শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জাগো২৪.নেটে সংবাদ প্রকাশে ডা. জিয়ার হুইলচেয়ার পেল সেই প্রতিবন্ধী মনির

প্রতিবন্ধী ছেলের জন্য হুইলচেয়ারের আকুতি বাবার- শিরোনামে জাগো২৪.নেট এ সংবাদ প্রকাশ হয়। আর এই সংবাদটি দেখে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী অধ্যাপক ডা. খন্দকার জিয়াউল ইসলাম জিয়া তার ব্যক্তিগত অর্থ থেকে প্রতিবন্ধী মনিরুজ্জামান মনিরকে একটি হুইলচেয়ার দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মনিরাম কাজী গ্রামের রিকশাচালক আলতাব হোসেনের ছেলে মনিরকে চেয়ারটি দেওয়া হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. খন্দকার জিয়াউল ইসলাম জিয়া, জেলা যুবদলের শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আখতারুজ্জামান রাজু, বিএনপি শান্তি সরকার, রেজাউল করিম সরকার রাজু, ইঞ্জিনিয়ার রুবেল মিয়াসহ অনেকে।

এই চেয়ারটি পেয়ে প্রতিবন্ধী শিশুর বাবা আলতাব হোসেন- অধ্যাপক ডা. খন্দকার জিয়াউল ইসলাম জিয়াকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আমার পরিবার চির কৃতজ্ঞ থাকবে আপনার প্রতি। আপনার এ দয়ার কথা কখনো ভুলবো না। নামাজ বসে আল্লাহর কাছে দোয়া করবো। তিনি যেনো আপনার ভালো করেন এবং মনের আশা পূরন করেন।

গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. খন্দকার জিয়াউল ইসলাম জিয়া বলেন, জাগো২৪.নেটসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এ পরিবারের অসহায়ত্বের বিষয়টি জানতে পারি। এতে ভীষণভাবে আমি মর্মাহত হই। তৎক্ষনাৎ যোগাযোগ করি এবং ঢাকা থেকে নিজেই আমি হুইলচেয়ারটি নিয়ে চলে আসি।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে যেখানেই অসহায় মানুষের খবর পাওয়া যাবে, সঙ্গে সঙ্গে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। আজ সেই কাজে অংশ নিতে পেরে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি বলেও জানান এ নেতা।

উল্লেখ্য, জন্মগতভাবে শিশু মনিরুজ্জামান মনির প্রতিবন্ধী। রিকশাচালক শিশুটির বাবা আলতাব হোসেনের বসতবাড়ির ৪ শতত জমি ছাড়া আর কোনো জমি নেই তার। জন্মে পর  থেকে অনেক ডাক্তারকেই দেখিয়েছিলেন। কেউ শিশুটিকে ভালো করতে পারেনি। সবাই বলেছেন ওর নাকি পুষ্টির অভাব ছিলো। এখনো ওকে প্রত্যেকদিন ওষুধ খাওয়াতে হয়। আর্থিক সংকট থাকায় হুইলচেয়ার কেনার সামর্থ্য ছিলো না। সে কারণে স্থানীয় ইউপি সদস্য, চেয়ারম্যান ও সমাজের বিত্তবানদের নিকট সহযোগীতা চেয়ে ব্যর্থ হন তিনি। পরবর্তী জাগো২৪.নেটসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর পেলেন কাঙ্খিত চেয়ারটি।

জাগো২৪.নেটে সংবাদ প্রকাশে ডা. জিয়ার হুইলচেয়ার পেল সেই প্রতিবন্ধী মনির

প্রকাশের সময়: ০৭:৩১:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

প্রতিবন্ধী ছেলের জন্য হুইলচেয়ারের আকুতি বাবার- শিরোনামে জাগো২৪.নেট এ সংবাদ প্রকাশ হয়। আর এই সংবাদটি দেখে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী অধ্যাপক ডা. খন্দকার জিয়াউল ইসলাম জিয়া তার ব্যক্তিগত অর্থ থেকে প্রতিবন্ধী মনিরুজ্জামান মনিরকে একটি হুইলচেয়ার দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মনিরাম কাজী গ্রামের রিকশাচালক আলতাব হোসেনের ছেলে মনিরকে চেয়ারটি দেওয়া হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. খন্দকার জিয়াউল ইসলাম জিয়া, জেলা যুবদলের শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আখতারুজ্জামান রাজু, বিএনপি শান্তি সরকার, রেজাউল করিম সরকার রাজু, ইঞ্জিনিয়ার রুবেল মিয়াসহ অনেকে।

এই চেয়ারটি পেয়ে প্রতিবন্ধী শিশুর বাবা আলতাব হোসেন- অধ্যাপক ডা. খন্দকার জিয়াউল ইসলাম জিয়াকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আমার পরিবার চির কৃতজ্ঞ থাকবে আপনার প্রতি। আপনার এ দয়ার কথা কখনো ভুলবো না। নামাজ বসে আল্লাহর কাছে দোয়া করবো। তিনি যেনো আপনার ভালো করেন এবং মনের আশা পূরন করেন।

গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. খন্দকার জিয়াউল ইসলাম জিয়া বলেন, জাগো২৪.নেটসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এ পরিবারের অসহায়ত্বের বিষয়টি জানতে পারি। এতে ভীষণভাবে আমি মর্মাহত হই। তৎক্ষনাৎ যোগাযোগ করি এবং ঢাকা থেকে নিজেই আমি হুইলচেয়ারটি নিয়ে চলে আসি।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে যেখানেই অসহায় মানুষের খবর পাওয়া যাবে, সঙ্গে সঙ্গে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। আজ সেই কাজে অংশ নিতে পেরে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি বলেও জানান এ নেতা।

উল্লেখ্য, জন্মগতভাবে শিশু মনিরুজ্জামান মনির প্রতিবন্ধী। রিকশাচালক শিশুটির বাবা আলতাব হোসেনের বসতবাড়ির ৪ শতত জমি ছাড়া আর কোনো জমি নেই তার। জন্মে পর  থেকে অনেক ডাক্তারকেই দেখিয়েছিলেন। কেউ শিশুটিকে ভালো করতে পারেনি। সবাই বলেছেন ওর নাকি পুষ্টির অভাব ছিলো। এখনো ওকে প্রত্যেকদিন ওষুধ খাওয়াতে হয়। আর্থিক সংকট থাকায় হুইলচেয়ার কেনার সামর্থ্য ছিলো না। সে কারণে স্থানীয় ইউপি সদস্য, চেয়ারম্যান ও সমাজের বিত্তবানদের নিকট সহযোগীতা চেয়ে ব্যর্থ হন তিনি। পরবর্তী জাগো২৪.নেটসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর পেলেন কাঙ্খিত চেয়ারটি।