শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চিরিরবন্দরে ফসল রক্ষায় ‘আলোক ফাঁদ’

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে আমন ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে ক্ষতিকর পোকা-মাকড় দমন ও চিহ্নিত করতে ‘আলোক ফাঁদ’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে গত ২৩ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাতে উপজেলার সাঁইতাড়া ইউনিয়নের খোচনা গ্রামসহ উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের সকল ব্লকে একযোগে এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়।
কয়েকজন কৃষক জানান, আলোক ফাঁদের কার্যকারিতা সরাসরি দেখে তারা উপকৃত হয়েছেন। স্বল্প পরিমাণে কীটনাশক ব্যবহারে খরচও কম হবে এবং বিষমুক্ত ধান উৎপাদনের মাধ্যমে স্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষা করা সম্ভব হবে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা আশা করেন, এ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকেরা আরও সচেতন হবেন ও মাঠপর্যায়ে আলোক ফাঁদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করবেন।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ জোহরা সুলতানা বলেন, আমন মৌসুমে ক্ষতিকর পোকা-মাকড় কৃষকের বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সঠিক সময়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নিলে উৎপাদন হ্রাস পায়। আলোক ফাঁদের মাধ্যমে এসব পোকা দমন ও চিহ্নিত করা গেলে কীটনাশকের ব্যবহার কমানো সম্ভব। যা কৃষক ও পরিবেশ উভয়ের জন্যই কল্যাণকর। তিনি আরও জানান, রাতের আঁধারে ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ আলোতে আকৃষ্ট হয়ে ফাঁদে আটকা পড়ে। ফলে মাঠ পর্যায়ে পোকা-মাকড়ের উপস্থিতি সহজে পর্যবেক্ষণ ও দমন করা যায়। এটি একটি সাশ্রয়ী ও কার্যকর সমাধান পদ্ধতি। এ সময় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার সুমি আক্তার ,উপ -সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মিনহাজুল হক নবাবসহ কৃষক-কৃষাণীরাও অংশগ্রহন করেন।

চিরিরবন্দরে ফসল রক্ষায় ‘আলোক ফাঁদ’

প্রকাশের সময়: ১২:১৮:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে আমন ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে ক্ষতিকর পোকা-মাকড় দমন ও চিহ্নিত করতে ‘আলোক ফাঁদ’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে গত ২৩ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাতে উপজেলার সাঁইতাড়া ইউনিয়নের খোচনা গ্রামসহ উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের সকল ব্লকে একযোগে এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়।
কয়েকজন কৃষক জানান, আলোক ফাঁদের কার্যকারিতা সরাসরি দেখে তারা উপকৃত হয়েছেন। স্বল্প পরিমাণে কীটনাশক ব্যবহারে খরচও কম হবে এবং বিষমুক্ত ধান উৎপাদনের মাধ্যমে স্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষা করা সম্ভব হবে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা আশা করেন, এ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকেরা আরও সচেতন হবেন ও মাঠপর্যায়ে আলোক ফাঁদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করবেন।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ জোহরা সুলতানা বলেন, আমন মৌসুমে ক্ষতিকর পোকা-মাকড় কৃষকের বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সঠিক সময়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নিলে উৎপাদন হ্রাস পায়। আলোক ফাঁদের মাধ্যমে এসব পোকা দমন ও চিহ্নিত করা গেলে কীটনাশকের ব্যবহার কমানো সম্ভব। যা কৃষক ও পরিবেশ উভয়ের জন্যই কল্যাণকর। তিনি আরও জানান, রাতের আঁধারে ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ আলোতে আকৃষ্ট হয়ে ফাঁদে আটকা পড়ে। ফলে মাঠ পর্যায়ে পোকা-মাকড়ের উপস্থিতি সহজে পর্যবেক্ষণ ও দমন করা যায়। এটি একটি সাশ্রয়ী ও কার্যকর সমাধান পদ্ধতি। এ সময় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার সুমি আক্তার ,উপ -সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মিনহাজুল হক নবাবসহ কৃষক-কৃষাণীরাও অংশগ্রহন করেন।