শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঈশ্বরদীতে রাশিয়ান নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার

পাবনার ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে কর্মরত এক রাশিয়ান নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ৮টার দিকে শহরের জিগাতলা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত ব্যক্তির নাম কারপোভ ক্রিল (২৬)। তিনি রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইএসকেএম কোম্পানিতে ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

ঈশ্বরদীর আমবাগান পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আফজাল হোসেন বলেন, কারপোভ ক্রিল জিগাতলা এলাকার চিকিৎসক আনোয়ার হোসেনের বাড়ির পঞ্চম তলার একটি ফ্ল্যাটে একা থাকতেন।

শনিবার রাতে পরিবারের সদস্যরা রাশিয়া থেকে তার মোবাইলে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। পরে তারা বিষয়টি কোম্পানির সিকিউরিটি অফিসারকে জানান।

সিকিউরিটি অফিসার দোভাষী আনোয়ারুল ইসলাম এবং পাশের ফ্ল্যাটে থাকা আরেক রাশিয়ান নাগরিককে সঙ্গে নিয়ে ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন।

এ সময় ক্রিলকে বিছানার ওপর উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে রাশিয়ান চিকিৎসক মিখাইল এসে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার সরকার বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই রাশিয়ান নাগরিক ব্রেন স্ট্রোকে মারা যেতে পারেন। কয়েক দিন আগে তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছিলেন।

তিনি আরও বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর জানা যাবে।

ঈশ্বরদীতে রাশিয়ান নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময়: ০৬:৫৮:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পাবনার ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে কর্মরত এক রাশিয়ান নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ৮টার দিকে শহরের জিগাতলা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত ব্যক্তির নাম কারপোভ ক্রিল (২৬)। তিনি রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইএসকেএম কোম্পানিতে ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

ঈশ্বরদীর আমবাগান পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আফজাল হোসেন বলেন, কারপোভ ক্রিল জিগাতলা এলাকার চিকিৎসক আনোয়ার হোসেনের বাড়ির পঞ্চম তলার একটি ফ্ল্যাটে একা থাকতেন।

শনিবার রাতে পরিবারের সদস্যরা রাশিয়া থেকে তার মোবাইলে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। পরে তারা বিষয়টি কোম্পানির সিকিউরিটি অফিসারকে জানান।

সিকিউরিটি অফিসার দোভাষী আনোয়ারুল ইসলাম এবং পাশের ফ্ল্যাটে থাকা আরেক রাশিয়ান নাগরিককে সঙ্গে নিয়ে ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন।

এ সময় ক্রিলকে বিছানার ওপর উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে রাশিয়ান চিকিৎসক মিখাইল এসে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার সরকার বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই রাশিয়ান নাগরিক ব্রেন স্ট্রোকে মারা যেতে পারেন। কয়েক দিন আগে তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছিলেন।

তিনি আরও বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর জানা যাবে।