিস্থিতি থামাতে গেলে পরিষদের সদস্য হারুন মিয়ার ভাই হুমায়ুন আহমেদ উত্তেজীত হয়ে আমাকে (আব্দুল গণি আকন্দ) ঘুষি দিয়ে নাক ফেটে দেয়। হুমায়ুন আহমেদ কামারপাড়া ইউনিয়নের মধ্যহাটবামুনি গ্রামের আব্দুল হাই মিয়ার ছেলে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম সোনা ও হুমায়ুন আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের পাওয়া যায়নি।

কামারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য হারুণ মিয়া বলেন, একটি পক্ষ আমার ভাই হুমায়ুন আহমেদকে ব্যবহার করে মহল্লাদার আব্দুল গণি আকন্দকে মারপিট করে নিয়েছে। গণি আকন্দকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

ওই ইউপি চেয়ারম্যান এ.আর.এম মাহফুজার রহমান জানান, ঘটনার সময় তিনি পরিষদে ছিলেন না। গ্রামপুলিশকে মারপিট ও সচিবকে লাঞ্চিত করার বিষয়টি ইউএনও স্যারকে জানানো হয়েছে।

সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজ উদ্দিন খন্দকার বলেন, খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। এ ঘটনায় একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। সেটি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।