শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সবার সহযোগীতায় বাঁচার আকুতি ফারুকের

নিভৃত গ্রামের বাসিন্দা ওমর ফারুক মিয়া। থাকেন অন্যের বাড়িতে। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে চরম দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস। একদিন শ্রম বিক্রি না করলে পেটে ভাত জোটেনা এ পরিবারে। যেন নুন আন্তে পান্তা ফুরায় অবস্থায়। এরই মধ্যে যেনো মড়ার ওপর খাড়ার ঘা লেগেছে।

ইতোমধ্যে ফারুক মিয়া ‘অ্যাসাইটিস’ রোগে আকান্ত হয়েছেন। পেটের ভেতর পানি জমেছে তার। এ চিকিৎসাসেবা নিতে গিয়ে ঘরের শোকেস সহ বিভিন্ন আসবাপত্র বিক্রি করেছেন। এছাড়াও করেছেন ঋণও। দ্রুত অপারেশন করতে পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। এখন চোখেমুখে হতাশার ছাপ। এতে অনেক টাকা দরকার। এতো টাকা যোগার করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে পরিবারটির। তাই দানশীল ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের নিকট সহযোগী চেয়ে বাঁচার আকুতি জানিয়েছেন ওমর ফারুক।

এই ফারুক মিয়ার বাড়ি গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের পুর্ব দামোদরপুর বেড়াপাড়া গ্রামে। এ গ্রামের সুরুজ্জামান মিয়ার ছেলে তিনি।

স্থানীয়রা বলছেন, অত্যান্ত গরীব পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ফারুক মিয়া। সহায় সম্পদ বলতে কিছু নেই তাদের। চরম বিপর্যয় নেমেছে এ পরিবারে। ফারুককে চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করতে সবার পাশে দাঁড়ানো দরকার।

রোগাক্রান্ত ফারুক মিয়ার স্ত্রী শিউলী বেগম বলেন, ইতোমধ্যে স্বামীর চিকিৎসা করাতে গিয়ে বহুত টাকা ব্যয় হয়েছে। ঘরের আসবাপত্র বিক্রিসহ ঋণ করে এই টাকাগুলো খরচ করেছি। এখন স্বামীর অপারেশন করতে অনেকগুলো টাকা দরকার। এসব টাকা আমরা কই পাবো। এজন্য সবার কাছে আর্থিক সযোগীতা চাচ্ছি। আমাদের বিকাশ ০১৭৬২৮১৩৮১৯।

এ বিষয়ে দামোদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমরা গ্রামবাসী সবাই সহযোগীতা করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতেছি। আজ তাকে চিকিৎসার জন্য রংপুরে পাঠানো হয়েছে।

সবার সহযোগীতায় বাঁচার আকুতি ফারুকের

প্রকাশের সময়: ০৬:২৪:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

নিভৃত গ্রামের বাসিন্দা ওমর ফারুক মিয়া। থাকেন অন্যের বাড়িতে। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে চরম দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস। একদিন শ্রম বিক্রি না করলে পেটে ভাত জোটেনা এ পরিবারে। যেন নুন আন্তে পান্তা ফুরায় অবস্থায়। এরই মধ্যে যেনো মড়ার ওপর খাড়ার ঘা লেগেছে।

ইতোমধ্যে ফারুক মিয়া ‘অ্যাসাইটিস’ রোগে আকান্ত হয়েছেন। পেটের ভেতর পানি জমেছে তার। এ চিকিৎসাসেবা নিতে গিয়ে ঘরের শোকেস সহ বিভিন্ন আসবাপত্র বিক্রি করেছেন। এছাড়াও করেছেন ঋণও। দ্রুত অপারেশন করতে পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। এখন চোখেমুখে হতাশার ছাপ। এতে অনেক টাকা দরকার। এতো টাকা যোগার করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে পরিবারটির। তাই দানশীল ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের নিকট সহযোগী চেয়ে বাঁচার আকুতি জানিয়েছেন ওমর ফারুক।

এই ফারুক মিয়ার বাড়ি গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের পুর্ব দামোদরপুর বেড়াপাড়া গ্রামে। এ গ্রামের সুরুজ্জামান মিয়ার ছেলে তিনি।

স্থানীয়রা বলছেন, অত্যান্ত গরীব পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ফারুক মিয়া। সহায় সম্পদ বলতে কিছু নেই তাদের। চরম বিপর্যয় নেমেছে এ পরিবারে। ফারুককে চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করতে সবার পাশে দাঁড়ানো দরকার।

রোগাক্রান্ত ফারুক মিয়ার স্ত্রী শিউলী বেগম বলেন, ইতোমধ্যে স্বামীর চিকিৎসা করাতে গিয়ে বহুত টাকা ব্যয় হয়েছে। ঘরের আসবাপত্র বিক্রিসহ ঋণ করে এই টাকাগুলো খরচ করেছি। এখন স্বামীর অপারেশন করতে অনেকগুলো টাকা দরকার। এসব টাকা আমরা কই পাবো। এজন্য সবার কাছে আর্থিক সযোগীতা চাচ্ছি। আমাদের বিকাশ ০১৭৬২৮১৩৮১৯।

এ বিষয়ে দামোদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমরা গ্রামবাসী সবাই সহযোগীতা করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতেছি। আজ তাকে চিকিৎসার জন্য রংপুরে পাঠানো হয়েছে।