রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফাগুনের হাওয়ায় গাইবান্ধায় রাঙিয়ে উঠেছে শিমুল ফুল

ফাগুনের হাওয়ায় গাইবান্ধায় রাঙিয়ে উঠেছে প্রকৃতি। নতুন মাত্রায় যোগ হয়েছে গ্রামবাংলার শোভা-সৌন্দর্য। এরই মধ্যে বসন্তের নীল আকাশের নিচে উঁকি দিচ্ছে আগুনরাঙা শিমুল ফুল। থোকা থোকা এ ফুলে হৃদয় ছুয়ে যাচ্ছে সবার। রক্তলাল শিমুলের রূপে মুগ্ধ হয়ে উঠছে গাইবান্ধার মানুষরা।

সম্প্রতি গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জস্থ পাকা সড়কের ধারে দেখা গেল বেশ কিছু শিমুল গাছের। যেন পাতাবিহীন ডালে উঁকি দিচ্ছে রক্তিম ফুল। এসময় দখিণা হওয়ায় বেশ কিছু ফুল ঝড়ে পড়তেও দেখা গেল মাটিতে। কেউ কেউ শখের বশে সেই ফুল কুড়িয়ে নিচ্ছিলেন।

জানা যায়, আজ থেকে প্রায় দেড় দশক আগে বসতবাড়ীর উঠানে বা কৃষি জমির ধারে শিমুল গাছ ছিল অহরহ। এ গাছ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এনে দিত। মানুষ শিমুল তুলা কুড়িয়ে বিক্রি করে ভালো আয় করতেন। অনেকে নিজের গাছের তুলা দিয়ে বানাতেন লেপ, তোষক, বালিশ। শিমুল তুলা বিক্রি করে অনেকে স্বাবলম্বী হয়েছেন এমন নজিরও আছে। কিন্তু আধুনিকতার ছোঁয়ায় শিমুল গাছ এখন আর তেমন চোখে পড়ে না।

সৈয়দ রেজা-ই মাহমুদ মুন্না নামের এক পথচারী বলেন, গাইবান্ধা থেকে সুন্দরগঞ্জ আসার পথে মুগ্ধ হলাম ওইসব শিমুল ফুলে। অসাধারণ সৌন্দর্য সত্যিই চোখে পরার মত। ভালো লাগার এক অদ্ভুত আবেগ ছড়িয়ে গেল মনে।

কলিম উদ্দিন ব্যাপারী নামের এক বৃদ্ধা বলেন, শিমুল গাছের ঔষধি গুণও রয়েছে। গ্রামাঞ্চলের মানুষ আগে বিষ ফোঁড়া ও কোষ্ঠ কাঠিন্য নিরাময়ে শিমুল গাছের মূল ব্যবহার করতেন। বর্তমানে নানা কারণে শিমুল গাছ এখন হারিয়ে যেতে বসেছে।

গাইবান্ধা বন বিভাগ কর্মকর্তা আব্দুর সবুর মিয়া জানান , এক সময় শিমুল তুলার কদর ছিল অনেকটাই।সেটি দখল করে নিয়েছে প্রযুক্তিতে তৈরি তুলা,  ইউক্যালিপটাস ফাইবার, ফোম ও প্লাস্টিক ফাইবার।

 

তিনি আরো বলেন, প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র তৈরিতে শিমুল কাঠ তেমন টেকসই হয় না। ফলে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে শিমুল গাছ।

ফাগুনের হাওয়ায় গাইবান্ধায় রাঙিয়ে উঠেছে শিমুল ফুল

প্রকাশের সময়: ১১:১৭:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ মার্চ ২০২১

ফাগুনের হাওয়ায় গাইবান্ধায় রাঙিয়ে উঠেছে প্রকৃতি। নতুন মাত্রায় যোগ হয়েছে গ্রামবাংলার শোভা-সৌন্দর্য। এরই মধ্যে বসন্তের নীল আকাশের নিচে উঁকি দিচ্ছে আগুনরাঙা শিমুল ফুল। থোকা থোকা এ ফুলে হৃদয় ছুয়ে যাচ্ছে সবার। রক্তলাল শিমুলের রূপে মুগ্ধ হয়ে উঠছে গাইবান্ধার মানুষরা।

সম্প্রতি গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জস্থ পাকা সড়কের ধারে দেখা গেল বেশ কিছু শিমুল গাছের। যেন পাতাবিহীন ডালে উঁকি দিচ্ছে রক্তিম ফুল। এসময় দখিণা হওয়ায় বেশ কিছু ফুল ঝড়ে পড়তেও দেখা গেল মাটিতে। কেউ কেউ শখের বশে সেই ফুল কুড়িয়ে নিচ্ছিলেন।

জানা যায়, আজ থেকে প্রায় দেড় দশক আগে বসতবাড়ীর উঠানে বা কৃষি জমির ধারে শিমুল গাছ ছিল অহরহ। এ গাছ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এনে দিত। মানুষ শিমুল তুলা কুড়িয়ে বিক্রি করে ভালো আয় করতেন। অনেকে নিজের গাছের তুলা দিয়ে বানাতেন লেপ, তোষক, বালিশ। শিমুল তুলা বিক্রি করে অনেকে স্বাবলম্বী হয়েছেন এমন নজিরও আছে। কিন্তু আধুনিকতার ছোঁয়ায় শিমুল গাছ এখন আর তেমন চোখে পড়ে না।

সৈয়দ রেজা-ই মাহমুদ মুন্না নামের এক পথচারী বলেন, গাইবান্ধা থেকে সুন্দরগঞ্জ আসার পথে মুগ্ধ হলাম ওইসব শিমুল ফুলে। অসাধারণ সৌন্দর্য সত্যিই চোখে পরার মত। ভালো লাগার এক অদ্ভুত আবেগ ছড়িয়ে গেল মনে।

কলিম উদ্দিন ব্যাপারী নামের এক বৃদ্ধা বলেন, শিমুল গাছের ঔষধি গুণও রয়েছে। গ্রামাঞ্চলের মানুষ আগে বিষ ফোঁড়া ও কোষ্ঠ কাঠিন্য নিরাময়ে শিমুল গাছের মূল ব্যবহার করতেন। বর্তমানে নানা কারণে শিমুল গাছ এখন হারিয়ে যেতে বসেছে।

গাইবান্ধা বন বিভাগ কর্মকর্তা আব্দুর সবুর মিয়া জানান , এক সময় শিমুল তুলার কদর ছিল অনেকটাই।সেটি দখল করে নিয়েছে প্রযুক্তিতে তৈরি তুলা,  ইউক্যালিপটাস ফাইবার, ফোম ও প্লাস্টিক ফাইবার।

 

তিনি আরো বলেন, প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র তৈরিতে শিমুল কাঠ তেমন টেকসই হয় না। ফলে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে শিমুল গাছ।